হ্যাঁ রবীন্দ্র -নজরুলের বাংলা ভাগ হয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে না ভাষার ভিত্তিতেও  ভাগ হয়নি , হয়েছিল সংস্কৃতির ভিত্তিতে । বাংলায় সেই সময় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সমাজ হিন্দুদের সাথে থাকতে চায়নি , সেই সময় মুসলিম বুদ্ধিজীবী সমাজ পথে নেবে দেশ ভাগের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেবে প্রতিবাদ ও করেনি । এমনকি সেই সময় নজরুলও পারেনি দেশ ভাগের বিরুদ্ধে পথে নেবে কিছু করতে । নজরুলের ‘ ‘  কারার ওই লৌহ কপাট ভেঙ্গে ফেল কররে লোপাট ” গান গেয়ে বিখ্যাত লোক গান ও ভাওইয়া শিল্পী ‘ আব্বাসউদ্দিন আহমেদ ‘ ‘ পাকিস্থানে সমর্থনে মুসলিম জনতার দরবারে গান গেয়ে বেড়াতো মুসলিম জনতাকে উদ্দীপ্ত ও ঐক্যবদ্ধ করতে দেশ ভাগের পরে আব্বাসউদ্দীন ও পূর্ব পাকিস্থানে চলে গিয়েছিল কেউ তাকে এ দেশ থেকে তাড়ায়নি এমনকি নজরুল ও শেষ জীবন কাটিয়েছিল পূর্বপাকিস্থানে । হ্যাঁ বাঙালি ঘরে আজও নজরুল প্রাসঙ্গিক ভবিষ্যতেও থাকবে বাঙালি হিন্দুদের ঘরে । দিন যত এগিয়েছে বিদ্দেষ তত বেড়েছে আজ এপার বাংলাতে যারা বুদ্ধিজীবী সেজে বসে আছে তারা সবাই মুসলিম কতৃক ওপার বাংলা থেকে বিতাড়িত , ইদানিং কোন কোন গায়ক বুদ্ধিজীবী ওপার বাংলাতে গিয়ে নিজের পূর্বপুরুষদের ভিটে তে গিয়ে কাঁদতে দেখা যায় । আজও ওপার বাংলা থেকে হিন্দু বিতরন চলছে কিংবা জোর করে হিন্দুদের ধর্মান্তিকরন চলছে সম্পাপ্তি দখল হিন্দু মেয়েদের অপহরণ ধর্ষন সবই চলছে । এরা ওপার বাংলাতে বিভিন্ন উৎসবে যায় কিন্তু ওখানকার হিন্দুদের উপরে নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়না কখনো , যতটা সরব তারা এখানে হয় । এরা এখানকার হিন্দুদের উপর ইদানিং কালে যে নির্যাতন শুরু হয়েছে তার খবর ও রাখেনা খবর পেলেও সরব হয়না । আজকে কেন এখানে রামের নামে এত উন্মাদনা তৈরি হলো কে দায়ী এর অনুসন্ধান করবেননা আপনারা । শুরুটা বাম আমলেই হয়েছিল ২০১০এ দেগংগা দিয়ে সম্প্রীতি নতুন সংযোজন রানীগঞ্জ আসানসোল , পুরুলিয়া,বাঁকুড়া কান্দি ও কাকিনাড়া, মাঝে কত ঘটনা ঘটেছে সেগুলো সব বাদ দিলাম ।
আসানসোলের পুত্র হারা ইমামের নাকি মানবিক আবেদন সবাইকে নাড়িয়ে দিয়েছে কেউ ভারতরত্ন, রাস্ট্রপতি পুরস্কার দেওয়ার কথা বলছেন কত নাটক । তা যখন দাংগা শুরু হয়েছিল তখন কেন আবেদন করলেন না আপনি ? ৫জন হিন্দুর ও প্রান গেছে (এক কিশোর ও মহিলা সমেত )বাংলাতে ১০০উপর ব্লকে আজ হিন্দুরা সংখ্যালঘু সেখানে কি হচ্ছে প্রতিদিন আপনারা খবর রাখেন ? বোধয় না। বঙ্গীয় বুদ্ধিজীবীকুল আজ সব দিকদিয়ে দেওলিয়া ও মেরুদন্ডহীন হয়ে গেছে আজ তারা রাজনৈতিক দলের পা চাটা সারমেয়তে পরিনত হয়েছে , রাজনৈতিক দলের হয়ে দালালি করা তাদের একমাত্র প্রধান কাজ । বাংলাতে রাজনৈতিক খুন ও হানাহানির ব্যাপারে এরা সরব নয় । সরব হলে সস্তায় জমি , সরকারি পুরস্কার ও অনুদান , বা বিভিন্ন একাডেমীর পদ যে পাবেনা । বাম আমল থেকে চলে আসছে এই নিয়ম এই আমলে আরও প্রকোপ রূপ ধারণ করেছে । পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন তোলা ও জমা দেওয়া কে কেন্দ্র করে প্রানহানী ঘটনা ঘটছে লাঠালাঠি চলছে কই ব্যাপারে আপনারা কেন চুপ রাজ্যে যাতে সুস্থ গনতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকে এই আবেদন কেন আপনারা করেননা রাজনৈতিক দল গুলোর কাছে ? বাম রাজত্বে কয়েক হাজার মানুষ খুন হয়েছে এই রাজ্যে এমনকি  এই সরকারে রাজত্বে হচ্ছে । বিরোধীদের উপর নিপীড়ন বিগত ৫০বছর ধরে এই রাজ্যে চলে আসছে ।
আজ গ্রামবাংলা হিন্দুরা এমনকি শহরের হিন্দুরা রামের নামে পথে এমনি নামেনি দল মত নির্বিশেষে । এখানে সংঘপরিবার ও হিন্দুত্ববাদীদের দোসারোপ দিয়ে লাভ নেই । এর জন্য  নগন্য সংখ্যালঘু তোষন সম্পূর্ন ভাবে দায়ী একটা সম্প্রদায়কে তাদের ভোট পাওয়ার জন্য প্রায় সম্পূর্ন সম্প্রদায়কে OBC তালিকাতে অন্তর্ভক্ত করা শিক্ষায় ও চাকরিতে তাদের সম্পূর্ন রূপে সুবিধা দেওয়া ইমাম ভাতা সংখ্যাlলঘুদের জন্য বৃত্তি দেওয়া এগুলো কি দায়ী নয় বাংলার হিন্দুসম্প্রদায়কে রামের নামে পথে কি পথে নামতে বাধ্যকরেনি । তোষন যত বাড়বে বাংলার হিন্দুরা জয় শ্রী রাম বলে পথে নামবে । গ্রামবাংলা এমন কি শহর আজ পরিবর্তন হচ্ছে বিভিন্ন দিকদিয়েআগে রাজনৈতিক দিক দিয়ে পরিবর্তন হয়েছিল আর এখন ধর্মীয় ভাবনা থেকে পরিবর্তন হচ্ছে । এই অবস্থায় আপনারা পথে নামছেন ঐক্য ও ভাতৃত্ববোধের জন্য বেশ ভালো হাঁটুন হাঁটুন মাঝে মাঝে হাঁটুন হাঁটলে শরীর ভালো থাকে ।