বিস্তৃত আপেল বাগান । প্রতিটি গাছে রয়েছে সুন্দর টকটকে আপেল । কোঁকড়ানো
চুলভর্তি এক ভাবুক। 
অপরদিকে প্রাচীন ভারতীয় এক বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ভাস্করাচার্য বৈদিক
শাস্ত্র গভীরভাবে অধ্যয়ন করতে লাগলেন । গভীরভাবে অধ্যয়ন শেষে তার মনে
ভাবনা জাগল এই পৃথিবী ও ভিন্নগ্রহগুলি একে অপরের সাথে কেমন আকর্ষনে আবদ্ধ
আছে । ১২০০ শতকে তিনি এ সকল ভাবনা ও বৈদিক শাস্ত্রের নির্ভুল তথ্যের
সাহায্যে রচনা করলেন “সিদ্ধান্ত শরোমনি” নামক গ্রন্থে । এই গ্রন্থে তিনি
পরিপূর্ণভাবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কথা প্রথম উল্লেখ করেন এবং ব্যাখ্যা করেন ।
এখানে ১ম ঘটনাটি আমাদের অনেকেরই জানা কিন্তু ২য় ঘটনাটি হয়ত আমাদের
অনেকেরই জানা নেই । অর্থাৎ নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কারের অন্তত ৫০০
বছর পূর্বেই ভাস্করাচার্য তা ব্যাখ্যা করেছেন বৈদিক শাস্ত্র থেকে ।

 শুধু তাই নয়, সেই বৈদিক যুগ থেকেই বৈদিক শাস্ত্রবিদগণ আলোর গতিবেগ
সম্পর্কে জানতেন । বৈদিক শাস্ত্রে উল্লেখ আছে আলোর গতিবেগ অর্ধ নিমেষে ২২০২
যোজন দূর । বৈদিক শাস্ত্র মতে এক যোজন হচ্ছে ৯.০৬ মাইলের সমান এবং অর্ধ
নিমেষ সময়কাল বর্তমান ১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের ১ ভাগ সময়ের সমান । এই
গাণিতিক প্রক্রিয়া হুবহু বর্তমান আধুনিক আলোর গতিবেগের সমান ।

 সম্প্রতি ভারতে বিখ্যাত টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস একটি গ্রুপ এক
ব্যাঙ্গালুরুর এনজিও ‘সংস্কৃত ভারতী’ নামক প্রতিষ্ঠান একত্রে বৈদিক ঐতিহ্য ও
ব্যাপ্তি বিষয়ক এক প্রদর্শনীর আয়োজন করে । প্রদর্শনীতে ১৫০ টি পোষ্টার
রাখা হয় যাতে উন্নত বিজ্ঞানভিত্তিক বৈদিক সভ্যতার পরিচয় দেওয়া হয় । এই
প্রদর্শনীতে উল্লেখ্য ছিল পাশ্চাত্যের জনগণকে উন্নত প্রাচীন বৈদিক সভ্যতা
সম্পর্কে পরিচিতি ঘটানো । বিশ্ববাসী জানে যে, ইংরেজি সংখ্যা জিরো বা শূন্য
এসেছে, মূলত বৈদিক শাস্ত্র তথা ভারতীয়দের মাধ্যমে । প্রাচীন ভারতীয়
বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ভাস্করাচার্য, বৌদ্ধজন, অপস্তম্ভ এবং লীলাবতী প্রভূতি,
গণিতশাস্ত্রে এবং বিজ্ঞানে বহু অবদান রেখেছেন । সেই সময় শুধুমাত্র বৈদিক
শাস্ত্র অধ্যয়ন করে তারা বিজ্ঞানের বহু সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন । সুতরাং
ভগবান কর্তৃক মানবসমাজের কল্যাণে দেওয়া বৈদিক শাস্ত্রের ব্যাপকতা যে কত
বিশাল তা সহজেই অনুমেয় ।
 (উল্লেখ্য যে, ইসকন; ভক্তিবেদান্ত
ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীমহল ও বিদগ্ধ সমাজে বৈদিক
সংস্কৃতি ও কৃষ্টি ও কৃষ্ণভাবনামৃতের

বিজ্ঞানী কোন এক আপেল গাছের নীচে বসে ভাবনায় নিমগ্ন ।
হঠাৎ এক আপেল বৃন্ত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরাসরি তার মাথায় এসে পড়ল ।
তৎক্ষণাৎ তার মনে প্রশ্ন জাগল, আপেলটি গাছ থেকে উপরের দিকে না গিয়ে মাটিতে পড়ল কেন ? এ ভাবনা থেকে আবিস্কৃত হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বা অভিকর্ষ এবং মহাকর্ষ । সেই বিজ্ঞানী হলেন নিউটন ।


বৈজ্ঞানিক দর্শন প্রচার করে যাচ্ছে । বর্তমানে শুধুমাত্র ৫০০’র ও অধিক
বিজ্ঞানী ভক্তিবেদান্ত ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে কৃষ্ণভাবনাময় জীবন যাপন পালন
করছেন