নবী হযরত ইব্রাহিম সমীপে-

পর সমাচার এই যে, অদ্য সৌদি সরকার আফ্রিকার কঙ্গো দেশের নাগরিকদের এ বছর হজ করতে সৌদি আরব প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাস মহামারি লাগায় সেই ভাইরাস কঙ্গোর হাজি সাহেবদের মাধ্যমে ইসলামের জন্মভূমি সৌদি আরবে যাতে প্রবেশ করতে না পারে এটা তার জন্য সতর্কমূলক ব্যবস্থা।

এ কেমন কথা নবী সাহেব! ইবোলার মত একটা ভাইরাস আপনার আল্লাহ ঠেকাতে সক্ষম নন? আপনি না দেব-দেবীদের মূর্তি ভেঙ্গে আপনার আবুতালেব কে বলেছিলেন, যে মূর্তি নিজেকেই রক্ষা করতে পারে না তাকে পুজা করো কেন? কাবাঘরের সামনে পকেটমারদের অত্যাচারে হাজি সাহেবরা লাব্বায়েক আল্লাহুমা (প্রভূ আমি হাজির) বলতে বলতে দেখে পকেটের ডলার দরকারী কাগজপত্র হাপিশ! কাবাঘরের সামনে একটা পকেটমারকে যে ধরতে পারে না, তার ঘরের চারপাশে যারা আর্তস্বরে হাজির হবার ঘোষণা দিচ্ছে- তাদের যিনি নিরাপত্তা দিতে পারেন না, তাকে ডাকতে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে আসা কেন? কাবাঘরের সামনে মাহিলা হাজিদের উপর পুরুষ হাজিদের যৌন হয়রানী যিনি ঠেকাতে পারেন না তিনি সর্বশক্তিমান কিভাবে? আপনার যুক্তি অনুযায়ী যে আল্লার তার হাজিদের পকেট পাহাড়া দিতে পারে না তাকে ডেকে লাভ কি?… কি অবাক হচ্ছেন পকেটমারদের কথা শুনে? বাংলাদেশ পুলিশ জানাচ্ছে, পকেটমার চক্র দেশে ১০ মাস চুরি-ছিনতাই করলেও হজের সময় এলেই আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ করে সৌদি চলে যায়। ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই তারা দুই মাসের জন্য সৌদি আরবে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এ বছরও তারা সৌদি আরবে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। দলটির মূল হোতা আপেলের নেতৃত্বে ১২ জনের সংঘবদ্ধ চক্রের প্রত্যেক সদস্যের পাসপোর্ট রয়েছে। হজে গিয়ে হাজীদের পকেট কেটে প্রত্যেকে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে দেশে ফিরে আসে’।

কাবার সামনে ক্রেন ভেঙ্গে শ’দুয়েক হাজি যখন মার্ডার হয়ে গেলো আল্লাহ তখন ঘুমিয়ে ছিলো? কাবাঘরকে না তিনি নিরাপদ ঘোষণা করেছিলেন? তিনি তো কাবাঘরের উপর কবুতরের বিষ্ঠা ত্যাগই থামাতে পারেন না। কাবাঘরে হাঁটু পানি, কাবাঘরে আগুন- কিছুই ঠেকাতে পারেনি ঠুটো আল্লাহ! আরবের মোহাম্মদ নামের এক রাখাল আপনার মূর্তি ভাঙ্গার গল্প বলে পৌত্তলিকদের ঈশ্বর যে নির্থক তা প্রমাণ করতে রসিয়ে রসিয়ে বলত। ১৪০০ বছর ধরে তার অনুসারীরাও সেই গল্প বলে অন্যদের অপদস্ত করতে রসিয়ে রসিয়ে বলে যাচ্ছে। কিন্তু তাদেরকে সেই একই কথা মনে করিয়ে দিলে সেটা বিদ্বেষ! ধর্মানুভূতিতে আঘাত!