♣ মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশই মুসলিম আর এই ১০ শতাংশের ০২ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর বাস মিয়ানিমারের আরাকান রাজ্যে।
বহুদিন ধরেই বর্মিজ বাহিনী কতৃক বারংবার আক্রান্ত হচ্ছে আরাকানের রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়! কিন্তু কেন? খুব স্বাভাবিক প্রশ্ন।
যে মিয়ানমারে রাজধানী ইয়াংগুন সহ দেশব্যপী ০৮ শতাংশ মুসলিম সম্প্রদায় শান্তিতে বাস করছে ব্যবসা করছে সেই একই দেশে একটি মাত্র প্রদেশে নারী শিশু সাধারণ রোহিঙ্গা মুসলিম নিপিড়ন কেন? কেনই’বা দেশটির এ অদ্ভূত দৈত আচরণ!!!!
একেবারেই সহজ উত্তর আরাকান রোহিঙ্গা ব্যতিত মিয়ানমারের অনান্য অঞ্চলে বসবাসরত মুসলিমরা অসভ্য সন্ত্রাসী নয় এমনকি তাদের সাথে কারো বিরোধ নেই এবং রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মিয়ানমারের অন্য অঞ্চলের মুসলিমদের বিন্দুমাত্র মাথা ব্যথা নেই কারণ তারা জন্মগতভাবে অপরাধী নয় আর অপরাধ ও দেশবিরধীদের তারা সমর্থনও করেনা।
কিন্তু আরাকান রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায় সেই মগের মুল্লুকের দস্যু ঢাকা পর্যন্ত তাদের দস্যুতা চালিয়েছে, এরা সন্ত্রাসী, মাদক ও অস্ত্র পাচার, অসভ্য পশ্চাদপদতা সহ কোন অপরাধ বাঁকি আছে যার সাথে তারা সম্পৃক্ত নয়? বরং রোহিঙ্গারা জন্মগতভাবেই অপরাধী।
তার সাথে নুতন করে যোগ হয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানী মুনাফা ভোগীদের চীন-মিয়ানমারের পাইপলাইন, যা আরাকান রাজ্যের উপর দিয়েই যাচ্ছে। এ পাইপলাইনের নিরাপত্তার ইস্যুটিও এখনকার নিপিড়নের অন্যতম একটি কারণ হতেপারে।
তবুও এটা তাদের ভূমি তারাই সেখানে থাকবে এটা তাদের জন্মগত অধিকার, সেখান থেকে যদি তাদের সরাতেই হয় তবে নির্যাতন নিপিড়ন কেন? অন্যত্র স্থান্তর করে নিলেই হয়।
অথচ তা না করে তাদেরকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে বাঙলাদেশে! করা হচ্ছে অমানবিক নিপিড়ন! কোনভাবেই মানা যায়না।
মানবতাবাদীরা এর প্রতিবাদ করবেই।

এবার মানবতাবাদীদের সাথে নিয়ে বাঙলাদেশে যাওয়া যাক।
♣ ৪৭’এ দেশ ভাগের কালে বাঙলাদেশে (পূর্ব বাঙলায়) হিন্দু জনসংখ্যা ছিলো মোট জনসংখ্যার ৩২ শতাংশ। ১৯৫১ তে তা নেমে আসে ২২ শতাংশে, ১৯৭১’এ মহান মুক্তিযুদ্ধ পূর্ব পর্যন্ত যা নেমেযায় ১৩.৫ শতাংশে এবং ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগষ্ট পূর্ব ১৯৭৪ শুমারী অনুযায়ী বাঙালাদেশে হিন্দু সংখ্যা ছিলো মোট জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ  (তথ্য : এনএইচআরসি) যা বর্তমানে জাদুঘরের প্রাণী পর্যায়ে নেমে হয়েছে ০৮ শতাংশ! শতাংশের হিসেবে মিয়ানমারের মোট মুসলিম জনসংখ্যার’চে কম।
কিন্তু কেন কারণ কি? এভাবে কেন হিন্দু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা হ্রাস পেল?
উত্তর খুঁজেছেন কি কখনো হে মহা-মানবতাবাদী?
খুঁজতে গেলেই উত্তর আসবে, শালারা মালাউন কাফের মরুক জাহান্নামে যাক, এদেশ তাদের নয় মুসলমানের!!!
লিখেছেন — সাইফুল ইসলাম