মমতা ৪৬ সনের পুনরাবৃত্তি করতে চাচ্ছেন। সোরোয়ার্দীর  ডাইরেক্ট একশন আমরা ভুলি নাই। ইচ্ছা করে পায়ে পা দিয়ে হিন্দুমুসলিম দাঙ্গা বাধিয়েছিলেন সোরোয়ার্দী। কিছুকাল আগে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মুর্তিতে আল্কাতরা যারা দিয়েছিল তারা ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম ঘরানার নামে তৃণমূলের কর্মী। এবার বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গল তারাও মমতার কর্মী ছাড়া অন্য কেউ হতে পারেনা। বিজেপি তো মূর্তি বিরোধী নয়, মূর্তি বিরোধী তো তৃণমূল। তারা কারা যারা কলেজের ভিতর অবস্থান নিয়েছিল? ছাত্ররা  কলেজে অবস্থান নিয়ে কার মদতে ইটপাটকেল ছূড়ছিল? যাদবপুরের মত তৃণমূল এখানেও ছাত্র নামে আসলে কিছু গূন্ডা  ভাড়া করে বসিয়েছিল। যখন তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্তে নামলেন তখন জানা গেল সিসি টিভি অচল করে রাখা হয়েছিল। সিসি টিভি মনিটর করার জন্য একটা বিভাগ থাকে। তারা কার ইঙ্গিতে তা অচল রেখেছিল? আর এখন জানা যাচ্ছে এই সংবাদটা জানত কলেজের ভিতর অবস্থান নেয়া সেই গুন্ডাদের দল। সুতরাং স্পষ্টতই এই সূযোগকে কাজে লাগিয়ে মমতার গুন্ডারা মূর্তি ভাঙ্গার কাজটা সেরে নেয়। 
    বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদীদের বয়ান আর তৃণমূল নেত্রী মমতার বয়ান একই রকম।  অভিন্ন ভাষা, অভিন্ন লক্ষ্য। মমতা  কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তন আনতে সমর্থ না হলে আলাদা রাষ্ট্র গড়ার মহরা দিচ্ছেন। পশ্চিম বংগের উপর আসলে ওহাবী মৌলবাদের থাবা পড়ে গেছে। ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যখন দেখছি ভাষ্কর্য বিরোধী কট্টর ইসলাম প্রেমীরা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গা নিয়ে দরদে উথলে উঠেছেন।
   পশ্চিম বঙ্গকে আবার ১৯৪৬ এর পর্যায়ে নিয়ে গেছে মমতা। বড় ধরনের কিছু ঘটার আগে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মমতাকে পদচ্যুত করার জন্য এক হোন। সাম্প্রদায়িক বিষাক্ত পরিবেশ মমতা কতটা সৃষ্টি করেছে, স্বচক্ষে দেখে এসেছি। এভাবে পশ্চিম বাঙলা বাচবেনা। মমতা কেবল পশ্চিম বাঙ্গলার জন্যই হুমকি নয়, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের জন্যও মমতা সমান হুমকি। অসাম্প্রদায়িক প্রতিটি মানুষের এক অভিন্ন শত্রু মমতা।