আকবর দ্যা গ্রেট (প্রকৃত ইতিহাস) : [চতুর্থ পর্ব]
(শেয়ার অবশ্যই করবেন)
আকবরের মুসলিম শাহজাদা সুলভ কামুকতাঃ
পূর্বের পর…
…কিন্তু যদি কেউ কোন কুমারী যৌনদাসীকে তার বাড়ীতে নিয়ে যেতে চাইতেন তাহলে তাকে অবশ্যই আকবরের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হত।…সুন্দরী হিন্দু দুর্ভাগা স্বল্পবসনা যৌনদাসীদের নিয়ে কখনো কখনো আমীর উজিরদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যেত।…একবার আকবর তিনি নিজেই কয়েকজন সদ্য অপহরণ করে আনা কিশোরী যৌনদাসীদের ডাকলেন এবং তাদের জিজ্ঞাসা করলেন তোমাদের মধ্যে কে কুমারিত্ব ছেদন করতে চাও ???”
…এখন কথা হচ্ছে কীভাবে হাজার হাজার হিন্দু সম্ভ্রান্ত পরিবারের কিশোরী যৌনদাসী একই সময়ে জড়ো হবে ???…অবশ্যই সে সকল ভাগ্যহীনা নারীরা ছিল হিন্দু পরিবারের যারা যুদ্ধবন্দী অথবা তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের হত্যা করে, সহায় সম্পত্তি লুট করে এবং একে একে তাদের আশ্র্য়হীন নিঃস্ব করে দিয়ে কোরানে বর্ণিত ‘গণিমতের মাল’ হিসেবে জোর করে মুঘল হারেমের যৌনদাসী বানানো হত।
…হাজার হাজার যৌনদাসীরা সবাই হিন্দু ছিল।…কারন, সে সময় সকল মুসলিম রমণীদের পর্দার আড়ালে রাখা হত।…হারেমে স্বল্পবসনা করে তাদের নিশ্চয়ই রাখা হত না।…তাই এটা প্রমাণিত যে, তারা মুসলিম নারী ছিল না এবং আকবর তার গৌরবোজ্বল শাসনামলে সারাজীবনে লক্ষ লক্ষ নারীহত্যা ও হিন্দু নারী অপহরণ করেছিলেন।
…’আকবর নামা’তে আবুল ফজল আরও বলেছেন,…“যখন কোন উজির-ওমরাহ হারেম খানার (মুঘল রাজপ্রাসাদের বেশ্যালয়) কোন বেগমকে অথবা সভাসদগণের বা দালালদের নিজস্ব বিবিদের অথবা কোন কুমারী নারীকে উপভোগ করার ইচ্ছা-বাসনা করবে, তখন তাদেরকে মুঘল হারেমটির যে বিশেষ অংশে সেই নারী থাকে সেই অংশটি যার অধীনে বা তত্ত্বাবধানে আছে তার কাছে আর্জি পেশ করতে হবে।…তার পরে সেই আর্জি প্রাসাদের কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছুবে।…তাদের আর্জি মঞ্জুর হলেই হারেমের অন্দরমহলে প্রবেশের অনুমতি পাবে তারা এবং সেখানে তারা এক মাস পর্যন্ত সময় অতিবাহিত করতে পারবে।”
…তাহলে ভাবুন অবস্থাটা !…এখানে এটাই স্পষ্ট যে, ‘যোধা-আকবর’ সিনেমার যোধার ভালবাসার আকবর, তার সভাসদগনের স্ত্রীদেরও জোর করে উপভোগ করত মাসের পর মাস ধরে।…এ সব উদাহরণ দেয়া হচ্ছে আকবরের সেই পরগাছা ইতিহাসবিদের লেখা থেকে, কোন নিন্দুকের মিথ্যা অপবাদ থেকে নয়।
…রণথম্ভোর চুক্তির প্রথম শর্ত ছিল যে, আকবরের সেনা বন্দী শত্রু রাজপুত সৈনিকদের মুক্ত করে দেবে বিনিময়ে রাজপুতরা তাদের নারীদের বঁধুবেশে মুঘল হারেমে প্রেরণ করবে।…তাই অবাক হবার কিছু নেই যে যাদের আত্মমর্যাদা বোধ ছিল তাদের কাছে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যুই শ্রেয়তর মনে হবে।
…আকবর তার সভাসদ এবং দালালদের প্রতি দালালী (Griman) হিসেবে তাদের মধ্যে হিন্দু যৌনদাসী বিতরণ করত।…এভাবে আজকের ইসলামিক জেহাদি সংগঠন ISIS এর মত আকবর ও তার সেনার কাছেও বিধর্মী নারী নিছকই উপভোগের সামগ্রী ছিল।
…আকবরের শাসনামলে মিনা বাজার খুবই জনপ্রিয় ছিল।…যেখানে প্রতি নববর্ষের রাতে বিভিন্ন হিন্দু পরিবারের নারীদের হয় ফুসলিয়ে, প্রতারনা করে অথবা জোর পূর্বক জাঁহাপনার সম্মুখে হাজির করা হতো জোর করে হারেমে তাদের স্থান দিতে বেছে বেছে নেওয়ার জন্য।

(চলবে)

( – Writankar Das – )