এক হাঁটু কাদা, তবুও বড় বড় বক্সে ডিজে ডিজে গান বন্ধ নেই, লোডশেডিং হলেই অফিসে ফোন….
বাঁকুড়ায় মনসা পুজো চলছে, কার কি গান বাজছে বোঝা দায়, এক হাত অন্তর অন্তর মনসা পুজো ।
আজ সকাল থেকেই পাঁঠা মাংসের ছড়াছড়ি চলেছে, কেউ সকাল থেকে দেশী গিলে নাগিন ড্যান্স দিচ্ছে ।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখছি কেজি খানেক মাংস বাড়ীতে পাঠিয়েছে অনেকে মিলে, যাদের বাড়ীতে পাঁঠা পড়ে তারা শাল পাতায় মুড়ে কাঁচা মাংস পাঠায় এটাই আমাদের এলাকার রীতি । সকালে একজনের বাড়ীতে মনসা পুজো উপলক্ষে নেমন্তন্ন ছিল, পাঁঠার নাড়ীভুড়ি দিয়ে কুমড়োর তরকারি ও পেঁয়াজ রসুন ছাড়া পাঁঠার মাংস খেয়ে এসেছি । এবছর দেখছি প্রায় প্রত্যেক আদিবাসী গ্রামেও ধুমধাম করে মনসা পুজো চালু হয়েছে, যেটা আগে হয়নি ।

তবে একটা জিনিস উপলব্ধি করলাম যে, এই রাজ্যে রামনবমীর পর থেকে সবার মনে কেমন একটা আশ্চর্য রকম রামভক্তি জেগেছে, তাই দিনে অন্তত ৫-৬ বার করে জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম বাজছে প্রতিটি পুজো মন্ডপে, কেমন যেন মনে হচ্ছে হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করেছে ।
আগে এ পাড়ায় ও পাড়ায় হিন্দুদের মধ্যে কেমন একটা দ্বন্দ্ব চলত মনসা পুজা ঘিরে এখন দেখছি সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঢাক, কাঁসর বাজিয়ে মঙ্গল ঘট আনছে ।

মাঠে ঘাটে ঘুরে একটা জিনিস ষ্পষ্ট বুঝতে পারছি, হিন্দুদের জাগরনের পুরো কৃতিত্বটাই মমতা ব্যানার্জীর কারন মমতা নগ্ন মুসলিম তোষন না করলে হিন্দুদের মনে ঐক্যতা জিনিসটাই আসত না, এখনকার একটা মুর্খ লোকেও দেখি জেনে গেছে মমতা নমাজ পড়ে ।

আমি তো ভাবছি মমতা ব্যানার্জীর তোষনের আর বিরোধীতা করব না, বরং তোষনের কথা বেশী বেশী করে প্রচার করব যাতে হিন্দুরা নিজেরাই জাগে, মমতা নবদ্বীপে কসাইখানা করার পরিকল্পনা করেছে বলেই আজকে খোল-করতাল বাজানো হাত গুলো অস্ত্র তুলে নেওয়ার কথা বলেছিল…..

পিসি তুমি তোষন করে যাও আমরা হিন্দুদের জাগিয়ে যায়, কারন তুমি ধর্মনিরপেক্ষ থাকলে পশ্চিমবঙ্গকে আমরা বাঁচাতে পারব না ।

বাকুড়িয় থেকে
সব্যসাচী।