গুজরাট দাঙ্গা: ইতিহাসের প্রতি ফিরে দেখা।আজ থেকে ঠিক ১৮ বৎসর আগে গুজরাটের গোধরা রেল স্টেশনের কাছে সবরমতি এক্সপ্রেসে করে অযোধ্যা থেকে প্রত্যাবর্তনকারী S6 কামরায় অবস্থানকারী বিশ্ব হিন্দু পরিষদের করসেবকদের উপর প্রায় প্রায় ২০০০ জনের একদল ক্ষিপ্ত জনতা পূর্বপরিকল্পনা মাফিক আগুন ধরিয়ে দেয় এবং

যারা আগুন ধরিয়ে দেন, তারা নিজেরা শান্তির ধর্ম (ইসলাম) অবলম্বন করেন বলে জানা যায়। যে নৃশংসভাবে ঐ জীবন্ত ৫৯ জন যাত্রীকে (যারমধ্যে ২৭ জন মহিলা ও ১০ টি শিশু) দগ্ধ করা হয়েছিল , তা কোনও সভ্য সমাজের কল্পনারও অতীত !

কি হয়েছিল সেদিন…?
২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারীর সকাল ৭:৪৩ মিনিটে “সবরমতি এক্সপ্রেস” প্রায় ৪ ঘন্টা দেরী করে পৌছায় গোধরা স্টেশনে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের করসেবকেরা রাম জন্মভুমিতে তাদের সম্মেলন শেষে ঐ ট্রেনে ফিরছিলো। স্টেশন এর হকারদের (যাদের অধিকাংশ মুসুলমান) সাথে বচসা হয় কর সেবকদের । এরপর শুরু হয় ট্রেনে ঢিল / পাথর  ছোড়া।

এই সময় গুজব ছড়ানো হয় যে একজন মুসলমান তরুনিকে করসেবকেরা ট্রেনের কোচে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন করছে (পরবর্তীতে ভিত্তিহীন প্রমানিত), নির্দ্দিষ্ট ৫ মিনিট যাত্রা বিরতির পর ট্রেন যাত্রা শুরু করে। স্টেশন থেকে প্রায় ১ কিলো মিটার দূরে ফাদিয়া সিগন্যালের কাছে চেন টেনে থামানো হয় (আনোয়ার কালান্দার নামের এক ছেলে চেন টেনেছিল)। প্রায় ৫০০ জন মুসলিম এক যোগে হামলা চালায় ট্রেনে।

তারপর করসেবকদের কোচে তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মারা যায় ২৭ জন মহিলা এবং ১০ টি শিশু সমেত মোট ৫৯ জন তীর্থযাত্রী !!! ২৫০ জন বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তাদের একজনের দাবী প্রায় ২,০০০ মুসলমান হামলা করেছিল ফাদিয়া সিগন্যাল এ। দি ডেইলি ট্রিবিউন লিখেছিল “ চেন টেনে ট্রেন থামানোর পর ইটপাটকেল নিক্ষেপকারী বিপুল সংখ্যক লোক, পেট্রোল, পেট্রোল বোমা এবং কেরসিন ঢেলে ট্রেনের কামরায় আগুন ধরিয়ে দেয়।”

নেপথ্য কাহিনী 
ট্রেনে হামলার ঘটনা পুর্ব পরিকল্পিত । ট্রেন পোড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত জাবির বেহেরার স্বীকারক্তি অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয় মৌলানা হুসেন ওমারজীকে। বেহেরা স্বীকারোক্তি দেয় যে “ ঘটনার আগের দিন রাত এগারোটায় মৌলানা উমরজী গেস্ট হাউস “ আমান”এ মিটিং করেন। গেস্ট হাউজের মালিক “রাজ্জাক কুরকুরে” ঐদিন পার্শবর্তী পেট্রোল পাম্প থেকে ১৪০ লিটার পেট্রোল সংগ্রহ করেন তারা।

পেট্রোল পাম্পের মালিক “প্যাটেল “ ভ্রাতৃদ্বয় পেট্রোল কেনার ব্যাপার নিশ্চিত করেন। সেলিম পানওয়ালা স্টেশনে গিয়ে খবর নিয়ে জানেন যে সবরমতি এক্সপ্রেস প্রায় ৪ ঘন্টা দেরী করে আসছে। তারা সেই অনুযায়ী পরিকল্পনার সময় নির্ধারন করেন। ফাদিয়া সিগনাল এলাকা মুসুলমান অধ্যুষিত।আমান গেস্টহাউজ সিগন্যাল ফাদিয়ার কাছেই। ওখানেই জমা রাখা হয়েছিলো প্রতিটি ২০ লিটারের জারিক্যান” এ ভরা পেট্রোল।

বেহেরা সহ মোট ৬ জন ট্রেনের সংযোগ স্থল কেটে ট্রেন এ জারী ক্যান সহ ঢুকে পড়েন। তারপর জারিক্যান ঢেলে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দরজা খুলে লাফিয়ে পড়েন তারা। তাছারা ওই দিন সকালবেলায় গোধরা স্টেশনে এত বেশী লোকের স্টেশনে উপস্থিত থাকা পুর্ব পরিকল্পনারই ইঙ্গিত দেয়। হামলা কারীরা জানতো ঐ ট্রেনে করসেবকরা ফিরছে এবং তারা নির্দ্দিষ্ট কামরাতেই আক্রমন চালায়।

আর হকারদের সঙ্গে করসেবকদের বচসা ও অপহরনের গুজবও পূর্বপরিকল্পিত। মুসলমানরাই আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে হিন্দু করসেবকদের একথা সেকুলার মিডিয়া চেপে যায় !

আমাদের ইতিহাসকে ভুলে গেলে চলবে না, কারণ যে জাতি ইতিহাস বিস্মৃত হয়, সে জাতির ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী, আর তাই অতীত ইতিহাসকে স্মরণ করে সেই বিদেহী আত্মাদের শান্তি কামনা করি ।

নেপথ্য কাহিনী –ট্রেনে হামলার ঘটনা পুর্ব পরিকল্পিত । ট্রেন পোড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত জাবির বেহেরার স্বীকারক্তি অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয় মৌলানা হুসেন ওমারজীকে।আদালতে বেহেরার স্বীকারোক্তি দেয় যে “ ঘটনার আগের দিন রাত এগারোটায় মৌলানা উমরজী গেস্ট হাউস “ আমান”এ মিটিং করেন। গেস্ট হাউজের মালিক “রাজ্জাক কুরকুরে” ঐদিন পার্শবর্তী পেট্রোল পাম্প থেকে ১৪০ লিটার পেট্রোল সংগ্রহ করেন তারা। পেট্রোল পাম্পের মালিক “প্যাটেল “ ভ্রাতৃদ্বয় পেট্রোল কেনার ব্যাপার নিশ্চিত করেন।

সেলিম পানওয়ালা স্টেশনে গিয়ে খবর নিয়ে জানেন যে সবরমতি এক্সপ্রেস প্রায় ৪ ঘন্টা দেরী করে আসছে। তারা সেই অনুযায়ী পরিকল্পনার সময় নির্ধারন করেন।ফাদিয়া সিগনাল এলাকা মুসুলমান অধ্যুষিত।আমান গেস্টহাউজ সিগন্যাল ফাদিয়ার কাছেই। ওখানেই জমা রাখা হয়েছিলো প্রতিটি ২০ লিটারের জারিক্যান” এ ভরা পেট্রোল।বেহেরা সহ মোট ৬ জন ট্রেনের সংযোগ স্থল কেটে ট্রেন এ জারী ক্যান সহ ঢুকে পড়েন।

তারপর জারিক্যান ঢেলে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দরজা খুলে লাফিয়ে পড়েন তারা। তাছাড়া ওই দিন সকালবেলায় গোধরা স্টেশনে এত বেশী লোকের স্টেশনে উপস্থিত থাকা পুর্ব পরিকল্পনারই ইঙ্গিত দেয়। হামলা কারীরা জানতো ঐ ট্রেনে করসেবকরা ফিরছে এবং তারা নির্দ্দিষ্ট কামরাতেই আক্রমন চালায়। এই ঘটনার পরবর্তীতে ঘটে যাওয়া গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে আমাদের দেশের সেকুলার মিডিয়া-বুদ্ধিজীবি সকলে সরব হলেও গোধরার হিন্দু নিধনের ঘটনায় তারা আশ্চর্যজনকভাবে নিরব থাকে। এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে গুজরাট দাঙ্গা লাগানেরা পিছনের কিছু সংখ্যক মুসলিম দীর্ঘ পরিকল্পনা করে ছিল।

লিখেছেন শ্রী বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য 

আরো পড়ুন….