এবার     কার অপরাধ..?      

আজ কাগজে দেখলাম যে পোস্ট কে অজুহাত করে বাদুরিয়ার রুদ্রপুরের হিন্দুদের টার্গেট করা হলো, ঘর জ্বালানো হলো, দোকান লুট হলো..।
আগুনের আঁচ বসিরহাট কে জ্বালিয়ে তুললো। নিরীহ কার্তিক ঘোষ শুধু মাত্র হিন্দু হওয়ার অপরাধে জামাতীদের ( এগুলো  রাজ্যের আবর্জনা) কোপে প্রাণ হারালেন…। বিধায়ক তাড়া খেলেন বেশী সেকুলারত্ব দেখাতে গিয়ে ..।  মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী রাত জেগে রইলেন, রাজ্যপালের সাথে অযথা বিতর্কের সৃষ্টি করে জনগণের মন দাঙ্গা থেকে ঘোরাতে চাইলেন, বিজেপি, আর এস এস এদের হাত পা মাথা সব গোঁফহীন দাড়িওয়ালাদের ভীড়ে দেখতে পেলেন..। হিন্দু সংহতি নামক একটি অরাজনৈতিক হিন্দুদের সংগঠন কে ব্ল্যাক লিস্টেড করার কথা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঘোষণা করলেন..।
এতো কিছুই হলো যার পোস্ট ঘিরে সেই সৌভিক সরকারের আইডি নাকি হ্যাক করে পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈয়বা, এবং ওই ছবি পোস্ট করে লাসারের এক দক্ষ সাইবার উইং..।
ভাবুন একবার…
এবার যারা ” ফাঁসী চাই, ফাঁসী চাই” ” নারয়ে তকবির আল্লা হু আকবর” শ্লোগান দিয়ে থানা ঘেরাও করলো, ” তোমার নবী আমার নবী বিশ্বনবীরর অপমান মানছি না মানবো না ” আওয়াজ তুললো, জ্বালিয়ে দিলো হিন্দুদের ঘর.. লুঠ করলো হিন্দুদের দোকান.. মেরে দিলো নিরীহ কার্তিক ঘোষ কে… এবার সেই জানোয়ার রা কি পারবে লস্করের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে..? পারবে কার্তিক ঘোষের প্রাণ ফেরাতে..? পারবে কি ওই এলাকার নিরীহ হিন্দুদের উপর করা অত্যাচারের রাত-দিন গুলো ফিরিয়ে দিতে..? পারবে..? পারবে..?
আর রাজ্য সরকার, শুধুমাত্র ভোটের লোভে রাজধর্ম পালন করছে না ।
দোষ শুধু ফেসবুক করা লোকেদের..? লজ্জা করে না বলতে.?  ফেসবুক নয় ফেকবুক..? তাহলে আইসি, ডিজি, সুপার বদল করলেন কেন..? আইসি, ডিজি, সুপার এরা ঠিক ডিসিশন নেন নি মনে হয়েছিলো নিশ্চই..  আচ্ছা তাদের কি দোষ ছিলো..? একটা দাগ তাদের মনের মধ্যে রয়েই যাবে  …  আসলে লাগাম তো আপনারা টেনে রেখেছেন…. পুলিশ ফোর্স কি করবে…?
মনে রাখবেন পুলিশফোর্স সেদিন সৌভিক সরকার কে গ্রেপ্তার করে থানায় না নিয়ে এলে আজ আর সৌভিক সরকার বাঁচতো কি..?
সাইবার সেল কে সক্রিয় করে, নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিন…। পুলিশের উপর আপনাদের রক্তচক্ষু সরিয়ে নিন..।
আজ বিদেশী সন্ত্রাসবাদীরা এরাজ্যকে মুক্তাঞ্চল বানিয়ে খাগড়াগড় করে ফেললো। বাংলায় প্রায় শিল্পের মর্যাদা পেয়ে গেছে, বন্দুক তৈরি, বোমা বানানো..।

শুধুমাত্র মুসলিম ভোট চাই…।

কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন.. এই ভোটের সুযোগে বাংলাদেশি জামাতিরা এ রাজ্যের হিন্দুদের শেষ করতে চাইছে..?

আর ফেসবুকের উপর হুমকি..? কড়া ব্যবস্থা নেবো, কড়া শাস্তি দেবো.. কেন হে..?
ত্রিশূল এ কন্ডোম পরানো কবির বেলায় আপনারা মুক্তমনা আর আমাদের বেলায় জেল জরিমানা..।
বাহ, চমৎকার। 
কাগজ লিখবেনা, মিডিয়ায় দেখাবে না, আপনারা পুলিশকে কাজ করতেও দেবেন না..। আমরা কি আপনাদের ল্যাবরেটরির গিনিপিগ..?  যার ইচ্ছে হবে মারবে কাটবে..?
নাহ,  আর নয়… এনাফ ইস এনাফ..।
বাইরের কারুর হ্যাকের জন্য আমাদের হিন্দুদের উপর অত্যাচার হলে আমরাও আর চুপ করে থাকবো না….
রুদ্র প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়।

যারা মনে করেন, এই প্রতিবাদের দরকার আছে তারা সবাই লিখুন অথবা শেয়ার করুন..। নইলে কে বলতে পারে আগামীকাল আপনার একাউন্ট হ্যাক করলো ওই বাস্টার্ডরা আর আপনি জেলে ঢুকে গেলেন.. আপনার বাড়ি দাউদাউ করে জ্বলে উঠলো.. দোকান পুড়লো.. আবারো কোনো কার্তিক ঘোষ মারা যাবে..।
প্রতিবাদ এতোই হোক যাতে এই রাজ্য সরকার বোঝে আর বাংলার সব মুসলিমরাও বোঝে ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে রাস্তায় নামা উচিৎ হবে না…। 
সময়ের গুরুত্ব বুঝুন….
রুদ্র।