ভারতীয় মনিষীদের দ্বারা এটা প্রমানিত যে ‘হিন্দু’ শব্দটি চার হাজার বছরের পুরনো।
# আনুমানিক ২য় শতাব্দিতে রচিত শব্দ ‘কল্পদ্রুম’, তাতে মন্ত্র আছে হীন্ দুষ্যতি ইতি হিন্দু জাতি বিশেষ অর্থাৎ হীন কাজকে যে ত্যাগ করে, তাকেই ‘হিন্দু’ বলা হয়।
# অন্যদিকে ‘অদ্ভুত কোষে’ মন্ত্র পাওয়া যায় হিদূঁ: হিন্দুশ্চ প্রসিদ্ধ দুশতানাম চ বিঘর্ষণে
অর্থাৎ হিদূঁ আর হিন্দু দুটো শব্দই তাদের জন্য ব্যবহার হয় যারা দুষ্টকে নাশ করে।
# ষষ্ঠ শতাব্দির ‘বুদ্ধ স্মৃতিতে’ মন্ত্র আছে হিংসা দূয়তে য়শ্চ সদাচরণ তৎপরঃ। বেদ্ …….. হিদূঁ মুখ শব্দ ভাক্।’ অর্থাৎ যে সদাচারি বৈদিক ধর্মের পথে চলে, হিংসাকে দুঃখ বলে মনে করে, সে-ই হিন্দু।
# বৃহস্পতি আগমে শ্লোকে আছে
হিমালয় সমারভ্য য়বাদ ইঁদূ সরোবঁ।


তঁ দেব নির্বিতঁ দেশম হিন্দুস্থানম প্রচ্ক্ষেত।
অর্থাৎ হিমালয় পর্বত থেকে হিন্দ মহাসাগর পর্যন্ত দেব পুরুষ দ্বারা নির্মিত ক্ষেত্রকে হিন্দুস্থান
বলা হয়।
# পার্সী সমাজের একটি অতন্ত প্রাচীন গ্রন্থে লেখা
অক্নুম বিরহমনে ব্যাস নাম আজ হিন্দ আমদ বস দানা কি কাল চুনা নস্ত ।
অর্থাৎ হিন্দ থেকে আসা ব্যাস নামক এক ব্রাহ্মনের সমকক্ষ বুদ্ধিমান কেউ ছিল না।
# খ্রিস্টের জন্মের ১০০০বছরের আগে লবি বিন অখতাব তুর্ফা নামে আরবের এক কবির
গ্রন্থে লেখা আছে
অয়া মুবার্কেল অরজ য়ু শোয়ে নোহা হিন্দে।
ব অরাদাকল্লাহ মন্য়োঁজ্জেল জিকর্তুঁ।।
অর্থাৎ হে হিন্দ পুণ্য ভুমি তুমি ধন্য, ঈশ্বর জ্ঞানের জন্য তোমায় বেছে নিয়েছেন।