sanjeevni1 ত্রেতাযুগের
পর ফের একবার জোর কদমে শুরু হতে চলেছে মিশন “সঞ্জীবনী বুটি”। উত্তরাখণ্ডের
মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াতের উদ্যোগে চামোলি জেলার দ্রোণাগিরি পর্বতে চলবে
এই খোঁজ।
ত্রেতা যুগে সঞ্জীবনী বুটির খোঁজে রামচন্দ্রের নির্দেশে পবনপুত্র হনুমান
গিয়েছিলেন গন্ধমাদন পর্বতে। অনেক খুঁজেও শেষ পর্যন্ত চিনতে না পেরে পুরো
পর্বত তুলে নিয়ে এসেছিলেন।এর আগেও সঞ্জীবনীর সন্ধানে উদ্যোগী হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার।

আর্থিক
সাহায্য ও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল কেন্দ্র সরকারের  কাছে। কিন্তু সাড়া
মেলেনি। এবার রাজ্যের কোষাগার থেকে টাকা খরচ করেই সঞ্জীবনীর খোঁজে
উত্তরাখণ্ড সরকার। ইতিমধ্যেই আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা
হয়েছে।

রামায়নে এই প্রাণদায়ী গাছের উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে এরকম কোন গাছের
অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক রয়েছে। এখন দেখার সেযুগে হনুমান
গন্ধমাদন পর্বতের যে সঞ্জীবনী বুটির সাহায্যে মৃত্যু পথযাত্রী লক্ষণের
প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এযুগের উত্তরাখণ্ড সরকার দ্রোণাগিরি পর্বতে তার
সন্ধান পান কি না।