Monday, September 20, 2021
Home Bangla Blog শুনবেন আমাদের কাহিনী ??? বসুন.....পড়ুন ।

শুনবেন আমাদের কাহিনী ??? বসুন…..পড়ুন ।

শুনবেন আমাদের  কাহিনী  ???  বসুন…..পড়ুন । পূর্বপুরুষেরা আমাদেরর নাম করণ করেছেন  হিন্দু ।  এ নামেই আমরা হয়ে গেলাম বিশ্বখ্যাত । কেননা তখন আমাদের বহুল উত্তর সূরীও ছিল । ঐদিন আমাদের শক্তিশালী সংগঠন- সাহস- শিক্ষা- সংষ্কৃতি- দর্শন- ধর্ম- কর্ম ঐতিহ্য  সমস্ত কিছু ছিল যথেষ্ট ।  কিন্তু কান্ড জ্ঞানের বড়ই অভাব ছিল যার কারনে সমস্ত কিছুতেই ফাটল ধরে ।  যুগ যুগ ধরে এভাবেই চলে আমাদের জীবনযাপন । অবচেতনায় সুযোগ পেয়ে দুর্বৃত্ত দুষ্কৃতি চক্র মহল  নানা প্ররোচনায়  সুর্বণ সুযোগ ব্যবহার করে বর্তমানে সারা বিশ্ব জয়ের উচ্চ চূড়ায় তারা । কিন্তু সমস্ত কিছু হারিয়ে কিন্ঞ্চিত মাত্র আগলে ধরে কোনো মতে ঠিকে আছি  আমরা । ওদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে এখন আর সাহস পাই না । এ অবস্থায় থাকতে থাকতে আমাদের মন প্রাণ সমস্ত কিছু হারিকেনের চিকনীর মত ধোয়ায় আবৃত হয়ে গেছে । অপরদিকে অযত্নে, অবহেলা করে ফেলে রাখা লোহার গায়ে জং ধরার মত আজকের গোটা সনাতন সমাজ । এমতাবস্থায়, আমাদের ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে অনেকেই । কি করবেন বলুন ???  যদিও সৎ নির্ভীক তবুও আমরা সীমাহীন অসহায় । আমাদের মাঝে কত  কত আদি সিদ্ধ মহাপুরুষের সমাগম ছিল । উনারা নিজেদেরকে মহান বলে পরিচয় দিয়ে গেলেও আমাদের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার মত নজর কাটার সমান্য সময়টুকুও ছিল না উনাদের । অতি অল্প সংখ্যক হিন্দু প্রেমিক যে যে মহান ব্যক্তিত্ব চির বাণী অক্ষয় রেখে গেছেন উনাদের চিরস্মরণীয় অমূল্য বাণী- উপদেশ  আজ কাল কর্তব্যরত মানুষেরা পড়ে যায় মাত্র । দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাস্তবে কেহ পালন করে না ।  আর যারা কিছু করবে বলে ভাবছে উনাদের কে বলা হয় সাম্প্রদায়িক । সারা বিশ্বে অত্যাচারী চক্র মহল অসহনীয় শব্দ দূষণের মত সাউন্ডের মাধ্যমে সজোরে  আযানের ধ্বনি সীকৃতি পেয়ে ভূমিকা পালন করে আসছে স্বাধীন ভাবে । দুঃখের বিষয় এই যে, আমাদের সামান্য তম উল-ু ধ্বনি,শংঙ্ক- ঘন্টা বাজাতে স্থান বেদে মানা ।  আইনত এর সীকৃতি থাকলেও আমরা ধর্ম কর্মের জন্য আজকাল এসব পূর্ব আচার অনুষ্ঠান পালন করতে সাহস পাচ্ছি না । স্থানীয় প্রভাবশালী দুষ্কৃতি চক্র মহলের ভয়ে । শুধুমাত্র ওদের শক্তিশালী ‘মুসলিম সংগঠন পরিষদ রয়েছে বলে সমস্ত বিশ্বে । বাস্তব অর্থে, মুসলমানদের মাত্র সাতটা ঘর থাকলেই একটি মসজিদ স্থাপন করে উনাদের ধর্ম আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকে । কিন্তু আমাদের কী রয়েছে..?  দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, বর্তমানে আমাদের তের (১৩) টা গ্রাম থাকলেও একটি ভাল মন্দির নেই । লজ্জা অসহনীয় লজ্জা আমাদের কান্ড কারখানা । যেখানেই  হিন্দু সে জায়গাই অত্যাচার মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে । অজ্ঞানবশত আবার অনেকেই নিজ ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে । যে জায়গায় যুগ যুগ ধরে স্থাপিত পুরাকালের বড় বড়  হিন্দু মন্দির ছিল  বর্তমানে সে সব মন্দির ওদের কারণে বিলুপ্ত প্রায় ।  মুসলমানরা দু:সাহস দেখিয়ে মন্দির ভেঙ্গে সেখানেই স্থাপন করছে মসজিদ অথবা মাদ্রাসা ।  করছে উক্ত স্থানের নতুন নাম করণ । তবুও আমরা চুপ, কিন্তু কেন ? মনে অনেক প্রশ্ন জাগতে পারে । উত্তর একটাই আমাদের প্রতিবাদ করার মত শক্ত ঐক্য  সংগঠনেরর অভাব । বলহীন বর্তমান হিন্দু সম্প্রদায়  চিরন্তণ কাল ঠিকে থাকার মত সমস্ত কিছু বিদ্যমান আছে এখনো । তবু আমরা কিছু করার আগেই ভয়ে সমস্ত শরীরে জ্বর এসে যায় । আর সারা বাংলাদেশে একটাই আতঙ্ক সময় থাকতে ভারত যাই । আরে ভাই বর্তমানে কি ভারত  এরূপ অত্যাচার থেকে মুক্ত ? অনেকে আবার হিন্দু বলে পরিচয় দিতেও ভয় পায় । যদি কোনো সমস্যায় পড়ে যাই । কী আশ্চর্য হৃদয়বিদারক ঘটনা । আমরা যতই গা বাচাতে চেষ্টা করি না কেন ওরা কী জোর, ধর্ষণ, লুট, হাইজাক, অরাজকতাসহ  বিভিন্ন প্ররোচনা ছেড়ে দিয়ে ধোয়া তুলসী পাতার মতো হয়ে যাবে । বর্তমানে করুণা করছে । করুণাও করছে না শিকার করছে । প্রথমে নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে  হ্যা আমি পারব । বিশ্বাস থেকে কিন্তু সাহসের জন্ম হয় । তারপর পর্যায়ক্রমে, সংগঠন, স্কুল, কলেজ বিভিন্ন কিছু করতে পারব । এক হতে হবে প্রয়োজনে জীবন বাঁজি রেখে । আমরা হিন্দু,  আশা নয়, আমার বিশ্বাস  আমাদেরর নিরব ভূমিকা  অসহনীয় নরক যন্তনা, হৃদয়বিদারক বিষয়াদি থেকে সামান্যতম হলেও কিছু বুঝতে পারতেছেন । নিজেদেরকে অত্যাচারী চক্রমহলের নিষ্টুরতম হাত থেকে রক্ষা করুন । তাই শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে হবে সমস্ত  সমাজ, তথা সারা বিশ্বে ।  তা না হলে আর সনাতন তথা নিজেদেরকে বাচানো যাবে না ।

RELATED ARTICLES

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

Most Popular

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ।

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একজন মুসলিম যুবক চন্দ্রনাথ ধামে...

Recent Comments

%d bloggers like this: