রাজা রামমোহন রায় : ভারতীয় রেনেসাঁর জনক।

 (মে ২২, ১৭৭২ – সেপ্টেম্বর ২৭, ১৮৩৩) প্রথম ভারতীয় ধর্মীয়-সামাজিক পুনর্গঠন আন্দোলন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা। এবং বাঙালি দার্শনিক। তৎকালীন রাজনীতি জনপ্রশাসন ধর্মীয় এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পেরেছিলেন। তিনি সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত হয়েছেন, সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত করার প্রচেষ্টার জন্য।

 

 

সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জী
 👉১৭৭২, ২২মেঃ- রাধানগরে রামমোহনের জন্ম।
 👉১৭৮১-৮২ঃ- দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার বিবহ।
 👉১৭৮২-৮৬ঃ- পাটনা ও কাশীতে শিক্ষালাভ।
👉১৭৮৭ঃ- পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে প্রথম পুস্তক রচনা; পিতামাতার সঙ্গে বিরোধ এবং গৃহ হতে বিতাড়িত।
👉১৭৯০-৯১ঃ-  চার বছর অজ্ঞাতবাসের পর গৃহে প্রত্যাবর্তন এবং পুনরায় গৃহত্যাগ । সপরিবারে কাশীতে অবস্থান ও হিন্দুশাস্ত্র অধ্যয়ন।
👉১৮০০ঃ- জ্যেষ্ঠ পুত্র রাধাপ্রসাদের জন্ম।
👉১৮০৩ঃ-  পিতা রামকান্ত রায়ের মৃত্যু। মুর্শিদাবাদে  সিবিলিয়ান উডফোর্ডের অধীনে কর্মগ্রহণ।
👉১৮০৫ঃ- জন ডিগবীর অধীনে কর্ম গ্রহণ ( ঢাকা )।
 👉১৮০৮ঃ- ঐ(ভাগলপুর)।
👉১৮০৯-১৪ঃ- রংপুরে, ডিগবীর অধীনে দেওয়ান।
👉১৮১১ঃ- জ্যেষ্ঠভ্রাতা জগমােহনের মৃত্যু।
👉১৮১২ঃ- কনিষ্ঠ পুত্র রমাপ্রসাদ রায়ের জন্ম।
👉১৮১৪ঃ- কলিকাতায় আগমন অবস্থান।
 👉১৮১৫ঃ- আত্মীয়সভা স্থাপন।
👉১৮১৫-১৭ঃ-  বিবিধ শাস্ত্রগ্রন্থের অনুবাদ ; হিন্দু কলেজ স্থাপনে উদ্যোগ।
👉১৮১৭-২০ঃ- সাকারবাদের বিরুদ্ধে ও ব্রহ্মজ্ঞানের পক্ষে একাধিক পণ্ডিতের সঙ্গে বিচার।
👉১৮১৮ঃ- সহমরণ বিষয়ক প্রথম পুস্তক রচনা ।
👉১৮২০ঃ- ঐ দ্বিতীয় পুস্তক। ইংরেজীতে খ্রিষ্টের উপদেশ রচনা ও প্রকাশ। মিশনারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও বাদানুবাদ। খ্রিষ্টীয় ত্রিতত্ত্ববাদ অস্বীকার।
👉১৮২১ঃ- রামমােহনের উদ্যোগে ইউনিটেরিয়ান সোসাইটি প্রতিষ্ঠা। সংবাদ কৌমুদী প্রকাশিত।
👉১৮২২ঃ- মীরাৎ-উল্-আখ্বার প্রকাশিত । ক্যালকাটা জার্নালের সম্পাদকের বহিষ্কারণের প্রতিবাদ।  য়্যাংলো হিন্দু স্কুল স্থাপন।
👉১৮২৩ঃ- মুদ্রাযন্ত্র আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টে ও প্রিভি কাউন্সিল  আবেদন প্রতিবাদ মীরাৎ পত্রিকার প্রকাশ বন্ধ। এদেশে ইউরোপীয় শিক্ষা প্রবর্তনের জন্য লর্ড আমহর্স্টকে  একটি পত্র প্রেরণ।
👉১৮২৪ঃ- ভারতে মিশনারীদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে রেভারেণ্ড এইচ, ওয়্যারকে পত্র প্রেরণ; দক্ষিণভারতে দুর্ভিক্ষে সাহায্যের জন্য  আবেদন প্রচার।
👉১৮২৪-২৫ঃ- সমাজসংস্কারমূলক বিবিধ পুস্তক পুস্তিকা প্রণয়ন ও প্রচার।
👉১৮২৬ঃ- বেদান্ত কলেজ স্থাপন। শিক্ষা প্রসারে  বিবিধ কর্মপ্রয়াস। 
👉১৮২৮ঃ- নতুন জুরি বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন। কলিকাতায় ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা। জুরি আইন সম্পর্কে পত্র প্রকাশ।
👉১৮২৯ঃ- সতীদাহ প্রথা নিবারণ সম্পর্কে গভর্ণর-জেনারেল লর্ড উইলিয়ম বেন্টিরঙ্কের সঙ্গে সাক্ষাৎকার ও আলোচনা। এই বছরের ৪ ঠা ডিসেম্বর সতীদাহ – নিবারণ আইন প্রবর্তিত। নীলকর সাহেবদের সম্পর্কে পত্র প্রকাশ। দিল্লীর বাদশা কর্তৃক রামমােহনকে ‘ রাজা ‘ উপাধি প্রদান । সতীদাহ – নিবারণ আইনের জন্য প্রকাশ্যে লর্ড উইলিয়াম বেণ্টিঙ্ককে অভিনন্দন জ্ঞাপন । আদি ব্রাহ্মসমাজের নিজস্ব গৃহের দ্বারোদ্ঘাটন। সমাজের ট্রাস্টডীড প্রণয়ন। ডাফ সাহেবকে স্কুল স্থাপনে সাহায্য প্রদান ।
👉১৮৩০,১৯ নভেম্বরঃ- কলিকাতা থেকে ইউরোপ যাত্রা।
👉১৮৩১ঃ- লিভারপুল হয়ে এপ্রিলে লন্ডনে উপনীত রিজেন্ট স্ট্রীটের বাস ভবনে দুইমাস অবস্থান ইউনিটেরিয়ান সমিতি কর্তৃক সংবর্ধিত আলােচনায় যােগদান । পার্লামেন্ট কর্তৃক সতীদাহ আইনের বিরুদ্ধে প্রেরিত আবেদন অগ্রাহ্য । এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে লণ্ডন পরিত্যাগ করে ব্রিস্টল যাত্রা।
👉১৮৩৩, ২৪ সেপ্টেম্বরঃ- ব্রিস্টলে রামমােহনের মৃত্যু ।
 গ্রন্থ ও রচনা সমূহ।
(১)বেদান্ত | ১৮১৫
(২)বেদান্তসার | ১৮১৫
(৩)তলবকার উপনিষৎ | ১৮১৬ তলবকার উপনিষৎ অর্থাৎ সামবেদের অন্তর্গত কেনোপনিষৎ।
(৪)ঈশোপনিষৎ | ১৮১৬
(৫)উৎসবানন্দ বিদ্যাবাগীশের সহিত বিচার | ১৮১৬ বঙ্গাক্ষরে মুদ্রিত তিনখানি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংস্কৃত রচনা।
(৬) ভট্টাচার্য্যের সহিত বিচার |১৮১৭
(৭)কঠোপনিষৎ | ১৮১৭
(৮)মাণ্ডুক্যোপনিষৎ|  ১৮১৭
(৯)গোস্বামীর সহিত বিচার | ১৮২৮
(১০)সহমরণ বিষয় প্রবর্ত্তক ও নিবর্ত্তকের সম্বাদ |১৮১৮
(১১) গায়ত্রীর অর্থ | ১৮১৮
(১২)মুণ্ডকোপনিষৎ | ১৮১৯
(১৩)সহমরণ বিষয়ে প্রবর্ত্তক নিবর্ত্তকের সম্বাদ | ১৮১৯
(১৪)আত্মানাত্মবিবেক | ১৮১৯
(১৫)কবিতাকারের সহিত বিচার | ১৮২০
(১৬)সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীর সহিত বিচার | ১৮২০
(১৭)ব্রাহ্মণ সেবধি ও মিসিনরি সম্বাদ ১৮২১
(১৮)চারি প্রশ্নের উত্তর | ১৮২২
(১৯)প্রার্থনা পত্র | ১৮২৩
(২০)পাদরি ও শিষ্য সম্বাদ | ১৮২৩
(২১)গুরুপাদুকা | ১৮২৩
(২২)পথ্য প্রদান | ১৮২৩
(২৩)ব্রহ্মনিষ্ঠ গৃহস্থের লক্ষণ | ১৮২৬
(২৪)কায়স্থের সহিত মদ্যপান বিষয়ক বিচার | ১৮২৬
(২৫)বজ্রসূচী ১৮২৭
(২৬)গায়ত্র্যা ব্রহ্মোপাসনাবিধানং।(প্রকাশের তারিখ অজ্ঞাত, অনুমান | ১৮২৭ সালে প্রকাশিত হয়)।
(২৭)ব্রহ্মোপাসনা | ১৮২৮
(২৮)ব্রহ্মসংগীত | ১৮২৮
(২৯)অনুষ্ঠান | ১৮২৯
(৩০)সহমরণ বিষয় | ১৮২৯
(৩১)ক্ষুদ্রপত্রী
(৩২)গৌড়ীয় ব্যাকরণ | ১৮৩৩
লেখক-কৃত্তিবাস ওঝা,ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক।

বাংলাদেশের প্রগতিশীলদের লুঙ্গি খুলে দিয়েছিলো।

আইএস জিহাদীরা কি সুরা নিসার ২৪ নং আয়াত বাস্তবায়ন করেছে?

‘হিন্দু’ নোবেল পেয়েছে এরকম লিস্ট করা হলে আমরা এই বঙ্গবাসীরাই নির্ঘাৎ তাকে সাম্প্রদায়িক বলব।

আরো একবার প্রমাণ হলো বাংলার নিজস্ব্ যা তার সবই ‘হিন্দুয়ানী’