বাংলার সংখ্যাগুরুর ভবিষ্যত
—————
বর্তমান বাংলায় দাড়িয়ে আমি যতদুর উপলব্ধি করতে পেরেছি পশ্চিম বাংলার হিন্দুদের রক্ষা স্বয়ং ভগবান ও করতে পারবেন না। কারন হিন্দু রা নিজেই চাই না তারা সুখে শান্তিতে মাথা উঁচু করে বাঁচুক।
লড়াই টা ক্রমে ক্রমে পরিষ্কার হতে চলেছে। সেই আদিম খেলা হিন্দু বনাম হিন্দু।
হিন্দু সংহতি বনাম বিজেপি তরজা আবার প্রকাশ্যে এসেছে।
এতে লাভ কার? লোকসান কার? এই দুটো জিনিস স্পস্ট বুঝতে হবে।
বিজেপি কি আদৌ হিন্দু সংহতির শত্রু???
যে দলের হিন্দু জাতিয়তাবাদ আদর্শ সেই দলের হিন্দুত্ব নিয়ে, গ্রহন যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় এখনো হয় নি বোধ হয়।
ভারতের মাটির। উপর দীর্ঘ ৬০বছর কংগ্রেস এবং বামপন্থার মত বিকারগ্রস্থ হিন্দু বিরোধী বিচার ধারা বয়ে গেছে। হিন্দু বিরোধী দাঙ্গা হয়েছে, আইন প্রনয়ন হয়েছে, হিন্দু দের উপর আমনাবিক অত্যাচারের সাক্ষী থেকেছে এদের কার্যকাল।
সেই দুরবস্থা কাটিয়ে আজ সমগ্র ভারতে গেরুয়া ধ্বজ স্বমহিমায় জ্বল জ্বল করছে এবং বিজেপি শাসিত সমগ্র রাজ্যে হিন্দুরা সুরক্ষিত হয়ে বসবাস করছে, এ কথা অনস্বীকার্য। 
কিন্তু বাংলার হিন্দু সমাজ বিপ্লবী সত্তাকে ভুলে গিয়ে, স্বাধীন স্বত্তা কে ভুলে গিয়ে পুনরায় রিফিউজি হওয়ার দিকে আগ্রসর হচ্ছে।
এ দায় আমাদের সবার।
আমরা কেউ কাউকে সহ্য করতে পারছি না। ফলে লক্ষ্যভ্রস্ট হচ্ছি।
অরাজনৈতিক সংগঠন রাজনৈতিক বক্তব্য দেবে না এটাই কাম্য।
ঘোষিত হিন্দু জাতিয়তাবাদী দল হিন্দু দের প্রতি দায়বদ্ধতা অস্বীকার করতে পারে না।
যদি কোন ব্যক্তির মনে হয় বিজেপি সঠিক রাস্তায় হাটছে না…. আসুন সমবেত হয়ে সঠিক রাস্তায় হিন্দু স্বার্থে পার্টিকে নিয়ে যায়। তার জন্য সিস্টেমের মধ্যে প্রবেশ করতে হবে। বাইরে থেকে বললে চলবে??
আর যাই হোক হিন্দুত্ববাদী তকমা নিয়ে তৃনমুলের মত হিন্দু বিরোধী দল কে ভোট দিতে উৎসাহ দেওয়া মানে হিন্দু দের ভবিষ্যত নস্ট করা।
শরীর খারাপ হলে শরীরের চিকিৎসা করা হয় শেষ  দিন অব্দি, প্রথম দিন  অচ্ছুত বলে নিজেকে শশ্মানে সমর্পন করে আসি না।
বাংলার হিন্দুত্ববাদী যুব সমাজ আজ ভ্রমিত,দিকভ্রান্ত , ভারাক্রান্ত।
দেশে অনেক গুলি  ব্যক্তি কেন্দ্রিক দল বিদ্যমান। বিভিন্ন রাজ্যে তারা রাজত্ব করছে। সবাই অল্প বিস্তর মুসলিম তোষনকারী।
কিন্তু তৃনমুলের মত প্রখর হিন্দু বিদ্বেষী তারা নয়।
তৃনমুলের হিন্দু বিদ্বেষ এর উদাহরন চেয়ে দয়া করে লজ্জা দেবেন না।
সারা দেশের জনগন বিরধী দের ইচ্চাকৃত তৈরী গুটিকয়েক ছবি,  নিউজ লিংকে বিশ্বাস করে না তাই দু হাত তুলে আশীর্বাদ দিয়েছেন মোদি জী কে।
এখনো সময় আছে…. আমরা যদি সত্যি সত্যি হিন্দুত্বের পক্ষে লড়াই করছি তাহলে অবিলম্বে নিজেদের ঘরোয়া দ্বন্ধ দূর করতে হবে।
নইলে সমস্ত দায় আমাদের…. সমস্ত হিন্দু সমাজের।