” আমার নিজস্ব ভাবে সমাধান সুত্র” ডাঃ মৃনাল কান্তি দেবনাথ 
( Inter American Drug Abuse Control Commission” এর বিশেষজ্ঞ থাকা কালীন ( ১৯৯৫ থেকে ২০০০) “National Anti Drug Plan” — ১৬৬ পাতার যে দলিল আমি তৈরী করেছিলাম এবং যে দলিল এখনো ওয়েষ্ট ইন্ডিজের “দ্বীপ রাষ্ট্র” ( যেখানে আমি ২০ বছর কাজ করেছি) মেনে চলে, তার থেকে কিছুটা পরিবর্তন করে জানালাম। তা আমি ঢাল তরোয়ান হীন নিধিরাম সর্দার। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ যদি থাকো যাদের কথা নেতারা শোনে, তারা এই পরামর্শ টা যথাস্থানে পৌছে দাও। এটা তোমাদের ও মঙ্গলের জন্য লেখা।)******
আমি এখনো বলবো মদের ওপরে কর বাড়িয়ে দিন ২০০- ৪০০%। ৩৫ % ভারতীয় নিয়মিত মদ খায়। ওরা খাবেই। এরা না খেয়ে থেকেও বেশী দামে মদ, গাঁজা, ঘুটকা, পান মশলা, তামাক কিনবে। মদের বিক্রি কিছুটা কমতে পারে কিন্তু কর আদায় বাড়বে অনেক। সুতরাং আপনাদের অনেক আবগারী শুল্ক আদায় হবে। 
পাড়ায় পাড়ায় নাইট ক্লাব বন্ধ করে দিন।  সমস্ত বারে তালা বন্ধ করে দিন। মদিরা পান করুন বাড়ীতে বসে। ছেলে মেয়ে দেখুক আপনাদের আসল চেহারাটা। বাড়ি বসে বিড়ি সিগারেট খেতে পারেন আর মদ খেলে দোষ কি? ও হ্যা, ওই বিড়ি সিগারেটের ওপরেও , ঘুটকার ওপরে, পাম মশলার ওপরে, অনেক কর বাড়ীয়ে দিন। 
বাড়তি আবগারী করের  টাকায়, ট্রেনে বাসে ভরতুকি দিন যাতে কম সংখ্যক মানুষ শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা ফেরা করতে পারে।
আবগারি শুল্কের ভাগাভাগি করুন— এক ভাগ সরকারী তহবিলে (৩০%), এক ভাগ করোনা চিকিৎসায় (১০%), এক ভাগ ছোট কুঠির শিল্পের মালিকদের  দের (১০%)। এক ভাগ গরীব দের (১০%), বাকী রেল এবং বাস মালিকদের মধ্যে ভাগ করে দিন ( রেল ১৫%) বাস (২৫%)। 
৩৫ % লোকের থেকে যে পরিমান কর আসবে তাতে এই সব হয়েও বাড়তি থাকবে।
বিড়ি, সিগারেট, পান মশলা, ঘুটকা, মদ, গাঁজা কম মানুষে খেলে (বাড়তি করে সব পুষিয়ে যাবে) সব রকমের রোগ কমবে। সমাজ পরিশুদ্ধ হবে। ধর্ষন কমবে। 
ক্লাবে ক্লাবে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিন। পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন উৎসবে টাকা দেওয়া বন্ধ করুন, কথায় কথায় মাইক বাজিয়ে গলা ফাটিয়ে রাজনৈতিক মিটিং এর নামে “মিথ্যা কথা”  বলা  একেবারে বন্ধ করে দিন। 
নেতা হয়ে অনেক কামিয়েছেন। এবার টি ভি তে টক শো না করে, নিজের টাকায় ৩০ মিনিটের সময় কিনুন আর নিজের বক্তব্য রাখুন। লোকে আপনাকে দেখবে এবং কতোটা মিথ্যা বলছেন তা নিজেরাই বুঝবে। যে নেতার টি আর পি বাড়বে তিনিই জিতবেন।
কাট্মানি নেওয়া নেতাদের জেলে  পুরুন, সেই টাকা বাস মালিকদের দিন,তাহলে ওরা কম যাত্রী নিয়ে বাস চালাতে পারবে, বিভিন্ন রাজ্য থেকে চলে আসা শ্রমিকদের মাসিক ভাতা দিন, রেশনে ঠিক পরিমান খাদ্য দিন।