অনিতা দেওয়ানকে মনে পরছে? কলকাতা-বানতলার কথা ? ৩০শে মে ১৯৯০ …………?

Spread the love

মাল-এ-গনিমত :
———————
অনিতা দেওয়ানকে মনে পরছে? কলকাতা-বানতলার কথা ? ৩০শে মে ১৯৯০ …………?

কই না তো! কে অনিতা? সেই ১৯৯০, এতসব বাঙালির মনে থাকে? থাকলে বাঙালির আজ এই হাল হয় নাকি?
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর যা অত্যাচার হয়! প্রগতিশীল বাঙালি বিপ্লবে ফেটে পরে, অনিতা দেওয়ানকে ভুলে গেছে! না না, সংখ্যালঘু নিপীড়ন রুখতে পশ্চিমবাংলার বাঙালি বদ্ধপরিকর! আসুন সকলে শপথ করি আর তারই মাঝে একটু সময় চুরি করে চলুন অতীত ঘেঁটে দেখি:

বানতলা ১৯৯০:
৩০ মে, ১৯৯০। গোসাবায় একটি টীকাকরণ কর্মসূচী সেরে তিন জন সরকারি হেলথ অফিসার ফিরছিলেন কোলকাতায় । সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ যখন তারা ই.এম বাইপাসের কাছে বানতলায় পৌঁছান, তখন সিপিএমের পার্টি অফিসের কাছে ৪/৫ মুসলিম যুবক, তাদের গাড়ি থামানোর চেষ্টা করে, পাশ কাটাতে গিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। আরও ১০/১২ জন মুসলিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা সবাই মিলে গাড়িতে থাকা ড্রাইভার এবং স্বাস্থ্যকর্মী অনিতা দেওয়ান, উমা ঘোষ ও রেনু ঘোষকে টেনে হিঁচড়ে গাড়ি থেকে বের করে এবং গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। গাড়ি চালক তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে পুরুষাঙ্গে আঘাত করে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রাখে। তিন যুবতী মেয়েকে ১৫/২০ জনে মিলে পার্টি অফিসের পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একজন ক্ষিপ্ত হয়ে বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যা করে এবং অন্য দুজনকে ধর্ষণ করে ফেলে রাখে চলে যায়!

রাত সাড়ে এগারোটার দিকে পুলিশ গিয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে | মেয়েদেরকে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে এবং ড্রাইভারকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেয়েদের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিলো যে, প্রথমে ডাক্তাররা তিন মেয়েকেই মৃত মনে করেছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে দুজন বেঁচে ছিলো। হাসপাতালে নেওয়ার পরও জীবিত একজনের যোনীর মধ্যে ১২ ইঞ্চি সাইজের একটি ধাতব টর্চলাইট দেখে একজন ডাক্তার অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান!! ড্রাইভারের দেহে ৪৩ টা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিলো এবং তার পুরুষাঙ্গ পিষে যাওয়ায়, সেটার কার্যক্ষমতা সর্ম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। ঘটনার ৫ দিনের মাথায় ঐ ড্রাইভার মারা যায়।

মাকু বামফ্রন্ট সরকারের কুলাঙ্গার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রশান্ত সূর, ধর্ষকদের রক্ষা করার জন্য বলেছিলো: “আক্রমণকারীরা তাদের শিশুপাচারকারী মনে করে আক্রমন করেছিলো।”  সত্টা আসলে অন্য!  স্বাস্থ্য বিভাগের এই দল কিছু মুসলমান মেয়েকে জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপকারিতা সম্পর্কে বুঝিয়েছিলো। এটাই ছিলো তাদের অপরাধ। জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইসলামে নিষেধ এবং মুসলমানদের পুরানো নীতি পয়দা করে ফায়দা লুটে- ভারত দখলের পথে প্রধান বাধা!! তাই এমন নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুন করে শাস্তি দেয় ঐ তিন হিন্দু মেয়ে এবং তাদের গাড়ির ড্রাইভাকে। ইসলামে জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিষেধ হলেও অমুসলিমদের মেয়েদের ধর্ষণ ও খুন করতে কোনো মানা নেই, তারা যে গনিমতের মাল!। ঐ মুসলমানরা সেদিন সম্পূর্ণ ইসলাম সম্মত কাজ করেছিলো।

মুসলমানদের তাড়া খেয়ে পূর্ব বঙ্গ থেকে পালিয়ে আসা পশ্চিমবঙ্গের সেকু মূর্খমন্ত্রী জ্যোতি বসু এই ঘটনা সম্পর্কে কী বলেছিলো ? বলেছিল: “ধর্ষণের ঘটনা স্বাভাবিক!”
ওনার কথায় মনে হয়, ধর্ষণের ঘটনা এতটাই স্বাভাবিক যে, ওনার বাড়ির মেয়েদের, মুসলমানরা রোজ দুবেলা এসে ধর্ষণ করে যেত! 

কয়েকদিন আগে ট্রেনের সিটে লুডোর বোর্ড রেখে খেলায় মেতেছিল জুনেঐদ ও তার দুই সহযাত্রী| ভীড় বাড়াতে তাদের জায়গা দিতে বলা হয়| প্রথমে জায়গা দিলেও পরে আরো জায়গা ছাড়তে তারা অস্বীকার করে এবং লাগে ঝামেলা| এক মদ্যপের মাতব্বরি, অতঃপর হাতাহাতি, ধর্ম তুলে গালিগালাজ এবং শেষে জুনেইদ হত্যা!! কিন্তু না…… কি একটা বাদ পরছে? ওহ! হ্যা, মনে পরেছে!! গরুর মাংস| ধুর মশাই! আপনারাও না….. জুনাইদ মুসলমান, গরুর মাংস তো আসবেই!!

:ুর মাংসের যোগসূত্রে হত্যার কারণে ফেসবুকে, টুইটারে বিপ্লবের ঝড় তুলেছেন, আপনারা কেউ অনিতা দেওয়ানকে চেনেন?