যে সকল হিন্দুরা ভাবেন যে হিন্দুধর্ম অনন্ত কাল থেকে বিরাজমান ও ভবিষ্যতেও থাকবে এবং হিন্দু
ধর্মকে কেউ আঘাত ও ধ্বংস করতে পারবেনা ।আমি মনে করি তারা এক একটি আস্ত গোবেট ও মহামূর্খ । কখনো ভেবেছেন আফগানিস্হানের হিন্দুরা কোথায় গেল ! ‘ কাবুল ‘ শহর টা শ্রীরামের পুত্র কুশ বানিয়েছিলেন , আজ সেখানে একটা মন্দির পর্যন্ত নেই । ‘ গান্ধার ‘ যার বিবরণ মহাভারতে পাওয়া
যায় । যেখানকার রাণী ছিলেন গান্ধারী । আজ সেই স্হানের নাম কান্দাহার । এবং সেখানে আজ আর
কোন হিন্দু বেঁচে নেই ।


‘ কম্বোডিয়া’ যেখানের রাজা ছিলিন
সূর্য্যদেব বর্মন যিনি পৃথিবীর সবথেকে
বড় মন্দির ‘ আঙ্কোরভাট ‘ নির্মান
করিয়েছিলেন । আজ সেখানেও কোন
হিন্দু নেই ।
‘ বালিদ্বীপে ‘ ২০ বছর পূর্বেও ১০০%
হিন্দুর দেখা পাওয়া যেত । আর আজ
সেখানে মাত্র ৮৩% অবশিষ্ট রয়েছে ।
কাশ্মীরে ২০ বছর পূর্বেও ৫০% হিন্দু ছিল
আর আজ মাত্র ৩% থেকে ৪% ।
কেরলে মাত্র দশ বছর পূর্বেও ৬০% হিন্দু
ছিল এখন মাত্র ২০% ।
নর্থ ইস্ট রাজ্যগুলিতেও আজ ভয়ংকর
হারে হিন্দু জনসংখ্যা কমে আসছে । এর
মধ্যে আমাদের পশ্চিমবাংলাও আছে ।
প্রতিবেশি রাষ্ট্রের লাগাতার
অনুপ্রবেশ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী
ভারতের সবকটি রাজ্যের জনবিন্যাস
বদলে দিয়েছে ।
১৫৬৯ সাল পর্যন্ত ইরানের পূর্বনাম ছিল
পারস্য । যেখানে একটিও মুসলিম বসতি
ছিলনা , শুধুমাত্র পারসিকরাই থাকতেন ।
যখন পারস্যের উপর মুসলিমরা আক্রমন
চালাতো তখন পারস্যের বয়স্ক ব্যক্তিরা
তাদের তরুণ যুবকদের বলতেন , আমাদের
কেউ হারাতে পারবেনা , কেউ ধ্বংস
করতে পারবেনা । কিন্তু ধীরে ধীরে
পারস্য ইরাণে পরিণত হল পারসিকদের লুঠ
করা হল তাদের নারীরা হল গণিমতের
মাল পুরুষদের নৃশংসভাবে খুন করা হল
অবশিষ্টদের ধর্মান্তরিত করা হল ।
অল্পসংখ্যক কিছু বেঁচে যাওয়া
পারস্যের অধিবাসী যারা
নৌকাযাত্রা করে ভারতে পালিয়ে
এসেছিল তাদেরই হাতেগোনা
কিছুজনের আজ গুজরাতে দেখতে
পাওয়া যায় ।
……. সদা সর্বদা শান্তিচাই শান্তিচাই
করে শান্তির ভিক্ষাকরা হিন্দুদের এবার
ভাববার সময় এসেছে । কারণ নিকট
ভবিষ্যতে সমগ্র হিন্দু জনজাতি চরম
সংকটের সম্মুখীন হতে চলেছে । এই
সংকট অস্তিত্বের সংকট ।
…..সমগ্র বিশ্বে খ্রীষ্টান ধর্ম অধ্যুষিত
দেশ হল ৮০ টি আর ইসলামিক দেশ হল ৫৬
টি । কিন্তু একটিও হিন্দু রাষ্ট্র নেই । হিন্দু
সংখ্যগরিষ্ট দুটি দেশ আছে একটি হল
আমাদের মাতৃভূমি ভারত অপরটি হল
ভারতের প্রতিবেশি নেপাল । এটা
আমাদের দূর্ভাগ্য।