🔴কিছু ষড়যন্ত্র যা ভারতবর্ষের ক্রীড়া জগতে অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে গেছে … যার রেশ আমরা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি 🔴                           

                              
নীচের ছবিটি ভারতীয় ফুটবল টিমের ১৯৪৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকের।
স্বাধীন ভারতের ফুটবল টিমের এতো টাকা ছিলো না যে তারা জুতো কিনতে পারবে।
কিছু খেলোয়াড় মোজা পড়ে এবং বাকিরা খালি পায়ে ফুটবল খেলতে নামে।
এটা সেই সময়ের কথা যখন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর বাড়ির জামাকাপড় dry clean করাতে প্যারিসে পাঠানো হতো।
যখন এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান থেকে নেহরু জি এডবিনাকে প্রেমপত্র পাঠাতো।
প্রথম ম্যাচে ভারত ফ্রান্সের সাথে ১-১ একের সমতা রাখে। শেষ মিনিটের গোলে ভারত হেরে যায়।
দুর্ধর্ষ খেলার জন্য ভারতীয় খেলোয়াড়দের দর্শকাসন থেকে  standing ovation দেওয়া হয়।
এরপর ১৯৫০ সালে ব্রাজিলে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবলের জন্য দল যোগ্যতা  অর্জন করে।
কিন্তু শেষ সময়ে দলকে পাঠাতে প্রত্যাখ্যান করা হয়।
দেশকে জানানো হয় যে ফিফা খালি পায়ে ফুটবল খেলা নিষিদ্ধ করেছে।
আয়োজকদের বলা হয়েছিল যে ভারত দরিদ্র দেশ, ফ্রান্সে আসার মতো আমাদের কাছে টাকা নেই।
ফিফা কর্তৃপক্ষের থেকে জানানো হয় যে ভারত প্রতিভাবান দেশ, তারা চায় ভারত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করুক।
ফিফা কর্তৃপক্ষ ভারতীয় ফুটবল টিমের প্রত্যেক খেলোয়াড়দের যাওয়া আসা এবং থাকা খাওয়ার খরচ তাদের পক্ষ থেকে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।
তা সত্বেও নেহরুজির সরকার দল পাঠালো না। (তখন অ্যাসোসিয়েশন সরকারের অধীনে ছিলো)
ওয়ার্ল্ড কাপের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত দলের মনোবল পুরোপুরি ভেঙে গেলো।
সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত ভারত আর কোনদিনই ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।

এরপরেও ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের খেলতে জুতো দেওয়া হয়েনি।
ওই সময় ভারতীয় দলের অধিনায়ক
#শৈলেন্দ্রনাথ_মান্না কে ওয়ার্ল্ডের TOP 10 অধিনায়কের মধ্যে গোনা হতো।
কয়েকবছর পরে উনি ভারতীয় দলের সাথে ঘটে যাওয়া এই প্রতারণার গল্প জানিয়েদেন।

আজ ভারতের সাতটি প্রধান ফুটবল স্টেডিয়ামের মধ্যে তিনটি চাচা নেহরুর নামে এবং একটি উনার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীর নামে।

গত বছর ভারতে যখন ফিফা অনূর্ধ্ব-17 বিশ্বকাপ ঘটেছিল তখন বিদেশী খেলোয়াড়রা ভেবেছিল যে জওয়ালাল নেহরু হয়তো দেশের অনেক বড় খেলোয়াড়।
আজ 70 বছর পরে দেশের আসল সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার শৈলেন্দ্রনাথ মান্নাকে কেউ চেনে না।