প্যারিস মানেই আমাদের মনে একটা কি সুন্দর ছবি ভেসে উঠে আসে। সুন্দর শহর, আধুনিক লোকজন, শিল্প কলায় অসামান্য কীর্তি, সবেতেই যেন একটা আর্ট আর্ট ব্যাপার।
এই সুন্দর সজ্জার আড়ালে লুকিয়ে আছে ফ্রান্সের রাষ্ট্র নায়ক দের জঘন্যতম কীর্তি।
:::::::::::::::::::::::::
২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসে শার্লি  হেব্দ র দপ্তরে গুলি চালিয়ে ১৭ জন কে মেরে ফেলা হয়, অপরাধ তারা মহম্মদ এর কার্টুন এঁকেছিল।
ওই বছরেই নভেম্বর মাসে সিরিয়াল ব্লাস্ট এ ১৩০ জন মারা যান, স্টেডিয়াম সহ বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটে।
২০১৬ সালে আইসিস জঙ্গির হাতে প্রাণ হারান এক পুলিশ অফিসার ও তার স্ত্রী।
২০১৮ সালের জুলাই মাসে বাস্তিল দিবসে ট্রাক চাপা দিয়ে দক্ষিণ ফ্রান্সের নিস শহরে ৮৬ জন কে মারা হয়।
২০১৮ সালের মার্চ মাসে আইসিস জঙ্গির হাতে প্রাণ হারান ৪ জন ফরাসি নাগরিক।
এরকম প্রচুর ঘটনা আছে, শেষ হবে না, এবার ফ্রান্সের রাষ্ট্র নায়ক দের ভূমিকা দেখে নেওয়া যাক।
:::::::::::::::::::::::::::
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, পি এল ও, হামাস সহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন  এর নেতারা ইসরায়েল এর ভয়ে ফ্রান্সে নিশ্চিত আশ্রয়ে থাকত।
২০০৪ সালে ইয়াসির আরাফাত যখন বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত, ফ্রান্সের মিলিটারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা হয়।
১৯৬৪ সালে আরব ইসরায়েল এর যুদ্ধের সময় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি চার্লস  দ্যা গল মিরাজ বিমানের অ্যাডভান্স নিয়েও ইসরায়েল কে বিমান দেয় নি।
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর এর এক নেতা, মহম্মদ হামসারী, মিউনিখ অলিম্পিক এর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড প্যারিস এ বসবাস করছিল, পরে মোসাদ এর এজেন্ট রা মেরে দেয়।
পি এফ এল পি বলে এক সংগঠন এর নেতা বাশিল আল কুবাইরি কে প্যারিসে মেরে দেয় মোসাদ এর এজেন্ট রা।
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর এর আর এক জঙ্গি নেতা মহম্মদ বউদিয়া ফ্রান্সেই নিশ্চিন্তে বসবাস করছিল। ১৯৭৩ সালে এর পরমায়ু মোসাদ এর হাতেই শেষ হয়ে যায়।
ইয়াহিয়া আল মাসাদ নামক এক মিশরের নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানী কে প্যারিসে মেরে দেওয়া হয়।
ইরাকের সাদ্দাম হোসেন যখন নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর বানানোর পরিকল্পনা করে তখন কোন দেশ তাদের টেকনোলজি দিতে চায়নি, কিন্তু ফ্রান্স একমাত্র দেশ যারা সেই সময় ইরাক কে nuclear reactor er technology সাথেসাথে তার জ্বালানি সরবরাহ করার দ্বায়িত্ব নেয়। পরে অবশ্য ইসরায়েল  airstrike করে Nuclear Reactor er ধ্বংস করে দেয়।
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

আফ্রিকা সহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইসলামের অনুগামী রা ফ্রান্স এ বসবাস করছে, এটা ওখানকার সরকারী মদত ছাড়া অসম্ভব। শুনলে চমকে যাবেন ওখানকার রাষ্ট্র নায়ক রাও দুর্নীতি গ্রস্ত, অর্থলোভী, নারীসঙ্গ এ আসক্ত।
যার মূল্য ওদেশের সাধারণ নাগরিক কে দিতে হচ্ছে। ফ্রান্স সিরিয়ায় বোম্বিং করুক আর আফগান এ ট্রুপ পাঠাক, ওদেশের বেশ কিছুটা অংশ এখন হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে।
Jayanta Maji