কেবল রবীন্দ্রনাথ নন, বঙ্কিমচন্দ্র, যদুনাথ, রামমোহন, বিদ্যাসাগর, রমেশচন্দ্র সবাই মনে করতেন ব্রিটিশ শাসন ভারতের পক্ষে মঙ্গলকর।তাই এঁরা কেউই সেভাবে ব্রিটিশ শাসনের বিরোধিতা করেন নি। স্বাধীন ভারতের বাম ইসলামিক ভাষ্যই ব্রিটিশদের রক্তপিপাসু শয়তান আর মুসলিম শাসনকে “স্বর্ণযুগ ” বানিয়ে ছেড়েছে।নিম্নলিখিত পোস্টটির তথ্যগুলি সঠিক (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেসটা একটু কেলো আছে যদিও) এবং এটি পড়লে কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে যাবে বলে আমি নিশ্চিত। আর হ্যাঁ পোস্টদাতার সঙ্গে আমি একমত।  মুসলমান কখনও বাঙালি, জাপানি, ইতালিয়ান, চাইনিজ, স্প্যানিশ, আমেরিকান হয় না। মুসলমান শুধুই মুসলমানই হয়। (  কতিপয় ব্যতিক্রম নিশ্চয় আছেন৷ আরও বাড়বে এই প্রতীক্ষায় আছি।)  পড়ুন।
—-

রবীন্দ্রনাথ কে নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতা দেখলে হাসি পায়। বাস্তবতা হলো রবিবাবু ছিলেন নিতান্তই সাধারন মানের একজন কবি। ইসলামের প্রতি বিতৃষ্ণা তার কবিতা সাহিত্যে অহরহ। হিন্দুর গৌরবগাঁথা এবং মুসলমানদের প্রতি আক্রমণাত্নক লেখাই ছিলো তার আসল কাজ । কিন্তু প্রগতিশীলরা এসব লুকিয়ে রাখে। আসুন এ নিয়ে কিছু না বলা কথা আজ শেয়ার করবো৷

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় সংকলিত রবীন্দ্র জীবনীতে রবিবাবুকে বলতে শোনা যায়,
“ম্লেছ সেনাপতি এক মহম্মদ ঘোরী
তস্করের মত আসে আমিতে দেশ।”
মুসলমানদের এদেশে আগমনকে তিনি ডাকাতের মত করে চিত্রায়িত করেছেন।
রবিবাবু ছিলেন ইংরেজদের বিশেষ অনুগত একজন। ইংরেজদের সহায়তায় পরিকল্পিত ভাবে তিনি ইসলামের বিপক্ষে চক্রান্ত করেছেন। তার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টা প্রকাশ পায়। এমনকি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ চরিত্রবান মুহাম্মদ সাঃএর চরিত্র নিয়েও তিনি বাজে কটুক্তি করেছেন।

একবার শান্তিনিকেতনে মরহুম মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাকে প্রশ্ন করেছিলো “আপনার লেখায় ইসলাম ও বিশ্বনবী সম্পর্কে কোন লেখা নেই কেন?”
উত্তরে কবি বলেছিলেন, “কুরআন পড়তে শুরু করেছিলুম, কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারিনি, আর তোমাদের রসুলের জীবন চরিতও ভাল লাগেনি”। (দ্র: বিতণ্ডা : সৈয়দ মুজিব উল্লাহ, পৃ. ২২৯)।

শুধু তাই নয় মুসলিমদের বস্তি গুলো উচ্ছেদ করার জন্য তিনি ইংরেজদের উৎসাহিত করেছেন। রবীন্দ্র রচনাবলী, ১০ম খণ্ড, পৃ. ৪২৮-৪২৯ পৃষ্ঠায় খুলে দেখুন, তিনি বলেছেন,
“কিছুদিন হইল একদল ইতর শ্রেণীর অবিবেচক মুসলমান কলিকাতার রাজপথে লোষ্ট্রখণ্ড হাতে উপদ্রপের চেষ্টা করিয়াছিল। তাহার মধ্যে বিস্ময়ের ব্যাপার এই যে, লক্ষ্যটা বিশেষরূপে ইংরেজের প্রতি। তাহাদের যথেষ্ট শাস্তিও হইয়াছিল।… কেহ বলিল মুসলমান বস্তিগুলো একেবারে উড়াইয়া পুড়াইয়া দেওয়া যাক।” অথচো হিন্দু বসতি বিষয়ে তিনি কিছুই বলেন নি। শুধু বস্তি-ই নয়, মুসলিমরা যাতে শিক্ষিত হতে না পারে, তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কবির বিরোধিতা এখন ওপেন সিক্রেট।
এমন একজন লোক্লাস ইসলাম বিদ্বেষী কবির গান আমাদের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের জাতীয় সঙ্গীত হতে পারেনা। প্রতিটা মুসলমানের ধর্মীয় বোধ রক্ষায় এই হিন্দু কবি এবং কবির গান বয়কট করা উচিত।

আমরা মুসলিমরা কোনভাবেই একই সাথে ইসলাম আর রবিঠাকুর কে ধারন করতে পারিনা। এই কবি বাঙালির জন্য হতে পারে, কিন্তু মুসলমানের জন্য নয়।