আরো একটি অতি সাম্প্রদ্বায়িক অভিজ্ঞতা। 
ডাঃ মৃনাল কান্তি দেবনাথ 
আগেই বলেছি, যে  ওয়েষ্ট ইন্ডিজের যে দ্বীপ রাষ্ট্রে প্রবাস জীবনের শেষ কুড়ি বছর ছিলাম, সেখানে ৯৯.৯৯% খ্রীষ্টান। 
ওই দেশের এক ভদ্রমহিলাম , অনেক দিন ছিলেন নিউ ইয়র্ক। সেখানে থাকাকালীন তিনি এবং তার স্বামী ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। তারপর দেশে ফেরেন। তাদের মেয়ে আমার মেয়ের সংগে একই ক্লাসে একই বিদ্যালয়ে পড়তো। সে সুবাদে বেশ ভালো পরিচয় ছিলো। 
ওই একটি পরিবার ছাড়া আর কোনো পরিবার মুসলিম ছিলো আমার সামনেই দেখলাম ভদ্রমহিলা বেশ সামাজিক যোগা যোগ করে আরো ৫ টি পরিবারকে ইসলাম গ্রহন করালেন। এই ৫ টির মধ্যে ৪ টি তার নিজস্ব আত্মীয়। 
৬ টি পরিবার, প্রায় জনা ২৫ মানুষ। এরা মিলে সরকারের কাছে আবেদন করলেন যে তারা একটি মসজিদ স্থাপন করতে চান এবং একজন ইমাম আনতে চান। 
প্রাধান মন্ত্রীর সঙ্গে আমার ব্যাক্তি গত বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিলো। একদিন সমুদ্র সৈকতে দেখা হলো। আমাকে বললেন ।’ বুঝলে দেবনাথ, ——– এই ব্যাপার। কি করা যায় বলতো?”
আমি বললাম- ” খাল কেটে কুমীর এনে কি হাল হয়েছিলো ত্রিনিদাদের প্রেসিডেন্টের তা মনে নেই ?” ( সেখানকার ধর্ম পরিবর্তন কারী এক নিগ্রো, লিবিয়া গিয়ে গদ্দাফীর দেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে ত্রিনিদাদের প্রেসিডেন্ট কে গুলি করে তাকে খোড়া বানিয়ে দেয়। )
প্রধান মন্ত্রী– আরে হ্যা হ্যা, মনে পড়েছে। থ্যাঙ্ক ইউ থ্যাঙ্ক ইউ।
ফলশ্রুতি কি ?— পার্লামেন্টে শাসক এবং বিরোধী দল মিলে এক প্রস্তাব পাশ হলো। ” আমাদের দেশ প্রায় ১০০% খ্রিষ্টান। এখানে আজ অথবা‍ আগামীতে কোনোদিন উগ্র সন্ত্রাস বাদী কোনো মতের সমর্থক দের কোনো সংগঠন বা উপাসনা গৃহ করতে দেওয়া হবে না।”
ভদ্র মহিলা আমি কি বলেছিলাম তা জানতেন না। তার কিছুদিন পর তারা বাড়ী ঘর বিক্রি করে আবার নিউইয়র্কে চলে যান। 
কি পাপ করেছি বলোতো?
তবে, আমার বাড়ির পাশে ইসকনের এক কৃষ্ণ মন্দির করার পারমিশান পেয়েছিলাম। সেটা আছে। তাই বোধ হয় পাপ খন্ডন হয়ে গেছে।