বিলিভ ইট অর নট
……………………………….
বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, পৃথিবীর সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জানে না-
(১) তাদের নবীজি ১৩ খানা বিয়ে করেছিলেন এবং তার অসংখ্য দাসীবাদী ছিলো।
(২) সাফিয়া নামের নবীজির এক স্ত্রী ছিল যাকে যুদ্ধবন্দিনী হিসেবে আটক করা হয়েছিল প্রখমে।
(৩) পালক পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ের জন্য ইসলাম সন্তান পালক নেয়ার বিধানকে নিষিদ্ধ করে।
(৪) নবীজির কন্যা ফাতেমা ও জামাতা আলী পরস্পর চাচা-ভাতিজী
(৫) আয়েশার যখন ৬ বছর বয়স নবী তখন তাকে বিয়ে করেছিলেন
(৬) মদ নিষিদ্ধ হয়েছিল হযরত আলীর মাতাল অবস্থায় মসজিদে মাতলামীর ঘটনায়
(৭) নবীজি সঙ্গে খাদিজার বিয়ে ও সে ঘরের দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছিল আরব পৌত্তলিকদের ধর্মীয় বিধান মতে।
(৮) নবীজির পথে ইহুদী বুড়ির কাঁটা পুতে রাখার গল্পের কোন ইসলামী দলিল নেই।
(৯) জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীন দেশে যাও- ইসলামে জ্ঞান অর্জনের মহাত্ত্ব বঝাতে এই বাণী নবীজির বলে যে দাবী করা হয় মিথ্যা
(১০) কুরআনের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আল্লার বাণী নয়- ওহি লেখকদের নবী ব্রিফ করতেন, পছন্দ না হলে কাটাকুটি করতেন, এমন কি ওহি লেখকদের কারুর কোন বাক্য পছন্দ হলে নবী সেটা গ্রহণ করতেন!

সংযুক্ত: বনু কুরাইজা ইহুদী গোত্রের সমস্ত সক্ষম পুরুষ (যাদের নিম্নাঙ্গে চুল দেখে প্রাপ্ত বয়স্ত ধরা হয়েছিল!) এক রাতে পরিখা খনন করে হত্যা করে লাশ পুতে রাখা হয়। বুন নাজির গোত্রকে তাদের ভিটামাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। লুট করে নেয়া হয় ইহুদীদের সমস্ত সম্পত্তি, তাদের নারীদের। আজ পর্যন্ত একজনও সাধারণ মুসলিম এসব তথ্য জানে- এরকম অভিজ্ঞতা হয়নি!