“হিন্দু দাস” …………………………………………………………(২)।।

Spread the love
(২)
‘শকারি’- মহারাজ বিক্রমাদিত্য

ভারতে হিন্দুরা আজো ‘বৈশাখী’ পালন করে থাকে। কিন্তু কেনো??? মহারাজ
বিক্রমাদিত্য কোনো কল্প কথার নায়ক নন। মহারাজ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য
বিক্রমাদিত্য পদবী গ্রহন করেন। যদিও অনেক পন্ডিত এর বিরোধিতা করেন।ইতিহাসের
এই বীর হিন্দু বীরকে অস্বীকার না করলে হিন্দুদের নামে নানা কুৎসা বা
হিন্দুদের মনোবল ভেংগে দেওয়া যায় না। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য আলেকজান্ডার ভারত
থেকে চলে যাবার পর তার বিজিত হিন্দু দেশের অংশ পুনরায় দখল করে নেন।
প্রাচীন গান্ধার আবার হিন্দুদের হাতে চলে আসে। সেই সময় বর্তমান তাসখন্দ
অঞ্ছলে একটি দুর্ধষ্য উপজাতি বাস করতো। এদের বলা হতো ‘শক’। তাসখন্দের
প্রাচীন নাম ছিলো ‘তক্ষক খন্ড’। শ্রী রামের পুত্র লব ‘তক্ষশীলা’ তে তার
রাজধানী স্থাপন করেন। তিনিও সেই সময় থেকেই ওই অঞ্চলের উপজাতিদের ক্রমাগত
ভারত আক্রমন এবং লুট পাটে বিরক্ত হয়ে ওই অঞ্ছলে দখল করে তার রাজ্যের
অন্তর্ভুক্ত করে নেন।
ওই একই কাজ করতে হয়েছিলো মহারাজ বিক্রমাদিত্য কে।
তিনি শকদের খাইবার গিরিপথ পার হয়ে বাৎসরিক লুট তরাজে বিরক্ত হয়ে শক দের
বিরুদ্ধে এক সার্বিক যুদ্ধ যাত্রা করেন। এই যুদ্ধে তিনি শক দের এমন ভাবে
পরাজিত করেন যে ওরা আর কোনোদিন ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকাতে সাহস করেনি।
যেদিন এই জয় লাভ হয় সেই দিন থেকে ‘শকাব্দ’ পঞ্জিকা শুরু হয় এবং সেই
পঞ্জিকার প্রথম দিনটা ‘বৈশাখী’ হিসাবে পালন করা হয়।
**** আমার এই
প্রতিপাদ্যের কোনো ঐতিহাসিক প্রামান্য দলিল আমি পাইনি। কোনো প্রত্নতাত্বিক
নিদর্শন ও খুজে পাওয়া যাবে না। আমার সারা জীবন ধরে নানা পুথি পুস্তক পড়ে যে
জ্ঞান (সেটা মিথ্যে জ্ঞান হতে পারে) হয়েছে তাই থেকে এটা লিখলাম। বিশ্বাসে
মিলায় বস্তু তর্কে বহুদুর)********
আমার যেটা মুল বক্তব্য সেটা
হলো, ওই শকেরাও অনেক হিন্দু নর নারীকে ধরে নিয়ে যেতো,তাদের দাস করে রেখে
দিতো। বিক্রমাদিত্যের শক দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পর সেটা সাময়িক ভাবে বন্ধ
হয়ে যায়। কিন্তু ঐ সব অঞ্চলের উপজাতিরা যখন ইসলাম গ্রহন করে তখন আবার দেশ
দখল এবং দাস দাসী বানানোর কাজ শুরু হয়। হুনরাজ মিহিরগুল এবং বিশেষ করে
তৈমুর (হুন বা শক ছিলো না) ভারত থেকে অসংখ্য হিন্দু নর নারীকে দাস দাসী করে
নিয়ে যায়। শীতে পামীর থাকতো বরফাচ্ছন্ন। গরম এবং মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে যখন
বৃষ্টি শুরু হতো তখন আর ভারতে আসতে পারতো না। তাই শীতে আসাই যুক্তি যুক্ত
ছিলো। সেই শীতে নিরীহ হিন্দু গুলো মারা পড়তো। তাই নাম হলো “হিন্দুকুশ”
(হিন্দুদের মারন জায়গা)। তৈমুর ভারত থেকে যে দাস দাসীদের নিয়ে গেলো, তাদের
দিয়ে, আর বিপুল ঐশ্বর্য্য নিয়ে গিয়ে বানালো সমরখন্দ , বুখারা নগরী। যারা
মুসলিম হলো না, তাদের জন্য বানালো এক মিনার, আর তাদের মাথা কেটে সেই
মিনারের মাঝের খোল ভর্তি করে দিলো কাটা মাথার খুলি দিয়ে ।
(দেখুন সেই মিনার)