সকল ধর্মই কম বেশি ভয়ংকর এবং হিংসুটে। তবে ইসলামের হিংসুটে এবং ভয়ংকর আচরণ মাত্রাতিরিক্ত। তারা কারো ভালো সহ্য করতে পারে না। আরবি ভাষা ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য ভাষাকে মুসলিমরা ভাষায় মনে করে না। ইংরেজিকে তো একেবারেই না। ঠিক বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজ দেশের মাতৃভাষার চাইতে আরবিকে বেশি প্রাধান্য দেয়। তাই বাংলা নববর্ষকে তারা হারাম মনে করে। একইভাবে ইংরেজি নববর্ষ কেউ তারা হারাম মনে করে, তাই মোল্লারা বারবার এটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ইংরেজি নববর্ষ পালন না করার জন্য সবাইকে নিষেধ করা হচ্ছে। কিন্তু মুসলমানরা জানেনা হিংসা দিয়ে কখনো কাউকে দমন করা যায় না। মুসলমানরা যতই ইংরেজি ভাষা এবং তাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, ততই তাদের জনপ্রিয়তা এবং সফলতা বেড়ে যাচ্ছে।

ইংরেজি ভাষা এখন সারা পৃথিবীর দ্বিতীয় ভাষা, এবং পৃথিবীর একমাত্র অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ ইংরেজি। সারা পৃথিবীর মানুষ এখন ইংরেজিতে সাল গণনা করেই তাদের দিন শুরু করে। সারা পৃথিবীর মানুষ নিজ দেশের নতুন বছরের চাইতেও ইংরেজি নতুন বছরকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এমনকি কোন মোল্লা কেউ যদি জিজ্ঞেস কর হয়, আজকের তারিখ কত? সে চোখ বন্ধ করে বলে দেবে আজকে নতুন বছরের প্রথম দিন। যদি জিজ্ঞেস করা হয় আজকে আরবি কত তারিখ, তাহলে হয়তো সেটা সে বলতে পারবে না। শুধু মোল্লারা নয়, পৃথিবীর ৯৯ ভাগ মানুষই জানে না আজকে আরবি কয় তারিখ। আজ মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব সহ সবগুলো দেশে সরকারি ছুটি দেওয়া হয়েছে। মুসলমানদের জন্মভূমি সৌদি আরবেও ইংরেজিতে সাল গণনা করা হয়। মোল্লা মুসলিম ধর্মান্ধরা যতই তাদের বিরোধিতা করে ততই তারা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। এবং এগিয়ে যাবে।

নিষ্ঠার সাথে কাজ করলেই মানুষ এগিয়ে যাবে, এগিয়ে যাবে দেশ, এগিয়ে যাবে বিশ্ব। হিংসা দিয়ে কখনো কেউ এগোতে পারে না। আসুন হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করি। হারাম হালাল বলে কোন শব্দ নেই, হারাম, হালাল, ধর্ম সবকিছুই মানুষের তৈরি। মানুষই নিজেদের স্বার্থে ধর্ম তৈরি করেছে, আবার মানুষ চাইলেই সে ধর্মকে যে কোন সময় ছুড়ে ফেলে দিতে পারে। যেমন নাস্তিকরা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। ধর্মমুক্ত মানবিক এক পৃথিবীর প্রত্যয় নিয়ে।