Saturday, September 18, 2021
Home Bangla Blog পাকিস্তানের গবেষনার কেন্দ্রস্হ হল কাশ্মী্র । বাংলাদেশের পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম ।

পাকিস্তানের গবেষনার কেন্দ্রস্হ হল কাশ্মী্র । বাংলাদেশের পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম ।

                 ১৯৫২ সালের পর পাকিস্তান যে দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে চলেছিল , বাংলাদেশ উত্তরাধীকার সুত্রে পাওয়া সেই নীতি নিয়েই ভারতের সাথে ৪৫ বছর ধরে ভারতের সাবেকী সমাজকে ধ্বংসের খেলায় লিপ্ত হয়ে আছে । পাকিস্তানের গবেষনার কেন্দ্রস্হ হল কাশ্মী্র । বাংলাদেশের পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম । বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকেই তার জনসংখ্যাকে সবসময় কমিয়ে দেখিয়ে এসেছে । এর প্রধান কারন হল সংখ্যালঘু হিন্দুর সংখ্যা ৪% মধ্যে কমিয়ে আনা । ১৯৬৫ সালে হিন্দু জনসঙ্খ্যা ছিল ২৪% আজ সেখানে এসে দারিয়েছে মাত্র ৮% । প্রকাশ্য দিবালকে ১৬% সংখ্যালঘু মানুষকে বিশ্ববাসীর চোখের সামনে থেকে গায়েব করে দেওয়া সেটা পাকিস্তানের সমতুল এই বর্বর দেশের পক্ষেই সম্ভ ।এই কয়েক কোটি বিপুল জনসম্পদ কোথায় গেল তার উত্তর শেখ হাসিনা , তার বাবা , জেনারেল এরসাদ , জিয়াউর রহমান , খালেদা জিয়া ভারতবাসী এমনকি বিশ্ববাসীকে দেবার প্রয়োজন মনে করেনি । ভারতের পক্ষথেকেও তার জবাব চাওয়া হয়নি । শুধু হিন্দু নয় , শুয়রের পাল বা গিনিপিগের মত জন্ম নেওয়া কয়েক কোটি মুসলমানকে একই কায়দায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে মায়ানমার ও ভারতে । লক্ষ নিজের জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রনে রাখা , কৃষিভুমিকে চাপমুক্ত রাখা , মানবশ্রমকে সঠিকভাবে বন্টন করা । বাংলাদেশ জানে তার অর্থনীতি দুটো বিষয়ের উপর নির্ভরশীল । এক রেদিমেড গারমেন্ট সেলাই ,  অপরটি আরবে কাজের জন্য মানুষ রপ্তানী । ভারত বা মায়ানমার বাঁচল কি মড়লো , কি গোল্লায় গেল তাদের দেখার দরকার নেই । আল্লার নামে ঢুকিয়ে দিয়েছি আল্লা ওদের রক্ষা করবে ।হিন্দু বৌদ্ধদের বাংলাদেশে থাকার অধিকার নেই ।ভুমিপুত্র হলেও না । পশ্চিমবংগ-আসাম থেকে মায়ানমার  হয়ে ফিলিপাইন ,মালয়েশিয়া পর্যন্ত দক্ষিন এশিয়ার বিস্তৃণ্ অঞ্চলে খিলাফতি মুভমেন্টকে জোরদার করে খলিফাতন্ত্রের নব্য পিঠস্তান বানান  অবশ্যই বাংলাদেশের প্রধান উদ্দেশ্য । আরব , তুরস্কের টাকা , বাংলাদেশের জিহাদী জনবল , মালয়েশিয়া ও ফিলিপিনসের রসদ ও আত্মগোপন করার সুবর্ণ সুজোগ বাংলাদেশের সামনে দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় ইস্লামি নেতা হবার সৌভাগ্যের দরজা খুলে দিয়েছে ।আজ বিশ্বকে মানবতা আর ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ শেখাচ্ছেন শেখ হাসিনা ।বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকে হিন্দুদের প্রতি ব্যবহার কমবেশি একইরকম আছে ।সন্দেহ , অত্যাচার তো আছেই নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দেবার অধিকারটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন হিন্দুরা । দেশের প্রধান বিচারপতি যেহেতু হিন্দু তাকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে ।সামান্য অজুহাতে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে কান ধরে ওঠবোস করান হচ্ছে । ভিটেমাটি ছারা তো চলছেই । সেজের নামে হাজার হাজার বিঘে হিন্দু জমি অধিগ্রহন ও জবর দখল হচ্ছে ।সাওতালদের জমিতে জোর করে রহিংগাদের বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে । মালাউন বলে তাদের বিরুদ্ধে হিংস্র রহিংগাদের লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে । মোল্লা , মৌলবি , ইমাম , পীর , হুজুররা মসজিদ থেকে , মাদ্রাসা থেকে ক্রমাগত উস্কানিতে হিন্দু , বৌদ্ধ , খৃষ্টানদের জীবন অসহনীয় করে তুলেছে ।
           এত সব হওয়ার পরও হিন্দুরা চুপ কেন ? এই প্রশ্ন থেকে যায় কোন দেশী বিদেশী সাংবাদিকের সামনে , কোন মানবাধীকার তদন্তের সামনে কখনো কোন হিন্দু একক ভাবে বা দলদবদ্ধ মুখ খলে না এই কারনেই যে সে বা তার গ্রাম সরাসরি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চলে যাবে ।পরিনামে তাদের নিদারুন অত্যাচারিত হয়ে ভিটেমাটি ছাড়তে হবে , ধর্মান্তরিত হতে হবে , বৌ , মেয়েরা বাপ মা শ্বশুর শাশুড়ীর সামনে গনধর্ষিত , গন লাঞ্ছিত হবে । বাচ্চা মেয়েরা বলাৎকারের শিকার হবেই , অন্তসত্ত্বা বধুর গর্ভনাশ করা হবে । একটা কথাও মিডিয়ায় আসবে না । আর দালাল হিন্দুরা ত আছেই ।পুরুষদের সাহাজ্য করার জন্য মুসলমান মহিলা বাচ্চাকাচ্চারা কেরাসিনের জার , হাসুয়া , লাঠিসটা নিয়ে বেরিয়ে পরবে ।
               শেখ হাসিনা চারলাক্ষ রহিংগা স্বরনা্রথীর জন্য দিনরাত এক্ করে ফেলাছেন ।মায়ানমারের সাথে এক অঘোষিত যুদ্ধ ঘসনা করে দিয়েছেন । দেশের তাবৎ নেতা মন্ত্রী , ইমাম , হুজুররা , ইন্টেলুকচুয়ালরা বিশ্বের সমস্ত মুসলিম দেশের সাথে জনসংযোগে নেমে পরেছে ।উদ্দেশ্য ভারতের উপর চাপ সৃস্টি করে রহিংগার বোঝা বওহান ।আখাইন প্রদেশে হিন্দুদের উপর ব্যাপক গনহত্যা চালিয়েছে রহিংগা মুস্লিম্রা ।সেটা বার্মি সেনার উপর দোষ চাপিয়ে ভারতে হিন্দু সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগানোর চেস্টা করছেন । যাতে হিন্দুদের সাথে সাথে রহিংগা মুসলিমদের ভারতে ডুকিয়ে দেওয়া যায় ।কলকাতায় মিটিং মিছিল চলছে ডান , বাম , অতিভাম মুসলিম সংগঠনগুলি পথে নেমে পরেছে , সাথে আছে আমরা বাংগালি ।বার্মা কন্সুলেটের সামনে উগ্র বিক্ষোভ দেখিয়েছে । গায়েন বায়েনরা হিন্দু মুসলিম ঐক্যের পরকাষ্ঠা দেখিয়ে কলকাতার রাজপথে গরু খেয়ে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি দেখিয়েছে ।বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের কথা বললে সেটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে পাশ কাটাচ্ছে । বর্তমান ভারত সরকার সতর্ক থাকলেও পশ্চিমবংগের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল মুসলিম রহিংগাদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভেদের রাজনীতি করার চেষ্টা করছে  ।
          বাংলাদেশকে কিছুতেই একটা গনতান্ত্রিক দেশ বলা চলে না । মৌলবাদ নিয়ন্ত্রিত একটা সরকারি ব্যবস্তা মাত্র ।যত দিন না তাদের পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধন করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ গনতান্ত্রিক দেশ হিসাবে ঘোষনা না করছে ততোদিন বিশ্বের কোন গনতান্ত্রিকদেশই বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়াবে না ।রহিংগা ইসুতে সেভাবে বাংলাদেশ বিশ্বনেত্রীত্বের সমর্থন পায়নি ডোল খয়রাতি দান পেয়েছে মাত্র , বিশ্বের গনতান্ত্রিক সচেতন মানুষ জানে গত চল্লিশ বছর ধরে তিন কোটি বাংলাদেশী মানুষকে ভারত পুষছে ।একলাক্ষ রহিংগা মুসলমান ভারতে ঢুকেছে । কোথায় আরাকানের দুর্গম রাখাইন আর কোথায় ভারতের কাশ্মীর , কেরালা , হায়দরাবাদ । রাতের অন্ধকারে এই সারে তিনহাজার চারহাজার মাইল পথ তারা পেরল কেমন করে এই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে মনে জাগে ।এই রুটের পেল কি করে এর প্রমোটার কারা ? ৩৭০ ধারা লাগু আছে কাশ্মীরে সেখানে তারা ২০১২ সাল থেকে স্তায়িভাবে বসবাস করছে কিভাবে ?
           মুসলিম রহিংগারা কিন্তু এক অদ্ভুত জাতির মানুষ , এককথায় যাকে বলে বেজন্মা ! বাংলাদেশের দাবি রহিংগারা আরাকান জনগোষ্ঠীর সাথে মধ্যএশিয়ার আরবী , ফারসী , উর্দুভাষী বিহারী ইউপির ভারতীয় মুসলমান ও চট্টগ্রামের বাংগালী মুসল্মানের সংমিশ্রনে রহিংগা জাতির উদ্ভব । এরা রাখাইনের স্হায়ী বাসিন্দা । এর মধ্যে কিছু হিন্দুও আছে । মায়ারমানের দাবি আগ্রাসী ইসলামের সন্ত্রাসী কার্যকয়াপের হাত ধরে বরতমানের এই রহিংগা সমস্যা ।এর সাথে প্যান ইসলাম ব্রাদারহুডের সম্পর্ক আছে মুসলিম দুনিয়ার হার্ড টার্গেট হল ভারত ও বার্মা , দুটো কাফির দেশ ।  বারমার সুদীর্ঘ দুহাজার বছরের ইতিহাসে রহিংগা বলে কোন জাতি নেই ।“রোহিঙ্গা” শব্দটার পুরুটাই বাংলাদেশের প্যান ইসলামিক চিন্তা ভাবনার ফসল । মায়ানমারে এরা দীর্ঘকাল ধরে স্হায়ীভাবে বসবাস করলেও বার্মিজ জনসত্ত্বার সাথে তারা কখনো মিশে যাবার চেষ্টা করেনি ।মুসলমান হলেও তারা বার্মিজ মুসলমান হয়ে ওঠেনি ।  মায়ানমায়ের দাবি সঠিক , রহিঙ্গারা হোল অবিভক্ত ভারতের রুট ধরে আসা উর্দুভাষী , চট্টগ্রামী বাংগালী মুসলমান সেটলার । পরবর্তীকালে বাংলাদেশ থেকে বিতারিত পাকিস্তানী মুসলমানও এই দলে আছে ।
          মনে রাখতে হবে রহিংগা সমস্যা বাংলাদেশ-মায়ান্মার থেকে শুরু হয়েছে । তার সমাধান এই দুই দেশকেই করতে হবে ।যদি বাংলাদেশ রহিংগা মুসলিমদের ভারতে ঠেলে দেবার চেস্টা করে তার ফল হবে মারাত্মক । বৃটিশ প্রিয়র্ডে ভারতের রুট ধরে এই মানুষগুলোর পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ হয়ে মায়ানমার গেছে ঠিক সুতরাং ভারতকে তার দায় বহন করতে হবে সেই যুক্তি খাটে না । তাহলে বাংলাদেশের কোন অস্তিত্বই থাকবে না কারন স্বাধীনতার পূর্বে অর্থাৎ ১৯৪৭ সালের আগে বাংলাদেশের কন অস্তিত্বই ছিল না ।বাংলাদেশ  ভারতেরই অংশ ছিল ।কন হুজুরই তাদের বাচাতে পারবে না ।

RELATED ARTICLES

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

Most Popular

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ।

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একজন মুসলিম যুবক চন্দ্রনাথ ধামে...

Recent Comments

%d bloggers like this: