জলধর সেন (১৩ মার্চ ১৮৬১
১৫ মার্চ ১৯৩৯)
বাঙালি ভ্রমণ কাহিনী, রম্যরচনা ও উপন্যাস লেখক । নদিয়া জেলার কুমারখালিতে তাঁর নিবাস ছিল ।[১]

জন্ম

১৩ মার্চ
১৮৬০ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালি গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর
পিতার
নাম হলধর সেন । ১৮৮১ সালে স্ত্রী
, কন্যা ও মাতাকে হারিয়ে হিমালয়ে চলে যান।

শিক্ষাজীবন

১৮৭৮
খ্রিস্টাব্দে কুমারখালি
থেকে তিনি এন্ট্রান্স
পাস করেন এবং তারপর কলকাতার জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ
ইনস্টিটিউসনে এল.এ পর্যন্ত পড়েন । এরপর
গোয়ালন্দ বিদ্যালয়ে
, দেরাদুনে
এবং মহিষাদলে কিছুদিন
শিক্ষকতা করেন ।
[১]

সাহিত্যকর্ম

১২৯৭ বঙ্গাব্দে তিনি হিমালয়
বেড়াতে যান । তাঁর
ভ্রমণবিষয়ক বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য
প্রবাসচিত্র, হিমালয়তাঁর
রচিত গল্পের বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য
নৈবেদ্য, কাঙ্গালের ঠাকুর, বড় মানুষ প্রভৃতি। তাঁর রচিত উপন্যাস হল দুঃখিনী,
অভাগী, উৎস প্রভৃতি। তাঁর সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে
উল্লেখযোগ্য
হরিনাথ গ্রন্থাবলী, প্রমথনাথের কাব্য গ্রন্থাবলী [১]

গ্রামবার্তা,
সাপ্তাহিক বসুমতী,
হিতবাদী, সুলভ সমাচার প্রভৃতি
সাময়িক পত্রিকাতে তিনি সম্পাদক বা সহ-সম্পাদক হিসাবে যুক্ত ছিলেন
পরে
১৩২০ বঙ্গাব্দ থেকে ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর তিনি
ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করেন। [১] তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য ব্রিটিশ সরকার রায় বাহাদুরউপাধি দেয়।

রচনা

ভ্রমণবিষয়ক বই

  • প্রবাসচিত্র
  • হিমালয়

গল্পের বই

  • নৈবেদ্য
  • কাঙ্গালের
    ঠাকুর
  • বড়
    মানুষ

উপন্যাস

  • দুঃখিনী
  • অভাগী
  • উৎস

সম্পাদিত বই

  • হরিনাথ
    গ্রন্থাবলী
  • প্রমথনাথের
    কাব্য গ্রন্থাবলী

মৃত্যু

তিনি
৩১.০৮.২০১৬ তাং ঢাকায় মারা যান