হুমায়ূন আজাদ যার সঠিক মূল্যায়ন হয়নি, তারই কিছু উক্তি নিবেদন করলাম। কারন ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল পাকিস্তান এবং ভারত পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল। 
.
.
.
মুসলমান, যদিও বাঙালি, যাদের মানসিক ও শিক্ষাগত উন্নতি বিশেষ ঘটে নি, যারা এক সময় ‘আল্লাহু আকবর’, ‘নারায়ে তকবির’ – এ মেতে উঠতো, এক মুক্তিযুদ্ধেই তারা হয়ে উঠবে ধর্মনিরপেক্ষ?  
আমি শুনেছি পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে এসে যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, আক্রমণের সময় তাঁরা ‘আলি, আলি’, ‘আল্লাহু আকবর’ ব’লে ঝাঁপিয়ে পড়তেন ।
— হুমায়ুন  আজাদ
.
.
এখন বাঙলাদেশে ভারত বিদ্বেষ প্রবল, কেননা পাকিস্তান প্রেত চেপে আছে আমাদের ওপর, অশুভ প্রতিক্রিয়াশীলেরা প্রবল হয়ে উঠেছে বাঙলাদেশে, ঘাতক শত্রুদের শয্যায় এখন আমরা পুলকিত প্রমোদ রাত্রি যাপন করছি ।
—— হুমায়ুন  আজাদ
.
.
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলের প্রধান জেনারেল অরোরা হয়ে উঠেছিলেন আমাদের প্রিয় ব্যক্তি- জেনারেলরা যে প্রিয় হতে পারে তাই দেখিয়েছিলেন অরোরা, যাঁর নামের অর্থ মেরুপ্রভা, আর ঘৃণিত ছিলো নিয়াজি-ফরমান আলিরা। 
—— হুমায়ুন  আজাদ
.
.
.
.”… আমরা দুটি অসামান্য কর্মকান্ড গ্রহণ করেছি, যা দেশকে বদলে দেবে । 
আজকে আমাদের আন্দোলন ‘ভৈরব’ উপজেলার নাম বদলের; আগামীকাল আন্দোলন ‘শ্যামসিদ্ধি’ গ্রামের নাম বদলের; আমরা দুনিয়াকে খোলনলচেসহ বদলে দেবো । ভৈরব আর শ্যামসিদ্ধি দুটি নামই আমার ছেলেবেলা থেকে প্রিয়, কিন্তু তাতে কি;  ভৈরব আর শ্যামসিদ্ধি দুটিই পৌত্তলিক নাম, মালাউন নাম, এই নাম আমি আর মানতে পারি না, এটা শিরক; আর শ্যামসিদ্ধির ওই মঠটা, যেটিকে দূর থেকে একবার না দেখলে ছেলেবেলায় আমার ঘুম হতো না, ওটিকে আমার মনে হয় ইছলামের ওপর পাক স্তানের ওপর আমার দিলের ওপর একটা শরকির আঘাতের মতো, লাৎ মানৎ উজ্জা যেনো এখন কাবাঘর ছেড়ে এসে বাস করছে মঠটিতে- মঠটি ভেঙে একটি মসজিদ তৈরি করতে হবে;  ওখানে আমি একটি আল আকসা বা বায়তুল মোকাররাম দেখতে চাই ।…”
______________________________________
পাক  সার  জমিন  সাদ  বাদ
হুমায়ুন  আজাদ।।