ইয়োরোপে বোরখা পরে চাকরী করার প্রশ্নই আসেনা। এরই মধ্যে মুখঢাকা বোরখা বা নিকাব সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হয়েছে কয়েকটি দেশে। আদালত বা বিশেষ কিছু দফতরে বোরখা বা নিকাব পরে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ ছিলো আগে থেকেই। এ বছর জার্মানিতে নিষিদ্ধ হয়েছে হিজাব বা ধর্মীয় পোশাক পরে শিক্ষকতা।

গত বছর ইয়োরোপিয়ান আদালত ধর্মীয় পোশাক ধারণের কারনে কাউকে চাকরী না দেবার ক্ষমতা দিয়েছে চাকুরীদাতাদেরকে। সেই থেকে ইয়োরোপে দেখা যাচ্ছে বিরাট এক পরিবর্তন। ইয়োরোপের হিজাবী মুসলমান নারী অভিবাসীরা পড়েছেন বিপাকে। হিজাবের কারনে তাদেরকে ইয়োরোপিয়ানরা একটা বিশেষ পেশায় চাকরী ছাড়া আর কোনো চাকরী দেন না। সেই বিশেষ পেশাটি হচ্ছে ক্লিনার বা পরিচ্ছন্নতা কর্মী। যদিও ইয়োরোপে ক্লিনারের চাকরীটিও বেশ সম্মানের, তবুও “হিজাবী নারী মানেই ক্লিনার” এই রকম একটা সামাজিক ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে ইয়োরোপে।

সৌদি আরবের টাকায় চলে, নামাজের চেয়ে হিজাদ বেশী হয়, আইসিস যোদ্ধা তৈরী করা হয়,- গত কয়েক বছরে এ রকম বেশ কিছু মসজিদ সিলগালা করে দেয়া হয়েছে পুরো ইয়োরোপেই। সর্বশেষ, গত সপ্তাহে অষ্ট্রিয়াতে জিহাদ আর ইসলামী রাজনীতি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তুরস্কের টাকায় চলা ৭ টি মসজিদ আর বহিস্কার করা হয়েছে ৬০জন তুর্কিস ঈমামকে।

বলছিলাম, মসজিদ আর হিজাব দিয়ে ইসলাম একদিন ইয়োরোপ জয় করে ফেলবে, আমাদের ভাইদের সেই স্বপ্ন মনে হয় আর পূরণ হবার নয়।