সেখানকার আঞ্চলিক রাজধানী উরুমকিতে ২০০৯ সালের দাঙ্গায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ২০০ জন। তাদের বেশিরভাগই চীনা হান। তারপর থেকে সেখানে আরো কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলা হয়েছে পুলিশ স্টেশন এবং সরকারি ভবনেও। ২০১৪ সালে এরকম কিছু হামলায় নিহত হয়েছে ৯৬ জন।

সরকারের পক্ষ থেকে এসব হামলার জন্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দায়ী করা হয়েছে। বেইজিং বলছে, শিনজিয়াং-এর বিচ্ছিন্নতাবাদীরা চীনের অন্যত্রও হামলা চালিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে তারা তিয়েনানমেন স্কয়ারে গাড়ি দিয়েও হামলা করেছিল।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শিনজিয়াং-এ ছুরি দিয়ে চালানো হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার পর সরকার সেখানে নতুন করে অভিযান চালাতে শুরু করে। এসময় সেখানকার কমিউনিস্ট পার্টির নেতাও ‘সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

চিন জঙ্গি হাফিজের সমর্থক কারন হাফিজ ভারতের শত্রু বলে । এছাড়া POK তে যে OBOR project করছে চিন তাতে কোন পাকিস্তান এর নাগরিক কাজ করছে( কুলি মজুর ছাড়া ) না সব চিনের লোক । পাকিস্তানের বাজার এ গিয়ে চিনা নগরিক সামান্য কারনে ওদের মারধর করেছে, একটা নয় বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে আরো ঘটবে । চিন মুসলিম কে পছন্দ করে না । পাকিস্তান এর সাথে বন্ধু সাজার একটাই কারণ …ভারত  । সময় তো পালিয়ে যাচ্ছে না সবাই দেখবেন পাকিস্তানের কি হাল হয় চিনের সাথে থাকার জন্য ।

ঈমান দার মুসলিম ভাইদের এবং হেফাজত সহ অন্যান মুসলিম সংগঠনের এখনো কেনো চীনা দূতাবাস ঘেড়াও এর কর্মসূচী দেয় না?  কেনো এখনো যুদ্ধে মধ্য দিয়ে চীন দখলে জন্য তোহিদী জনতা সংগ্রামের ডাক দেয় না। চীন কি সকলে বাব দাদা  দুলাভাই বা অআত্মীসজন লাগে ..? নাকি  ..