মহাভারতে পড়েছিলাম, ৫৬ কোটি যদু বংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। গান্ধারীর অভিশাপে কি না জানি না। তবে শ্রী কৃষ্ণের জীবদ্দ্বশাতেই শুরু হয়েছিলো , উশৃংখলতা সেই সংগে ক্ষমতার দ্বন্ধ।

শ্রী কৃষ্ণের বয়ষ তখন ১১৩ বছর। অবশ্যই জরা বার্ধ্যক্য তার শরীরকে গ্রাস করেছিলো। যদুদের মাত্রারিক্ত বিলাসিতা ( দ্বারকার আর্থিক বৈভব সেই সময় সারা ভারতে সবচেয়ে বেশী ছিলো) , বিলাসিতার সংগে সংগে উশৃখলতা। প্রচুর অর্থ= বিলাসিতা= উশৃংখলতা= সার্বিক ধ্বংস।

শ্রী কৃষ্ণের এবং সত্যভামার সন্তান শাম্ব, যে দুর্যোধনের মেয়েকে বিয়ে করেছিলো, সেই পুত্র, শ্রী কৃষ্ণের দেহরক্ষী বাহিনীর প্রধান এবং কুরুক্ষত্রের যুদ্ধের এক মহারথী সাত্যকীর সংগে এক অকারন ক্ষমতা দ্বন্ধে লিপ্ত হয়। 

মুল কারন, সাধারন মানুষ চেয়েছিলো, শ্রী কৃষ্ণ এবং রুক্মিনীর পুত্র প্রদ্যুম্নকে। শাম্ব তা হতে দেবে না। ফলশ্রুতি আভ্যন্তরীন কলহ। সেই কলহ মারাত্মক রুপে প্রকাশ পায় ‘পুষ্কর হ্রদের’ পাশে এক উৎসবে। তারপর পরষ্পর মারামারি এবং সবাই শেষ।

এই যুগে আমরা কি তার কোন সাদৃশ্য খুজে পাচ্ছি আমাদের দেশের বিশেষ করে পশ্চিম বংগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ???? আমি তো তাই দেখতে পাচ্ছি।