প্রশ্ন: খ্রিস্টান দেশগুলো মিলে একটা অর্গানাইজেশন গড়ে তুললে কেমন হয়? তারপর বৌদ্ধ দেশগুলো নিয়ে, হিন্দু দেশগুলো নিয়ে? নিজেদের মধ্যে খ্রিস্টান টুরিজম, হিন্দু টুরিজম, বৌদ্ধ টুরিজম চালু করা। খ্রিস্টান আর্চারি, কিংবা হিন্দু গেমইস, বৌদ্ধ গেইমস চালু করা। এসব প্রোগ্রামে খ্রিস্টানদের সঙ্গে খ্রিস্টানরা, হিন্দুদের সঙ্গে হিন্দুরা, বৌদ্ধদের সঙ্গে বৌদ্ধরা একই জাতি সভ্যতা সংস্কৃতির এক্যতান অনুভব করতে পারবে। কেমন হয় জিনিসটা?
উত্তর: রেসিস্ট পৃথিবী কায়েমের চিন্তা ভাবনা! মানব সভ্যতাকে বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা! মোদী-ট্রাম্পের বিজয় যে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছিল এখন তারই মার্চ করার দৃশ্য দৃশ্যমান হচ্ছে। পৃথিবীটা আবার অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে…।
প্রশ্ন: ৫৭টা স্বঘোষিত মুসলিম দেশ থাকার পরও কোনদিন তো বলতে শুনিনি এগুলো রেসিস্ট পরিচয়? ৫৭টা স্বঘোষিত ইসলামিক ও মুসলিম রাষ্ট্র মিলে অর্গানাইজেশন গড়ে তুলেছে ওআইসি। তারা নিজেদের মধ্যে ইসলামিক টুরিজম, ইসলামিক গেমইস, ইসলামিক ব্যাংকিং, ইসলামিক অর্থনৈতিক সহযোগীতা, ইসলামিক শালিসি, ইসলামিক সংস্কৃতি আদান-প্রদান চালু থাকার পরও কেউ তো পৃথিবীকে মুসলিম অমুসলিম বিভাজনের জন্য কাউকে দায়ী করল না? ইসলামিক শাসিত দেশগুলো কি সাম্প্রদায়িক শাসিত না? এগুলো কি মানবিক পৃথিবীর বিপক্ষে গিয়ে বিশ্বকে ধর্মীয় পরিচয়ে বিভক্ত করে তুলে না? ‘মুসলিম বিশ্ব’ ‘মুসলিম উম্মাহ’ এগুলো রেসিস্ট মতবাদ নয়? হিন্দুত্ববাদীরা মাত্র একটা দেশে নির্বাচিত হয়ে যদি ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি তুলে তাহলে ৫৭টা স্বঘোষিত মুসলিম দেশ, তাদের অর্গানাইজেশন, তাদের টুরিজম, অর্থনীতি, সংস্কৃতি চর্চা কি মানবতার পদধ্বনি?
উত্তর: 404 error page not found
প্রশ্ন: ‘খ্রিস্টান বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ে তুলতে হবে। তারপর ‘হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়’ ‘বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়’। এসব প্রতিষ্ঠানে অন্যান্য সব বিষয় পড়ানো হলেও খ্রিস্টানিটি, হিন্দুয়ানী, বুধিষ্ঠ আচার সংস্বৃতি ও আবহ গড়ে তোলা হবে। একইভাবে খ্রিস্টান ব্যাংক, হিন্দু বীমা, বৌদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে। কেমন হবে বিষয়টা?
উত্তর: এসবই হচ্ছে জায়নবাদীদের চক্রান্ত! এরা মোসাদ, র, সিআইএ’র মাধ্যমে এসব গড়ে তুলে তাদের ভূরাজনৈতিক অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য রক্ষা করে গরীর মুসলমানদের, আরবের তেল সম্পদ লুন্ঠন করে বিশ্বকে পরিস্কারভাবে দেয়াল দিয়ে দুইভাবে বিভক্ত করার চক্রান্ত…।
প্রশ্ন: জায়নবাদ মানে তো ইহুদী পরিচয়কে ধরে রেখে অন্য কোন জাতি পরিচয়ে মিশে না যাওয়া। জায়নবাদীদের তো পৃথিবীর ভয়ংকর মৌলবাদী হিসেবে দেখা হয়। তা ‘মুসলিম’ এই পরিচয়টি কি জায়নবাদের মতই নয়? বরং জায়নবাদের চেয়ে বৃহৎ পরিসরের পরিচয় নয়? বাংলাদেশী ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস নোবেল পেলেন বাংলাদেশী হিসেবে অথচ তাকে রাখা হচ্ছে ‘মুসলিম নোবেল লরিয়েট’ হিসেবে! মুসলিম সাহিত্যিক, মুসলিম বিজ্ঞানী, মুসলিম অভিনেতা, মুসলিম খেলোয়ার, মুসলিম প্রধানমন্ত্রী… এগুলো কি জায়নবাদের মত কিছু নয়? ভারতে আফগান, তুর্কি, আরবী শাসনগুলোকে ‘মুসলিম শাসন’ বলা হয়। সেই শাসনগুলোর ইতিহাসের নাম দেয়া হয়েছে ‘ইসলামের ইতিহাস’! অথচ পুর্তগিজ, ফরাসী, ইংরেজরাও ভারতে এসেছিলো। তাদের পরিচয় বৃহৎ ঘোরাটেপে ‘ইউরোপীয়ান’ হয়েছে। তাদের শাসনকে তো ‘খ্রিস্টান শাসন’ বলা হয় না। একটা লুটেরা দস্যু সুলতান মাহমুদকে মুসলিম বীর হিসেবে ইসলামী শাসনের ইতিহাসে স্থান দেয়া হয়েছে। জায়নবাদ কি এর সমতুল্য?  কারা ‘ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়’ বানিয়েছে? কারা ‘ইসলামী ব্যাংক’ বানিয়েছে? কারা ‘মুসলিম দেশ’ পরিচয় দেয়? পৃথিবীতে একটি ইহুদী রাষ্ট্র মানব সভ্যতাকে যদি হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়ে থাকে তাহলে ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্র নয় কেন?
উত্তর: something wrong… please checks your internet connection… and try again
 
প্রশ্ন: ইউরোপে কিছু কিছু দেশে ডানপন্থিদের ভোট বাড়ছে। ভারতে মোদী দুবার জিতে গেছে। আমেরিকায় ট্রাম্প মনে হয় দ্বিতীয় মেয়াদেরও থেকে যেতে পারে… কি বলেন?
 উত্তর: ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে…
প্রশ্ন: রিয়েলি?… কারা বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করেছিলো? মোদী কি তাদের চাইতে বেশি সাম্প্রদায়িক? যারা প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে মাথার উপর কলেমা লেখা সোনার প্লেট সামনে রেখে দেশ চালায় তারা কি হিন্দুত্ববাদী মোদী, বর্ণবাদী ট্রাম্পের চাইতে ভালো মানুষ? ইরানের আয়াতুল্লাহ খোমিনির ইসলামিক বিপ্লবে অন্ধকারাচ্ছন্ন ইরানে দেখেও ভীত হয়নি যারা, খোমিনির ইরানে নারীদের এক হাজার বছর পিছনে নিয়ে যাবার পরও যারা ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনতে পায়নি তারা কি এক চোখ আর এক কান বৈশিষ্ঠ কোন দৈত্য নয়? উপমহাদেশে ‘পাকিস্তান’ সৃষ্টি যারা করেছিলো, যাদের মাথা থেকে দ্বিজাতি তত্ত্ব এসেছিলো তারা কি ফ্যাসিজম চর্চা করত না? তখনো তো কেউ ফ্যাসিজমের পদধ্বনি শুনতে পায়নি? ঘোমটা দিয়ে নামাজ পড়ার ছবি প্রচার করে, কুরআন পড়ার ছবি প্রচার করেও হিন্দুত্ববাদী মোদীর মত কেউ সাম্প্রদায়িক হয় না! ট্রাম্পের মত বর্ণবাদী কথা বলেও এরদোয়ান ঘৃণার পাত্র হয় না! আপনাদের এই একচোখা নীতি যে আরো মোদী ট্রাম্পের জন্ম দিবে আর তাদের বিজয়ী হয়ে আসার জন্য আরো বেশি ভোটার আস্থাবান হবে সেটা কি কোনদিন বুঝতে সক্ষম হবেন?
উত্তর: sorry battery low…pip pip pip…
[প্রথম প্রকাশ: সেপ্টেম্বর, ২০১৯]