দ্বাদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী অর্থাৎ মুসলিম রাজত্বকালে রচিত সাহিত্য হচ্ছে মধ্যযুগের সাহিত্য। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন,মঙ্গলকাব্য এবং বৈষ্ণব পদাবলী সব মধ্যযুগের সাহিত্য।সব সাহিত্য যা মোটেও কোন ধর্মীয় গ্রন্থ নয়।আর তখন সকল সাহিত্য রচয়িতারা বাধ্য হতো কিছুটা রং লাগিয়ে সাহিত্যকে মুখোরোচক করতে যার ফলে মানুষের মুখে খুব সহজেই প্রচলিত হতো।


শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যগ্রন্থ বড়ু চন্ডিদাস ভাগবতের কৃষ্ণলীলা কাহিনী অনুসরনে গ্রাম্য লোকসমাজে প্রচলিত গল্প  অবলম্বনে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেন।যা সাহিত্য।কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলীতে কৃষ্ণ পরমাত্মার প্রতীক আর রাধা জীবাত্মার প্রতীক।তাই ভক্তের সাথে ভগবানের প্রেমই মুলত শ্রীকৃষ্ণের লীলা।কিন্তু লীলা বলতে তথাকথিত ছেলেমেয়ের প্রেম নয়।দুঃখের বিষয় শ্রীকৃষ্ণের প্রেমলীলা বিকৃত করে তা নাটক, চলচিত্রর মাধ্যমে প্রকাশ করে ভগবানের মুল প্রেমলীলা থেকে অনেক দুরে সরে গেছে।যা মুলত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং মানুষের মুখের কথার নির্জাস যার কোন ভিত্তি নেই।