#পশ্চিমবঙ্গ…….

গত পরশু অবধি এরাই ছিল আপনার প্রতিবেশী। এদেরকেই আপনি “ভাল মুসলমান” বলে সার্টিফিকেট দিতেন, “একই বৃন্তে দুইটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান” গুনগুন করে গাইতেন, আমাদের এখানে “ঐসব সাম্প্রদায়িক ঝামেলা হয়না” ভেবে আত্মপ্রসাদ লাভ করতেন।
পড়ার বইতে রামধনু বদলে রঙধনু হয়ে গেলেও আপনি এইসব পাতি ব্যাপারে খুব একটা বিব্রত হতেননা কারণ আপনার কাছে তো সব ধর্মই সমান, সবাই শান্তির কথা বলে। প্রশাসনের উপর নিজেদের নিরাপত্তার ভার সঁপে নিশ্চিন্তে জীবন কাটাচ্ছিলেন আপনি। ভেবেছিলেন এইভাবেই দিন কেটে যাবে।

কিন্তু হায়, আপনি ভাবলেন এক, হল অন্য। আগেরদিন অবধি যাদেরকে পরম আত্মীয় মনে করেছিলেন, পরেরদিন তারাই ঝাঁপিয়ে পড়লো আপনার উপরে। অবশ্য দোষটা শুধু আপনার একার নয়, হিন্দু সমাজের ধর্মগুরু থেকে শুরু করে সবাই এই দোষে দুষ্ট।

কারণ আপনারা “সব ধর্মই শান্তির কথা বলে” এই সার্টিফিকেট দেয়ার আগে একবারও কোরানের পৃষ্ঠা উলটে দেখেননি। কোরান অনুসারে, একজন মুশরিক মানে হিন্দুর সাথে একজন মোমিন অর্থাৎ মুসলমানের কি রকম ব্যবহার করা উচিত এটা না জেনেই আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন।

আজ যেটা আপনার কাছে জেহাদি অত্যাচার মনে হচ্ছে, কোরান অনুসারে সেটাই তাদের ধর্মীয় কর্তব্য।

আপনি তারকেশ্বরের মাথায় দুধ ঢেলে যেভাবে পুণ্য অর্জন করেন, মুসলিমরাও ঠিক একইভাবে মুশরিকদের উপর আক্রমণ করে নেকি লাভ করে। এখনও বিশ্বাস না হলে কোরানের সুরা ৯, আয়াত ৫ পড়ে নিন। সাথে সুরা ৮, আয়াত ১২ এবং সুরা ৩, আয়াত ২৮ টাও পড়ে নিন।

তারপরেও যদি এই জেহাদি আক্রমণকে প্রতিরোধ করার জন্যে আপনি শুধু প্রশাসনের ভরসায় বসে থাকেন, তাহলে আপনার জন্যে শুধু করুণাই প্রকাশ করতে পারি।

From #prasun mitro