"শ্রী গীতা কে যারা গালাগাল দেন তাদের জন্য উৎসর্গীকৃত"

Spread the love

“শ্রী গীতা কে যারা গালাগাল দেন তাদের জন্য উৎসর্গীকৃত”
ডাঃ মৃনাল কান্তি দেবনাথ

২০১৪ সালের ১০রা ডিসেম্বর, আমি ইংরেজীতে একটি পোষ্ট করেছিলাম। তার বাংলাটাও দিচ্ছি।

এটা লিখেছিলাম, গীতাকে জাতীয় গ্রন্থ হিসাবে ঘোষনা করা নিয়ে শ্রী মতী সুষমা স্বরাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সেই সময় বামপন্থী বুদ্ধিজিবীরা এবং মিডিয়াতে যে জঘন্য আলোচনা চলেছিলো তার প্রতিবাদে।

Recent discussions, comments and opinions about Hindus and Sree Geeta,made by many intellectuals, learned scholars, leftist, Secularist, politicians has gone beyond any limit of decency. So far these creatures, denigrated Hindus left and right.. They portrayed Hindus as the most horrific people on Earth

.For them, those who are beheading innocent people, Occupied others land by force, converted people of other faith forcibly, violated women’s honour , are quite non-communal, secular people.

On the other hand, Hindus, who never attacked any other country, never tried to change other people’s faith by force or by manipulation, spread spirituality and culture throughout the world, has become, to the so called intellectuals, the most uncultured and divisive people. Where are we drifting????

Sree Geeta is the  nectar of the Vedic knowledge that was given for the ‘Human Kind’, not to any sect . Hindus never asked any body to read Geeta and meditating on the knowledge in it. Sociologist world over failed to produce such a treasure in spite of their tireless effort to create a “Just society”. Only the teachings of Geeta can.

Stop using/showing your filth smeared mouths against the Hindus, you the “ugly Creatures”.

সম্প্রতি শ্রী গীতা এবং হিন্দুদের নিয়ে যে অকথ্য কুৎসা, মিথ্যার ঝুড়ি, হিন্দু ধর্ম এবং হিন্দুত্বের এক বিন্দু না জেনেই তথাকথিত প্রগতিশীল বুদ্ধজীবি রা যা বলছেন,লিখছেন তা সব সভ্যতা ভব্যতার সীমা ছাড়ীয়ে গেছে। তাদের মতে হিন্দুদের মতো নোংরা মনের ভয়ংকর মানুষ এই পৃথিবীতে নেই।

সারা দুনিয়ায় যারা প্রতিদিন মানুষ মারছে, বোমা ফাটাচ্ছে, মানুষের ঘর বাড়ী জ্বালাচ্ছে, অসহায় নিরীহ মহিলাদের ওপরে বলাৎকার করছে তারা ধোয়া তুলসী পাতা। একদিনের জন্য ও তাদের মুখ থেকে একটিও বিরোধী কথা শুনিনি, কলকাতার রাস্তায় মোম বাতির মিছিল দেখিনি।

নেহাত হিন্দুদের নিন্দা না করলে যাদের পেটের ভাত হজম হয় না তাদের বাদ দিলে সারা পৃথিবীর কোনো ঐতিহাসিক, নৃতত্ববিদ,প্রত্নতত্ববিদ, সমাজবিদ এই প্রমান দিতে পারনে না যে, হিন্দুরা কাউকে হিন্দু না হলে গলা কেটে দিয়েছে, জোর করে অন্যের দেশ দখল করে বলে এসেছে এটা হিন্দুদের দেশ, তোমরা অহিন্দুরা দেশ ছাড়ো, নারী নির্যাতন করেছে, দাস দাসী বানিয়ে খোলা হাটে উলংগ বানিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। যদি কোথাও কেউ করে থাকে তবে সে কোনোমতেই “হিন্দু হতে পারে না। সব সমাজেই কিছু অসামাজিক লোক থাকে। হিন্দুদের মধ্যে দু একজন থাকতে পারে।

শ্রী গীতা মানব সমাজকে অমৃতের আস্বাদ দিতে পারে। অমৃত মানুষকে অমরত্ব দেয়। এই জীবনেই আনন্দের আস্বাদন দেয়। সেটা তো নিতে পারলেন না উলটে সেই শাস্ত্রকেই গালাগাল দিচ্ছেন।

আপনারা যাদের ভালোবাসেন, পছন্দ করেন, তাদের ‘কেতাব’কে একবার গাল দিন না। আপনার ঘাড়ে আর মাথা থাকবে না।