কুষ্ঠরোগের টিকা আবিষ্কার করলেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী। ন্যাশনাল
ইনস্টিটিউট অব ইম্যিউনোলজিকুষ্ঠরোগের টীকা আবিষ্কার করলেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী (এনআইআই) এর প্রতিষ্ঠাতা অধিকর্তা জিপি তলওয়ার
এই টীকার আবিষ্কারক। তাঁর আবিষ্কৃত টীকা যার নাম, ‘মাইকোব্যাকটেরিয়াম
ইন্ডিকাস প্রানি’। 
এই টীকা ইতিমধ্যেই ভারতে ওষুধের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিআই (ডিরেক্টর
জেনারেল অব ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ) এবং মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (এফডিএ) এর দ্বারা
স্বীকৃতি পেয়েছে।

কুষ্ঠরোগের টীকা আবিষ্কার করলেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী

সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতেই প্রথম এই টীকা তৈরি হল। এর মাধ্যমে সারা ভারতে
টীকাকরণ প্রক্রিয়াকে চালানো হবে। এই কুষ্ঠের টীকা যদি রোগীর সঙ্গে থাকা
ব্যক্তিদের দেওয়া হয় তাহলে আগামী তিন বছরের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ হারে এই
রোগে আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এই টীকা বিহার ও গুজরাতের পাঁচটি জেলায়
পাইলট প্রকল্পের আকারে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে। [ক্যানসার আটকাতে নতুন
প্রোটিনের উদ্ভাবন করলেন বিজ্ঞানীরা]

তথ্য বলছে, ভারতে প্রতিবছর ১.২৫ লক্ষ মানুষ কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়।
বিশ্বের মোট কুষ্ঠ রোগীর অন্তত ৬০ শতাংশ ভারতের বাসিন্দা। আর তাই এই রোগ
সারাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প চালু হতে চলেছে। [সূর্যের চেয়ে আয়তনে ৬৬ কোটি
গুণ বড় ‘ব্ল্যাক হোল’!]

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা জানিয়েছেন, দেশের ৫০টি জেলায়
যেখানে কুষ্ঠ আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি সেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার
চালানো হবে। কুষ্ঠ রোগ মুক্ত ভারত গড়তে কেন্দ্র সবরকম প্রয়াস চালাবে বলেও
জানা গিয়েছে।
মুম্বই হাসপাতালে কর্মী নেই, কুষ্ঠরোগীরাই ডাক্তার, কখনও আবার ওয়ার্ড বয়!