ভোর ৪ টা , এই সময়ই প্রতিদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙে যায় ! জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি বাহিরে অন্ধকার !
কোলকাতার কথা মনে পড়ে  গেল ঠিক ক এইসময়ে প্রতিদিন আজান শুনেছি ! বাংলাদেশের মূর্খ ধর্মঅন্ধ অনেকেই জানেনা মালুর দেশে যে আজান হয় !
আজান সম্পর্কে মোল্লা হুজুরদের কোন ধারণাই নেই ! আজানের কথা কোরানে উল্লেখ নেই , এটা আরোবিক শব্দ যার অর্থ ” ডাকা ” অথবা আহবান করা !


ইসলামের প্রথমদিকে মক্কায় আজান ছাড়াই মানুষ নামাজ পড়তো ! নবী মদিনায় মসজিদ তৈরী করার পর প্রথমবারের মত অনুভব করলো কি ভাবে মুসল্লিদের নামাজের জন্য আহ্বান করা যায় ! তখন রেডিও, টিভি , মাইক , ইন্টারনেট , ফেসবুক , ইমেইল এমনকি ঘড়িও ছিলনা ! আধুনিক সব বিজ্ঞান কোরান থেকে নকল হলেও সেই সময় ইসলামে বৈজ্ঞানিকের প্রচন্ড অভাব ছিল ! নবীর সাহাবীগণ মুসল্লিদের মসজিদে আহ্বান করার জন্য ৪ টি প্রস্তাব দেন ( ১) ঢোল বাজানো (২) আগুন প্রজ্বলন (৩) ঝান্ডা উড়ানো (৪) সিঙ্গা বাজানো !
পরমার্শ সভার ৪টি প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করা হয়। কারণ ঝাণ্ডা উড়ালে সব মানুষ তা বাড়ি বা দূর থেকে দেখতে পাবে না। দ্বিতীয়ত আগুন প্রজ্বলন অগ্নি উপাসকদের কাজ। তৃতীয়ত শিঙ্গা বাজানো খ্রিস্টানদের কাজ আর চতুর্থত ঢোল বাজানো ইয়াহুদিদের কাজ।
শেষ পর্যন্ত নবী শিঙ্গা দিয়ে সর্ব প্রথম হযরত বেলালকে দিয়ে আজান দেয়ালো !
খুব ভোরে ঠিক এই সময় নবী ঘুমিয়ে ছিল ! হযরত বেলাল সিঙ্গায় আজান দিলের “আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম ” অর্থাৎ ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম।’ হজরতের ঘুম ভেঙে গেলো , উনি উঠে মসজিদে দোড় দিলেন !
এখন ভোর ৪ টা ফরজের নামাজের সময় হলো ! সত্য করে বলুন আপনারা কয়জন আজান শুনে মসজিদে দোড় মারেন ? আমাদের এখানে আজান অবৈধ ! সারাদিন কর্মের ক্লান্তি শেষে মানুষ একটু আরামে ঘুমাতে চায় ! ভোররাতে চারিদিকে মাইক দিয়ে চিল্লাচিল্লি আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ! তাই এখানে মাইকে আজান হয়না !
ফজরের নামাজ পড়তে চান ? ঘড়িতে এলার্ম দিয়ে ঘুমান ! মাইক বাজাইয়া চিল্লাচিল্লি করবেন না ! মাইক হারাম , ইহা ইহুদি নসরদের আবিষ্কার !
নবীজি মাইকে আজান দেয় নাই !
আপনি দিবেন কেন ? হ
শুভ সকাল