শুনবেন আমাদের  কাহিনী  ???  বসুন…..পড়ুন । পূর্বপুরুষেরা আমাদেরর নাম করণ করেছেন  হিন্দু ।  এ নামেই আমরা হয়ে গেলাম বিশ্বখ্যাত । কেননা তখন আমাদের বহুল উত্তর সূরীও ছিল । ঐদিন আমাদের শক্তিশালী সংগঠন- সাহস- শিক্ষা- সংষ্কৃতি- দর্শন- ধর্ম- কর্ম ঐতিহ্য  সমস্ত কিছু ছিল যথেষ্ট ।  কিন্তু কান্ড জ্ঞানের বড়ই অভাব ছিল যার কারনে সমস্ত কিছুতেই ফাটল ধরে ।  যুগ যুগ ধরে এভাবেই চলে আমাদের জীবনযাপন । অবচেতনায় সুযোগ পেয়ে দুর্বৃত্ত দুষ্কৃতি চক্র মহল  নানা প্ররোচনায়  সুর্বণ সুযোগ ব্যবহার করে বর্তমানে সারা বিশ্ব জয়ের উচ্চ চূড়ায় তারা । কিন্তু সমস্ত কিছু হারিয়ে কিন্ঞ্চিত মাত্র আগলে ধরে কোনো মতে ঠিকে আছি  আমরা । ওদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে এখন আর সাহস পাই না । এ অবস্থায় থাকতে থাকতে আমাদের মন প্রাণ সমস্ত কিছু হারিকেনের চিকনীর মত ধোয়ায় আবৃত হয়ে গেছে । অপরদিকে অযত্নে, অবহেলা করে ফেলে রাখা লোহার গায়ে জং ধরার মত আজকের গোটা সনাতন সমাজ । এমতাবস্থায়, আমাদের ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে অনেকেই । কি করবেন বলুন ???  যদিও সৎ নির্ভীক তবুও আমরা সীমাহীন অসহায় । আমাদের মাঝে কত  কত আদি সিদ্ধ মহাপুরুষের সমাগম ছিল । উনারা নিজেদেরকে মহান বলে পরিচয় দিয়ে গেলেও আমাদের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার মত নজর কাটার সমান্য সময়টুকুও ছিল না উনাদের । অতি অল্প সংখ্যক হিন্দু প্রেমিক যে যে মহান ব্যক্তিত্ব চির বাণী অক্ষয় রেখে গেছেন উনাদের চিরস্মরণীয় অমূল্য বাণী- উপদেশ  আজ কাল কর্তব্যরত মানুষেরা পড়ে যায় মাত্র । দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাস্তবে কেহ পালন করে না ।  আর যারা কিছু করবে বলে ভাবছে উনাদের কে বলা হয় সাম্প্রদায়িক । সারা বিশ্বে অত্যাচারী চক্র মহল অসহনীয় শব্দ দূষণের মত সাউন্ডের মাধ্যমে সজোরে  আযানের ধ্বনি সীকৃতি পেয়ে ভূমিকা পালন করে আসছে স্বাধীন ভাবে । দুঃখের বিষয় এই যে, আমাদের সামান্য তম উল-ু ধ্বনি,শংঙ্ক- ঘন্টা বাজাতে স্থান বেদে মানা ।  আইনত এর সীকৃতি থাকলেও আমরা ধর্ম কর্মের জন্য আজকাল এসব পূর্ব আচার অনুষ্ঠান পালন করতে সাহস পাচ্ছি না । স্থানীয় প্রভাবশালী দুষ্কৃতি চক্র মহলের ভয়ে । শুধুমাত্র ওদের শক্তিশালী ‘মুসলিম সংগঠন পরিষদ রয়েছে বলে সমস্ত বিশ্বে । বাস্তব অর্থে, মুসলমানদের মাত্র সাতটা ঘর থাকলেই একটি মসজিদ স্থাপন করে উনাদের ধর্ম আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকে । কিন্তু আমাদের কী রয়েছে..?  দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, বর্তমানে আমাদের তের (১৩) টা গ্রাম থাকলেও একটি ভাল মন্দির নেই । লজ্জা অসহনীয় লজ্জা আমাদের কান্ড কারখানা । যেখানেই  হিন্দু সে জায়গাই অত্যাচার মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে । অজ্ঞানবশত আবার অনেকেই নিজ ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে । যে জায়গায় যুগ যুগ ধরে স্থাপিত পুরাকালের বড় বড়  হিন্দু মন্দির ছিল  বর্তমানে সে সব মন্দির ওদের কারণে বিলুপ্ত প্রায় ।  মুসলমানরা দু:সাহস দেখিয়ে মন্দির ভেঙ্গে সেখানেই স্থাপন করছে মসজিদ অথবা মাদ্রাসা ।  করছে উক্ত স্থানের নতুন নাম করণ । তবুও আমরা চুপ, কিন্তু কেন ? মনে অনেক প্রশ্ন জাগতে পারে । উত্তর একটাই আমাদের প্রতিবাদ করার মত শক্ত ঐক্য  সংগঠনেরর অভাব । বলহীন বর্তমান হিন্দু সম্প্রদায়  চিরন্তণ কাল ঠিকে থাকার মত সমস্ত কিছু বিদ্যমান আছে এখনো । তবু আমরা কিছু করার আগেই ভয়ে সমস্ত শরীরে জ্বর এসে যায় । আর সারা বাংলাদেশে একটাই আতঙ্ক সময় থাকতে ভারত যাই । আরে ভাই বর্তমানে কি ভারত  এরূপ অত্যাচার থেকে মুক্ত ? অনেকে আবার হিন্দু বলে পরিচয় দিতেও ভয় পায় । যদি কোনো সমস্যায় পড়ে যাই । কী আশ্চর্য হৃদয়বিদারক ঘটনা । আমরা যতই গা বাচাতে চেষ্টা করি না কেন ওরা কী জোর, ধর্ষণ, লুট, হাইজাক, অরাজকতাসহ  বিভিন্ন প্ররোচনা ছেড়ে দিয়ে ধোয়া তুলসী পাতার মতো হয়ে যাবে । বর্তমানে করুণা করছে । করুণাও করছে না শিকার করছে । প্রথমে নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে  হ্যা আমি পারব । বিশ্বাস থেকে কিন্তু সাহসের জন্ম হয় । তারপর পর্যায়ক্রমে, সংগঠন, স্কুল, কলেজ বিভিন্ন কিছু করতে পারব । এক হতে হবে প্রয়োজনে জীবন বাঁজি রেখে । আমরা হিন্দু,  আশা নয়, আমার বিশ্বাস  আমাদেরর নিরব ভূমিকা  অসহনীয় নরক যন্তনা, হৃদয়বিদারক বিষয়াদি থেকে সামান্যতম হলেও কিছু বুঝতে পারতেছেন । নিজেদেরকে অত্যাচারী চক্রমহলের নিষ্টুরতম হাত থেকে রক্ষা করুন । তাই শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে হবে সমস্ত  সমাজ, তথা সারা বিশ্বে ।  তা না হলে আর সনাতন তথা নিজেদেরকে বাচানো যাবে না ।