উচ্চবর্ণের জন্য কেন্দ্রসরকারের চাকরিতে ১০% সংরক্ষণের বর্ষপূরণে….

● ইয়েচুরি – মেহনতি মানুষের সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না। ঘাম ঝরিয়েই তাদের যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। আমাদের পার্টিতে এমনিতেই উচ্চবর্ণ ছাড়া কেউ পলিটব্যুরো মেম্বার হতে পারে না। এটা RSS এর চাল, RSS নিজের বিচারধারায় আমাদের প্রভাবিত করতে চাইছে।

● রাহুল গান্ধী – দত্তাত্রেয় ব্রাহ্মণরা কি এর সুবিধা পাবে?

● পিসি – এটা আমাদেরই প্রকল্প। ঐ যে ১০% এর কথা বলছে, ওর মধ্যে ৮% চাকরি আসলে আমরাই দেব। আমাদের প্রকল্প কেন্দ্র নিজের নামে চালাচ্ছে। “বর্ণসাথী” প্রকল্পে আগামী ৩০শে ফেব্রুয়ারী এটা চালু হতে চলেছে। কা কা ছি ছি।

● অমর্ত্য সেন – কে সংরক্ষণ পাবে… কে কি খাবে, কে কি পড়বে.. তা কি মোদী ঠিক করে দেবে! তোমরা যেমন খুশি পটল খাচ্ছ, কুমড়ো কাটছ, পুঁটি মাছ খাচ্ছ… তাতেও মোদীবাবুর সমস্যা হবে এরপর। হয়ত বলেই দেবে যে ১০% হাইব্রীড পটল/কুমড়ো/কাতলা খেতেই হবে।

● গামছা মোল্লা – উচ্চবর্ণের চাষার ঘরের বেটারা এই সংরক্ষণের সুবিধা পাবে না। তাদের গামছা গলায় চাষ করতেই হবে। ফুলকপি এমনি এমনি বড় হয় না।

● লালু – মোদি জবরদস্তি করছে। আমাদের ইচ্ছা আমরা হাইব্রীড দেশি অষ্ট্রেলিয়ান যে কোনো গরুর দুধ দুইব।
যত দিন থাকবে বিহারে লালু,
তত দিন সংরক্ষণ হবে না চালু।

● মায়াবতী – উচ্চবর্ণের সংরক্ষণ ব্রাহ্মণ্যদের প্রতীক। ঐ ১০% এর মধ্যে ৭% “দলিত-বন্ধু উচ্চবর্ণ” অর্থাৎ বিএসপি কর্মী রাখতে হবে।

● কেজরিওয়াল – উচ্চবর্ণের সংরক্ষণ কি রাখতেই হবে! এসব বাবা রামদেবের চক্রান্ত, পতঞ্জলির ব্যবসা বাড়াতে চাইছে।

● শরদ পাওয়ার – বিদর্ভে খরা চলছে। জল নেই। উচ্চবর্ণরা দলে দলে পালাচ্ছে। এর কোনো সুবিধা বিদর্ভ পাবে না।

● তিস্তা শেতলবাদ – উচ্চবর্ণের প্রতিবন্ধীরা কোন কোটায় চাকরি পাবে? “উচ্চবর্ণ” নাকি “প্রতিবন্ধী”? মানবাধিকারের চরম অবমাননা।

● যুক্তিবাদী বিজ্ঞান মঞ্চ – উচ্চবর্ণককে সমকামী আইনে নিম্নবর্ণের সাথে বিয়ে দিলে তাদের দত্তক সন্তান কোন বর্ণের হবে? আগে এর ব্যাখ্যা চাই।

● যাদবপুরের বিপ্লবী ছাত্ররা – কমরেড চে গুয়েভারা উচ্চবর্ণের ছিলেন। বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি জননেতা হয়েছিলেন।গোবলয়ের এই গেরুয়া সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আমরা “হোক চুম্বন” আন্দোলন করব। ঐ দিন সবাই প্রকাশ্যে সব বর্ণ সব বর্ণকে চুমু খাবে।

● মিডিয়া – বর্ণ ভিত্তিক সংরক্ষণ কি বাধ্যতামূলক! কোথায় দাঁড়াচ্ছে এই সমাজ!! এই কি গণতন্ত্র?
“বর্ণে সংক্রমণ”- দেখুন ‘ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন’ রাত ৮ টা।