“ রাসলীলা প্রকৃতপক্ষে কি ? মূলত কি ঘটেছিল 5100 বছর অাগে বৃন্দাবনে ” ?
================================
রাসলীলাকালে পরমপুরুষ শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন মাত্র ৮ বছরের ছোট বালক। এমনকি জাগতিকভাবেও এ বয়সে কারো শারীরিক পরিপক্ক হয়না। যদিও বর্তমান সময়ে কলির প্রভাবে এর কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়। কিন্তু আজ থেকে 5100 বছর পূর্বে ৮ বছরের এক ছোট্ট গোপবালক কীভাবে কামার্ত হতে পারে ? তাছাড়া এ রাসলীলায় অংশ নিয়েছিল শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রায় সব বয়সের গোপীগণ। তারাই কীভাবে একটা ছোট্ট বালকের প্রতি কামার্ত হয় ? সাধারন বিচারেও তা অসম্ভব। অনেকে আবার বলে রাসলীলায় নাকি রাধা ছিলেন ! কিন্তু বাস্তবিক কোন প্রমান আমাদের মৌলিক  সনাতন ধর্ম গ্রন্থে নেই !!  তাছাড়া প্রায় ১০ বছর বয়সেই শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন ছেড়ে চলে যায়। রাধা বলে যদি কেউ থেকেও থাকে, যৌবন কৃষ্ণের সাথে তার কোন প্রেমলীলা হয়নি!! এটা শুধু কবি কল্পনামাত্র  !!  তাই কেবল নির্বোধেরাই কিছু লোক ভগবান সম্পর্কে অশ্লীল প্রেমলীলার  মন্তব্য করতে পারে। কারণ মানুষ তার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মন্তব্য করে।

যেমন: ব্রিটিশ শাসনামলে পশ্চিমবাংলার গ্রামে এক মুসলিম ভদ্রলোক ছিলেন, তার অনেক বড় বড় দাড়িঁ ছিল। একদিন সে কাঠাঁল খেতে গিয়ে কাঠাঁলের সব আঠা তার দাড়িঁতে লেগে যাওয়ায় তার সব দাড়িঁ কামাতে হয়। কিছুদিন পড়ে এক মুসলিম আর্মি অফিসার আসেন পরির্দশন করতে এবং ব্রিটিশের অধিনের থাকায় তারও দাড়িঁ ছিলনা। কিন্তু তাকে দেখে ওই লোকটির কৌতুহুল জাগে এবং তিনি গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন- “আচ্ছা আপনি কি কাঠাঁল খেয়েছিলেন? “
সুতরাং এই গল্পের মতই অনেকে সবসময়ই মনে করি যে – তিনি যেমন সর্বদাই কাম দ্বারা জর্জরিত তেমনি ভগবানের লীলাগুলোও বোধহয় কামপ্রবন !
একই ভাবে বর্তমানে সময়ের সিনেমা বা টিভি সিরিয়ালগুলোতে (স্টার জলসা) কৃষ্ণের ঐ ধরনের লীলা দৃশ্যে কৃষ্ণকে ২৫/২৬ বছরের যুবক হিসেবে উপস্থাপন করা হয় (যদিও তখন কৃষ্ণ ছিলেন মাত্র ৮ বছরের বালক) এবং তাঁর সঙ্গে গোপীদের আচরণও সাধারণ নারী-পুরুষদের মতো করা হয়। তাই মানুষ এসব দেখে তাদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কৃষ্ণ এবং গোপীদের সম্পর্ককে কামপ্রবণ মনে করে , এবং মুসলমানরাও এ নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যের সুযোগ পায় , তাই এই সকল সিরিয়াল অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত!!  বর্জন করা উচিত হিন্দু সমাজের 
প্রকৃতপক্ষে রাসলীলাতে কৃষ্ণ কেবল তাদের সাথে নৃত্যই করেছিল ! আসলে এটিই ছিল রাসলীলা !
<3 হরে কৃষ্ণ <3
ভালো লাগলে শেয়ার করুন 🙂