মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস :

Spread the love
মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক শিখ গুরু তেগ বাহাদুর ও তার তিন শিষ্যকে হত্যার নৃশংস ইতিহাস :
মুসলমান শাসকরা যেমন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করেছে, তেমনি অত্যাচার করেছে- শিখ, জৈন ও বৌদ্ধদের উপরও। আজ আপনাদের শোনাবো মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কর্তৃক চারজন জন শিখ গুরুর উপর নৃশংস অত্যাচারের ফলে তাদের মৃত্যু বরণের কাহিনী। এই গুরুদের প্রতি আমার অশেষ শ্রদ্ধার কারণ, হিন্দুদের উপর মুসলমানদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়েই এরা রাজ রোষের শিকার হন এবং মৃত্যু বরণ করেন।

ঔরঙ্গজেব (বাংলাদেশে বলে আওরঙ্গজেব) তার শাসন কালে কাশ্মিরের হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর জন্য জঘন্য অত্যাচার শুরু করে। সেই সময় শিখদের সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর, এর প্রতিবাদ করেন। এই অপরাধে, ঔরঙ্গেজেব, তেগ বাহাদুর এবং তার তিন জন প্রিয় ও প্রধান শিষ্যকে বন্দী ক’রে, পশুর মতো খাঁচায় ভ’রে, তাদেরকে দিল্লি নিয়ে আসে।
প্রথমে তিন শিষ্যকে ইসলাম গ্রহন করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তিনজনই মুসলমান হতে অস্বীকার করে। বাদশাহর হুকুম অমান্য করার অপরাধে তাদের জন্য শাস্তি ঘোষণা করা হয়। শাস্তিটা হলো, তিন জনেরই মৃত্যুদণ্ড; কিন্তু মৃত্যুগুলো হবে আলাদা আলাদা ভাবে এবং যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে ও যন্ত্রণা দেওয়ার মাধ্যমে। যাতে একজনের শাস্তি ও যন্ত্রণা দেখে ভয় পেয়ে অপরজন ইসলামকে স্বীকার করে নিয়ে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়। সেজন্য  অপর তিনজনের সামনে, তিন শিষ্যের এক জন, মতিদাসকে, গাছ কাটার বা কাঠ চেরাই করার করাত দিয়ে দুই উরুর সন্ধিস্থল থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত চিরে ফেলার আদেশ দেওয়া হয়।
মতিদাসকে ঠিক এই ভাবে প্রায় আধাঘন্টা যাবৎ তিলে তিলে যন্ত্রণা দিয়ে করাত দিয়ে চিরে দুই ভাগ করা হয়। অপর তিনজনের সামনে মতিদাস এইরকম নৃশংসভাবে মৃত্যু বরণ করে।
ঝিকে মারার পর বউ শিক্ষা নিলো কি না, এটা বোঝার জন্য অপর তিনজনকে আবারও ইসলাম গ্রহন করে প্রাণ বাঁচানোর কথা বলা হয়। তারা তিনজন আবারও মুসলমান হয়ে বাঁচতে অস্বীকার করে। তাই আরেক শিষ্য দিয়ালাকে গরম জলে সিদ্ধ করে মারার আদেশ দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিশাল হাড়ি আনা হয় এবং বড় উনুন তৈরি করে তাতে আগুন জ্বালানো হয়। সেই উনুনে হাঁড়ি চড়িয়ে তাতে জল ঢালা হয় এবং সেই জলে দিয়ালাকে তুলে দিয়ে উনুনে আগুন দেওয়া হয়। জল আস্তে আস্তে গরম হতে থাকে, আর দিয়ালার যন্ত্রণা বাড়তে থাকে। তবু সে ইসলাম গ্রহণ করে জীবন বাঁচাতে রাজী হয় নি। প্রায় ১ ঘন্টা ব্যাপী গরম জলে সিদ্ধ হয়ে দিয়ালা প্রাণত্যাগ করে।
যা হোক, দুই কাফেরকে এভাবে হত্যা করার পর, আবার অপর দুইজনকে ইসলাম গ্রহণ করে প্রাণ বাঁচানোর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও তারা মুসলমান হতে অস্বীকার করে। তাই তৃতীয় শিষ্যকে আগুনে পুড়িয়ে মারার হুকুম দেওয়া হয়। কিন্তু এই আগুনে পোড়ানোতেও ছিলো যথেষ্ট ভেরিয়েশন। এক মিনিটেই যে কারো মৃত্যু ঘটানো যায়। কিন্তু সেটা মুসলমানদের ভালো লাগে না। মুসলমানরা চায় কাফেরদের মৃত্যু যেন ধীরে ধীরে হয় এবং সেটা যেন হয় যতটা সম্ভব বেশি যন্ত্রণাদায়ক। কাফের হিন্দুদের এই মৃত্যু ছিলো আবার অনেক মুসলিম শাসকের কাছে খেলা বা বিনোদনের মতো, তাই যারা মৃত্যুদণ্ড বাস্তবায়নের প্ল্যান করতো, তাদেরকে সম্রাটের এই বিনোদনের ব্যাপারটাকেও মাথায় রাখতে হতো এবং প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা যাতে আলাদা আলাদা ভাবে হয়, সেদিকেও তাদের খেয়াল রাখতে হতো। তো তৃতীয় শিষ্যকে প্রথমে জ্বালানি তেলের মধ্যে চুবানো হলো এবং তারপর তাকে তুলার মধ্যে গড়াগড়ি দেওয়ানো হলো। এরপর তার গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হলো। তুলা আর তেলের সাথে আগুন, মূহূর্তেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো। পুড়ে কয়লা হয়ে তৃতীয় শিষ্যের মৃত্যু হলো।
গাছের গোড়া কাটার পূর্বে, গাছের ডালপালাগুলো আগে কাটা বা ছাঁটা হয়। এর কারণ হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত যদি দেখা যায় যে, মূল গাছ কোনো উপকারে লাগবে বা কোনো কারণে কাঠুরের মন যদি পরিবর্তন হয়, তাহলে গাছটিকে যেন রেখে দেওয়া যায়। তিন প্রিয় শিষ্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে ঔরঙ্গজেব বুঝতে চাইছিলো, সপ্তম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুরের মনের কোনো পরিবর্তন হলো কিনা বা সে ইসলামের কোনো উপকারে লাগবে কি না ?  কারণ, গুরুকে যদি ইসলাম গ্রহন করানো যায়, তাহলে গুরুর শিষ্যদের পথে আনতে কতক্ষণ ? তিন শিষ্যের নৃশংস মৃত্যু চোখের সামনে দেখার পর,  ইসলামকে স্বীকার করে সে নিজের জীবন বাঁচাতে ইচ্ছুক কি না, গুরু তেগ বাহাদুরকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো রাক্ষস সম্রাট, ঔরঙ্গজেব। গুরু বললেন, না। রাগে-ক্ষোভে উত্তেজিত সম্রাট সঙ্গে সঙ্গে তেগ বাহাদুরকে শিরোশ্ছেদ করার হুকুম দিলো। যেহেতু এখন আর কাউকে ভয় দেখানোর প্রয়োজন নেই, সেহেতু তেগ বাহাদুরের মৃত্যুর জন্য আলাদা কোনো পরিকল্পনার প্রয়োজন পড়লো না। তরোয়ালের এক কোপে তেগ বাহাদুরের মাথা কেটে ফেলা হলো। মৃত্যু বরণ করলেন শিখদের নবম গুরু, গুরু তেগ বাহাদুর।  
মুসলমানরা কেনো কাফেরদেরকে এরকম নৃশংস যন্ত্রণা দিয়ে মারে ? এই শিক্ষা এরা কোথা থেকে পেলো ? মৃত্যু তো মৃত্যুই, এরজন্য এত আয়োজনের দরকার কী ? আর তা সবার সামনেই বা কার্যকর করতে হবে কেনো ? এই প্রশ্নগুলো অনেকের মাথায় আসতে পারে। সেজন্য তার জবাবটা এখানে দিয়ে দিই। মুসলমানদের সকল আচরণ ও তার ব্যাখা খুঁজে পাওয়া যাবে, ওদের নবী মুহম্মদের জীবনীতে।
একবার উকল গোত্রের ৮ জন ইহুদি এসে মুহম্মদের কাছে ইসলাম গ্রহন করে। তারা কিছুটা অসুস্থ ছিলো। তাই মুহম্মদ, তাদেরকে উটের মূত্র পান করার পরামর্শ দেয় এবং একটি উটের আস্তাবলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। কয়েকদিন পর তারা সুস্থ হলে, আস্তাবলের এক কর্মচারীকে খুন করে কয়েকটি উট নিয়ে পালিয়ে যায়। এটা চোরের উপর বাটপারি  ছিলো না, ছিলো বাটপারের উপর চুরি। সঙ্গে সঙ্গে মুহম্মদের বাহিনী গিয়ে তাদের ধরে আনে। এরপর মুহম্মদ, একটি লোহার রড গরম করে তাদের প্রত্যেকের চোখে ঢুকিয়ে তাদের অন্ধ করে দেয়, তারপর একে একে তাদের হাত পা কেটে মরুভূমির বালির মধ্যে ফেলে রাখে। জলতৃষ্ণায় এবং রক্তক্ষরণে ধীরে ধীরে তাদের মৃত্যু হয়। তাদের অপরাধ ছিলো এক জনকে খুন করে উট চুরি করে পালানো। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ডও হয়, তাহলেও তা কেনো এইভাবে  কার্যকর করতে হবে ? এইভাবেই কার্যকর করতে হবে, কারণ, তাতে মুসলমানদের নৃশংসতা সম্পর্কে লোকজন জানবে এবং মুসলমানদেরকে সবাই ভয় পাবে। এজন্যই শরিয়া আইনের আওতায় সকল শাস্তি প্রকাশ্যে জনসম্মুখে দেওয়া হয়, সেটা পাথর ছুঁড়ে হত্যা ই হোক, বা বেত মারা ই হোক বা শিরোচ্ছেদ হোক।
যা হোক, আবার মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি। এই চার শিখ গুরুর বলিদান, নিজের জন্য বা শিখদের জন্য ছিলো না; পুর্বেই উল্লেখ করেছি, কাশ্মিরি হিন্দুদের উপর ঔরঙ্গজেবের অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তারা ঔরঙ্গজেবের রোষের শিকার হন এবং মৃত্যুকে বরণ করেন। তাই এঁদের প্রতি আমাদের হিন্দুদের অশেষ শ্রদ্ধা রাখা উচিত, সেই সাথে  হিন্দু ও শিখ, উভয় সম্প্রদায়ের লোকজনেরই সর্বদা মনে রাখা উচিত যে, মুসলমান শাসকদের দ্বারা তাদের পূর্বপুরুষরা কিভাবে নির্যাতিত হয়েছিলো।
নিকট অতীত, ১৯৪৬ সালেও, কোলকাতার ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে এর সময়, কোলকাতার হিন্দুদের রক্ষা করতে বীর গোপাল পাঁঠা যে বাহিনী তৈরি করে, তাতেও শিখ যুবকরা ছিলো হিন্দু যুবকদের প্রায় সমসংখ্যায় এবং এই শিখদেরকে মুসলমানরা কীরকম ভয় পেতো এবং শিখদের কারণে হিন্দুরা কীরকমভাবে রক্ষা পেয়েছে, ১৯৪৬ সালের নোয়াখালির হিন্দু নিধন যজ্ঞের অসংখ্য ঘটনা থেকে, এই পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক বলে একটি মাত্র একটি ঘটনার উল্লেখ করছি।
নোয়খালিতে গণহারে প্রায় সব হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিলো, সেইসব অসংখ্য ঘটনা থেকে, নোয়াখালির হাজিগঞ্জ থেকে উদ্ধার পাওয়া  এক যুবকের কাছ থেকে জানা গেছে নিচের এই ঘটনাটি। শুনুন তার মুখেই: “ওরা বললো, আমাদের বাড়ির মেয়েদের ওদের সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে। আমার মামাতো বোন দেখতে খুব সুন্দরী ছিলো। দেখলাম অনেকেরই চোখ ওর দিকে। গ্রামের মুসলিম লীগ প্রেসিডেন্ট, মামার কাছে ওকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলো। মামারও না বলার কোনো উপায় ছিলো না। যে বিয়ে করতে চায় তার বয়স তখন ষাট, আমার মামাতো বোনের পনেরো। আমরা সবাই মিলে অনেক পরামর্শ করার পর ঠিক হলো আমিই আমার মামাতো বোনকে বিয়ে করবো। সেই মতো মৌলভীকে জানালাম যে, ইসলাম ধর্মে তো মামাতো বোনকে বিয়ে করার বিধান আছে, এবং আমরা সবাই মুসলমান হয়ে গেছি, তাই আমি ই আমার মামাতো বোনকে বিয়ে করতে চাই। ভাগ্যগুনে উনি রাজি হয়ে গেলেন। সাত দিন আমরা স্বামী- স্ত্রীর অভিনয় করলাম। পরে মিলিটারি এসে আমাদের উদ্ধার করে।”
নিচের এই ঘটনাটিও উপরের এই যুবকেরই বর্ণনা করা, যে তার মামাতো বোনকে বিয়ে করার অভিনয় করে মুসলমানদের চোখে ধুলা দিয়ে তার মামাতো বোনকে রক্ষা করেছিলো। আবারও উল্লেখ করছি তার বয়ানেই : “আমরা তো মুসলমান হয়ে গেলাম। ওরা বললো, তোমরা মুসলমান হয়ে গেছো ঠিকই, কিন্তু গরুর গোশত তো খাও নি ? তবে তোমাদের গরুর গোশত খাওয়ার অভ্যাস যেহেতু নেই, তাই আগে আমরা এক সাথে সিন্নি খাবো, তারপর গোশত খাবো। এরপর আমরা প্রায় দুই হাজার লোক এক সাথে সিন্নি খেতে বসেছি। এমন সময় কে এসে খবর দিলো, শিখ এসেছে। পূর্ব বাংলার মুসলমানরা শিখদের খুব ভয় পেতো। বিশেষ করে কলকাতা দাঙ্গার সময়  শিখরা যে বিক্রম দেখিয়েছিলো, সে কথা তখন গ্রামে গ্রঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছিলো। তাই শিখ আসছে শুনলেই মুসলমানরা ” আল্লা হো আকবর” ধ্বনি দিয়ে অন্যান্য মুসলমান গ্রামগুলিকে সতর্ক করার জন্য পালিয়ে যেতো। যাই হোক, সেদিনও শিখ আসছে শুনেই মুসলমানরা বলতে শুরু করলো, তোমরা কেউ মুসলমান হও নি। তোমরা সব হিন্দুই আছো। তারপর দিলো সবাই দৌড়। আসলে হয়েছিলো কি, চৌমুহনী স্টেশনে এক ওয়াগন লোহার রড এসেছিলো। পূর্ব বাংলার লোকেরা লোহার রডকে বলে শিক। সেই কথাটাই মুখে মুখে রটে যায় যে, শিখ এসেছে।
১৯৪৬ সালে এইরকম বিক্রম দেখিয়েছিলো শিখরা এবং তারা মুসলমানদের চোখে ছিলো এই রকমের ত্রাস । এর মূল কারণ হলো, শিখদের শক্তিচর্চা, যে শক্তির চর্চা হিন্দুদের মধ্যে নেই।
শুরু থেকেই তরবারি শিখদের সংস্কৃতির একটি অঙ্গ। আর এই তরবারি হলো শক্তির প্রতীক। মুসলিম শাসনামলেই শিখ ধর্মের উদ্ভব এবং মুসলমানদের থেকে আত্মরক্ষা করার জন্য নারী, পুরুষ প্রত্যেক শিখের সবসময় একটি তরবারি বহন বাধ্যতামূলক। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে শিখরা এখন আর মুসলিম শাসনামলের মতো ততটা অনিরাপদ নয়, তবুও সংস্কারবশত, শুনেছি, প্রত্যেকটা শিখ স্মৃতি হিসেবে ছোট একটি তরোয়াল সবসময় তাদের সাথে রাখে, কেউ কেউ বড় তরোয়ালও রাখে।
শিখদের মতো শক্তির চর্চা হিন্দুদের মধ্যে নেই বলেই, হিন্দুদেরকে মুসলমানরা যখন খুশি, যেভাবে খুশি, ইচ্ছে মতো মারতে পারে, কাটতে পারে, হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করতে পারে, তাদেরকে অপহরণ করতে পারে, জোর করে মুসলমান বানাতে পারে,  হিন্দুদের ধন-সম্পত্তি লুঠপাট করতে পারে, জমি-জমা কেড়ে নিয়ে দেশ থেকে বিড়াড়িত করতে পারে, আবার এই সবকিছু করার কথা আরাম করে বসে ভাবতেও পারে! কিন্তু শিখদের মতো প্রত্যেকটি হিন্দুর সাথে যদি একটি করে তরবারি না হোক, সবজি কাটার ছুরিও থাকে, তাহলে কি মুসলমানরা এই রকম কথা ভাবতে  পারবে, না হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করার সাহস দেখাতে পারবে ?
এখন সময় এসেছে- অহিংসা পরম ধর্ম বা জীবহত্যা মহাপাপ- এসব পুরোনো ও প্রচলিত সংস্কার ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে যুগোপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার। কারণ, এছাড়া বাঙালি হিন্দুদের আত্মরক্ষা বা টিকে থাকার আর অন্য কোনো উপায় নেই।
সৌজন্যে… শ্রী Uttam Kumar Das…