Saturday, September 18, 2021
Home Bangla Blog "অসতো মা সৎ গময়ো"

"অসতো মা সৎ গময়ো"

“অসতো মা সৎ গময়ো”

হিন্দুরা আজ অজ্ঞানী। সত্য পথ খুজে পাচ্ছে না। একমাত্র প্রকৃত জ্ঞান হিন্দুদের সেই অসৎ পথ (যে পথ অনিত্য বা ক্ষয় হয়,চিরকাল থাকে না)  বা অনিত্য জগত থেকে সৎ (যা নিত্য বা শাস্বত) পথের দিশা দেখাতে পারে। সব হিন্দুকে আগে সৎ হতে হবে, সততার পথেই মুক্তিলাভ সম্ভব।

সেই জন্যই প্রাচীন ঋষিদের শিক্ষাকে বলা হয় দর্শন, যা পথ দেখায়। সেই প্রদর্শিত পথে চললেই হিন্দুদের মুক্তি বা হিন্দুদের প্রকৃত স্বাধীনতা লাভ সম্ভব।।

“তমসো মা জ্যোতির্গময়”

জ্ঞান মানুষের মনের অন্ধকার দূর করে। অজ্ঞানী অন্ধকার ময় জগতে পথ হারিয়ে ঘুরে মরে।

‘গহন কলিল’— অজ্ঞানতার জগত, গহন বনের মতো। পথ হারিয়ে যায়। তখন দস্যুরা আক্রমন করে। দস্যুরা অজ্ঞানী। তারা সর্বদাই অপকর্মে লিপ্ত থাকবে। তাদের হাত থেকে বাঁচতে জ্ঞান লাভ করতে হবে। জ্ঞানী অকুতোভয় হয়। ভীতরা কোনোদিন কোনো সংগ্রামে জয় লাভ করতে পারে না। জয় লাভের জন্য তাই জ্ঞানী হতে হবে।

অন্ধকার পথে দেশ বাচানো যাবে না। দেশ আবার ভাগ হবে তাহলে। অজ্ঞানীরা নিজের দেশ ভয় পেয়ে অপরের হাতে তুলে দেবে। অজ্ঞানীদের কু কর্ম থেকে নিজে এবং নিজের ভারত মাতাকে বাচাতে হিন্দুদের অস্ত্র চাই না। চাই সত্য জ্ঞানের অলোকে উদ্ভাসিত অকুতোভয় যুবক যুবতী। তারাই রে রে করে, হর হর মহাদেব বলার অধিকারী। জ্ঞানীরা তেড়ে গেলে তবেই না অজ্ঞানী আরবী, তুর্কি, চৈনিক দস্যুরা পথ ছেড়ে দেবে!!!!!!! একজন জ্ঞানী ১০০ জন অজ্ঞানী কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেবে। তাই আগে জ্ঞান লাভ করুন।

প্রচুর অজ্ঞানী মিলে ইট পাটকেল ছুড়ে, রাস্তায় নেমে কিচ্ছু হবে না। ১০০ জন জ্ঞানী ১০০০০ জন অজ্ঞানীকে তাদের জ্ঞানের ছটায় পুড়িয়ে ছাই করে দেবে।। সেটাই প্রকৃত পথ এবং দিশা।

“মৃতোর্মা অমৃতম গময়ো”

একমাত্র জ্ঞানী ব্যাক্তিই অমৃত লাভের অধিকারী। অজ্ঞানী সদাই বিষ পান করে। সমুদ্র মন্থন করে অমৃত এবং বিষ (গরল) দুটোই এসেছিলো। মহাদেব সেই বিষ নিজে পান করেছিলেন মানুষকে বাচানোর জন্য। কিন্তু দেবতা এবং অসুরেরা অমৃতের জন্য লড়াই করেই চলেছে। এই অসম যুদ্ধে দেবতারাই জয় লাভ করবে। অসুরদের পরাজয় হবেই। কারন তারা অজ্ঞানী। ওরা ইট পাটকেল ছুড়বেই। মাথা ফাটাবে। ফাটা মাথার একবিন্দু রক্ত হাজার অজ্ঞানীকে কবরে পাঠাবে। ওদের ইট পাটকেলের অভাব পড়ে যাবে।।

তাই আগে জ্ঞানী হন। রাস্তা, বা পথের দিশা নিজেই পেয়ে যাবেন।। অমৃত কুম্ভের সন্ধান ও পেয়ে যাবেন। অমৃতের জন্য ইতি উতি অন্ধের মতো খুজে বেড়াতে হবে না।। 

হরি ঔ তৎ সৎ।

যারা বেদ এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয় বিশদ ভাবে জানতে চান, তাদের কাছে অনুরোধ, এই লিংক থেকে নিয়মিত পড়ুন। জানতে পারবেন আসল সত্য।

দিনে মাত্র একঘন্টা নিজে পড়ুন। আর সন্তান দের সংগে বসুন তাদের পড়ান, জানান।।

RELATED ARTICLES

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

Most Popular

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ।

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একজন মুসলিম যুবক চন্দ্রনাথ ধামে...

Recent Comments

%d bloggers like this: