বন্যার  সময় যেমন সাপ বেঁজি ইঁদুর সহাবস্থান  করতে বাধ্য হয় এ রাজ্যে তেমনই গেরুয়া আতঙ্কে  সুজন  ফিরহাদ মান্নান  এক লাইনে চলে এলো !  বেছে নিলো সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতি !
    একসময় মমতা বলেছিলেন , ধুলাগড়ে কিছুই হয় নি !  এখন ফিরহাদ বলছেন  , বসিরহাটে কোনো দাঙ্গাই হয় নি !  তাহলে জনাব সাহেব চারদিন ধরে সেখানে কয়েকশো বাড়ী দোকান পুড়লো , কত মন্দিরে ভাঙচুর  হলো , একজনের মৃত্যু হলো !  দুর্বৃত্ত জেহাদিরা চারদিন ধরে সেখানে  জলসা  করছিলো ?
     রাজ্যে হিন্দুর ওপর অত্যাচারের ঘটনাগুলো  সর্বদা চাপা দেবার চেষ্টা চলে আসছে !  পুলিশ প্রশাসন সরকার নেতা মন্ত্রী সবাই চাইছে হিন্দু নির্যাতনের  কাহিনীগুলো  ধামাচাপা  দিতে !  আর এই ধামাচাপার রাজনীতিতে সাপে নেউলে  এক হয়েছে অর্থাৎ তৃণমূল , কংগ্রেস , সিপিএম এখন পরস্পর  মাসতুতো  ভাই !
    এটা কোন দেউলিয়াপনা  রাজনীতি ? খাগড়াগড় থেকে যে জেহাদী যাত্রা শুরু হয়েছে তা আজও চলছে আর এই দুর্বৃত্তদের  কর্মকাণ্ড  চাপা দিতে দিতে ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যটাকে মৌলবাদীদের হাতে তুলে দিতে চাইছে এইসব আদর্শহীন নীতিহীন   ভোটভিখারি রাজনৈতিক দলগুলো !  শান্তিপ্রিয়  হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে সুস্থ সমাজকে এক গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে !
     দেশটা ছেয়ে গেছে কুলাংগারে  !  বাংলার পরিস্থিতি  সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক !  দেশভাগের সময় বাংলাকেই  বেশি ক্ষতিস্বীকার  করতে হয়েছে !  আজ আবার সেই অশনি  সংকেত  !
    একদিক থেকে ভালোই হলো !  নেতাগুলো তাদের আসল জাতটা   চিনিয়ে দিলেন , তোষণের জাত !  রাজ্যে দ্রুত ঘটে যাবে মেরুকরণ  !  একদিকে রাষ্ট্রবাদ অপরদিকে তোষণবাদ !  আগামী নির্বাচনে এই মেরুকরণেই হবে লড়াই !  তোষণবাদের রাজনীতি খতম হোক !

লেখক- Chittaranjan Mukhopadhyay