বলিউড লাভজিহাদি_গদ্দার_রাস্ট্রদ্রোহী_দেশদ্রোহী_গদ্দার_আতঙ্কবাদী_আর_হিন্দুবিরোধী চক্রান্তকারীদের আড্ডাখানায় পরিনত হয়েছে………

Spread the love
#বলিউড হচ্ছে ভারতের বৃহত্তম চলচ্চিত্র পরিবেশক এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম চলচ্চিত্র উৎপাদন কেন্দ্র।
কিন্তু বিগত ২/৩ দশক ধরে #বলিউড কেবল #লাভজিহাদি_গদ্দার_রাস্ট্রদ্রোহী_দেশদ্রোহী_গদ্দার_আতঙ্কবাদী_আর_হিন্দুবিরোধী চক্রান্তকারীদের আড্ডাখানায় পরিনত হয়েছে………

২০১৯ এর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সৈনিকদের নিয়ে লেখা দেশাত্মবোধক গান “#তেরি মিট্টি মে মার জাবা,গুল বানকে মে খিল জাবা,ইতনি সি হে দিলকি আরজু”। এই গানটিকে কোন ফিল্মি পুরস্কার দেওয়া হয়নি………………
#পিকে :- হিন্দু ধর্মকে বদনাম করো,গালি দাও,পয়সা কামাও এগুলো ভারতের মত দেশেই সম্ভব। কাউকে #মহাদেব সাজিয়ে রাস্তায় রাস্তায় দৌড়ানো।কাউকে #সন্ন্যাসী সাজিয়ে উল্লঙ্গ করে ভন্ড সাধু প্রমাণ করা। #শিবের মাথায় দুধ ঢালার বিষয়কে কুসংস্কার বা রং নাম্বার বোঝানো।পান চেবানো লাল থুতু লাগিয়ে পাথরের টুকরোকে পুজা করা। পাকিস্তানি মুসলিম যুবকের সাথে ভারতীয় হিন্দু মহিলার প্রেমকাহিনী বানিয়ে.
পাকিস্তানি মুসলিমরা খুব ভদ্র,নম্র,মানবিক প্রমান করা সেইসঙ্গে ভারতীয় হিন্দুদের ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কারী, হিংসক এবং কট্টরপন্থী হিসেবে দেখানো । লাভ জিহাদকেও প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
মুভিতে আমির খানের একটা ডাইলোগ আছে “জো ডরতা হ্যায় ওহি মন্দির জাতা হ্যায়”। শেষ পর্যায়ে আমির খান ডাইলোগ মারছে “ মুসলমান নামধারী কখনও কাউকে ধোঁকা দেয় না”…..
মুভিটা পাকিস্তান ও চীনের লোকেরা খুব পছন্দ করেছে। চীনেই হাজার কোটি টাকার ব্যাবসা করে। কারণ দুটো দেশ হিন্দু জাতিকে ঘৃণা করে, হিন্দুদের শত্রু ভাবে।
#দাবাং:- মুভিতে দেখানো হয়েছে ঘুসখোর পুলিশ অফিসার সালমান খান দাবাং স্টাইলে নাচছে,আর তার পিছনে ভগবান রাম, ভগবান শিব, হিন্দু সন্ন্যাসীরাও নাচানাচি করছেন।
#কোনো_সিরিজের এক ট্রেলারে দেখলাম নাটক মঞ্চে ভগবান রাম ভাই লক্ষ্মণকে জোরপূর্বক দেশি মদ খাওয়াচ্ছে।
#পাতাললোক:- amazon prime video পরিচালিত এই সিরিজে দেখানো হয়েছে – #রাম মন্দির আন্দোলনকারীরা একজন মুসলিমকে গোমাংস খাওয়ার অপরাধে পিটিয়ে হত্যা করছে আর স্লোগান দিচ্ছে রাম মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে ।
বস্তুত রাম মন্দির আন্দোলনের সময় গোমাংস খাওয়া নিয়ে এইধরনের  কোন ঘটনা ঘটেনি। 
দুই নম্বর সিনে দেখানো হয়েছে কয়েকজন গুন্ডার ভয়ে ইন্সপেক্টর চৌধুরী দৌড়াতে দৌড়াতে #ভক্ত_পহ্ললাদ নাটকের মঞ্চে উঠে পরে।
সেখানে ভগবান নারায়ণের নরসিংহ অবতারকে ধাক্কা মেরে ফেলে আবার দৌড়াতে শুরু করে। ভগবান নরসিংহ নিজেকে সামলাতে না পেরে হিরিন্যকশ্যপুর ওপর এসে পড়ে।
 তৃতীয় নম্বর সিনে দেখানো হয়েছে একজন হিন্দু ব্রাহ্মণ গায়ে পৈতা জড়ানো অবস্থায় অন্যের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করছে।
#Love Square feet মুভিতে দেখানো হয়েছে “রঘু কুল রিত সদা চলি আয়ি”প্রান যায় পর বচন না যাই”রামায়ণে রামচন্দ্রের  সেই বিখ্যাত আলোচিত বক্তব্যকে অসভ্যতার সাথে এই মুভিতে পেশ করা হয়েছে-“রঘু কুল রিত সদা চলি আই, প্রান যায় পর পাপ্পি না যাই”একথা বলে হিরো তার প্রেমিকাকে চুমু খাচ্ছে।
#Sacred_Games মুভিতে হিন্দুদের আতঙ্কবাদী সাজানো হয়েছে। একজন হিন্দু ধর্মগুরু কিভাবে গোটা দুনিয়াকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছে তা দেখানো হয়েছে। 
#মুভি_Laila তে দেখানো হয়েছে ভারত হিন্দু রাস্ট্র হয়ে গেছে। মুসলমান এবং অন্য সম্প্রদায়ের মানুষদের  পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। কেউ হিন্দুদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারছে না।যদি হিন্দু মহিলা কোন  মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করছে  তার স্বামীকে হত্যা করে মহিলাটির ওপর নির্মম  অত্যাচার করা হচ্ছে।
কিন্তু হাজার বছরের ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে আপনিও বুঝতে পারবেন ঠিক এই ঘটনাগুলো  হিন্দুদের সাথে ঘটেছে। বাংলাদেশ পাকিস্তান এখনোও তার উদাহরণ 
যে রাস্ট্র, যে জাতি কখনও কোন বিদেশি রাস্ট্রকে আক্রমণ করেনি।যে জাতি হাজার বছর ধরে #অতিথি_দেবঃ_ভবঃ অর্থাৎ অতিথিদের সেবাই ঈশ্বরের সেবা আদর্শকে মেনে চলে। যে জাতি হাজার বছর ধরে শুধু প্রতারণার স্বীকার হয়ে রয়ে গেছে,,বলিউডের মাধ্যমে সেই হিন্দু জাতিকে হিংস্র রুপে দেখানো হচ্ছে ??
একটা সময় আফগানিস্তান,ইরান,মালেশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে শুধু হিন্দুদেরই বসবাস ছিল। আজ সেখানে হিন্দুদের অস্তিত্ব অনেক কম। 
বিশ্বে ১১০ টি খ্রিষ্টান,৫৬ টা ইসলামিক এবং ১৩ টি বৌদ্ধ রাস্ট্র। বিশ্বে মাত্র ৯০ লাখ জনসংখ্যার দেশ ইসরায়েল তারাও #ইহুদিরাস্ট্র। কিন্তু কোথাও #হিন্দুরাস্ট্র নেই।, মরিশাস,ফিজি,নেপালও এখন সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষ।
 ভারতে ১৬% মুসলিম, ১% খ্রিস্টান,০.৫%বৌধ,০.৫%জৈন,২% শিখ। কিন্তু  ৮০% হিন্দু হয়েও  ভারত সেকুলার দেশ । পৃথিবীর মোট ৭০০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ১২০ কোটি হিন্দুর কোন নিজস্ব রাস্ট্র নেই। (রাষ্ট্র মানে নিজেদের অস্তিত্বকে বোঝানো হয়)।
#শুধু সময়ের অপেক্ষা একদিন #হরপ্পা সভ্যতার মতন #হিন্দু_সভ্যতাও পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার চিন্তা সবার। 
বলিউড মুভিতে মুসলমান ধর্মগুরু, খ্রিষ্টান ধর্মগুরু, মসজিদ, গির্জকে টার্গেট করা হয় না। কেবল হিন্দু দেব দেবীদেরকেই টার্গেট করা হয়। মুভির মাধ্যমে হিন্দুদের হিংস্র দেখালেও নির্মাতারা ভালো করে জানে হিন্দুরা সহিষ্ণু এবং শান্ত প্রকৃতির। এর বিরোধিতা কেউ করবে না উল্টে বক্স অফিস হিট করবে।
#স্বামী_বিবেকানন্দ বলেছিলেন অতি সহিষ্ণুতা ভীতু এবং কাপুরুষতার লক্ষ্মণ। আজ ভারতে হিন্দুদের অবস্থাও ঠিক সেইরকম।
আমির খান ও সালমান খানদের  কাছে নিবেদন তোমাদের অদৃশ্য #আল্লাহ_পেগম্বর_রসুলের ওপর দু একটা মুভি তৈরী আমাদের দেখাও  যেমনটা হিন্দু ধর্ম নিয়ে করো।
 আমাদেরও অনেক কনফিউশান বা জানার আছে তোমাদের ধর্ম বা অন্যদের নিয়ে।অনেক রং নাম্বার বেড়িয়ে আসতে পারে কি তখন (যেভাবে আমাদের ধর্ম নিয়ে বারবার করো)…………………?