মায়ানমারে মুসলমান ৪%, খ্রিস্টান ৬%, হিন্দু ০.২% আছে। অথচ বৌদ্ধরা আর কাউকে মারে না, খালি মুসলমানদের মারে।

ভারতে মুসলমান ১৪%, শিখ জৈন সহ অন্যান্য ধর্ম ১১% আছে। অথচ হিন্দুরা আর কাউকে মারেনা, খালি মুসলমানদের মারে।

চিনে নাস্তিক ৫২%, অন্যান্য ধর্ম ৪৭%, মুসলমান ১% আছে। অথচ সবাই মিলে মুসলমানদের মারে।
ইউরোপ আমেরিকায় সংখ্যা গরিষ্ট খ্রিস্টান থাকার পরেও প্রচুর অন্যান্য ধর্মের মানুষও বাস করে। কিন্তু খ্রিস্টানরা আর কাউকে মারেনা, খালি মুসলমানদের মারে।

ইসরায়েলে ইহুদী ছাড়াও মুসলমান, খ্রীস্টান, শিখ এমনকি হিন্দু ধর্মেরও মানুষ আছে। অথচ ইহুদীরা আর কাউকেই মারেনা, খালি মুসলমানদের মারে।

এটা কেনরে ভাই? সব ধর্মের মানুষের সাথে শুধু মুসলমানদের ঝামেলা হয়। আর কারো সাথে কারো ঝামেলা হয় না।
কোনোদিন কি শুনেছেন খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান, হিন্দু, হিন্দু বৌদ্ধ কিংবা অন্যান্য একধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের মানুষের মধ্যে মারামারি হতে? শুধু মুসলমান ছাড়া?

এর কারণ বুঝতে হলে কোরআন পড়া লাগবে। নবীর জীবনী পড়তে হবে। সিরাত গ্রন্থ সমূহ পড়তে হবে। ইসলামের মূল স্তম্ভ হলো জিহাদ। জিহাদ মানে বিনা কারণে বিধর্মীদের উপর হামলা করে সব লুটপাট করে নেওয়া। যেমন নবী করতেন।

একটা বিষয় খেয়াল করে দেখেন, যে দেশ গুলোতে মুসলমান ১০০% সেখানে মারামারি করার কোনো টপিক না পেয়ে মুসলমানরা নিজেদের মধ্যে সুন্নি শিয়া নিয়ে মারামারি করে মরেন।

মনে করেন মুসলমানদের এই পৃথিবীটা দিয়ে যদি সকল ধর্মের মানুষ অন্য গ্রহে চলে যায় তাহলে মুসলমানরা কি শান্তিতে থাকবেন?       

————————– কখনোই না।

নিজেদের মধ্যে মারামারি করে আরো আগেই ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ ইসলামের মূল দর্শনই হলো জিহাদ। মুসলমানরা জিহাদ তথা মারামারি হানাহানি ছাড়া শান্তি পায় না।