Friday, September 17, 2021
Home Bangla Blog প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিখোঁজ ভারতীয় যুদ্ধবিমান।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিখোঁজ ভারতীয় যুদ্ধবিমান।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিখোঁজ ভারতীয় যুদ্ধবিমান  চালকের ইতিহাস নতুন করে প্রকাশ ব্রিটেনের । ১৯১৮ সালের জুন মাসের কোনও এক সকালে ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টের আকাশে টহল দিতে দিতে যুদ্ধবিমান সহ নিখোঁজ হয়ে যান লেফটেন্যান্ট শ্রীকৃষ্ণ চন্দ্র উইলিঙ্কর।

তিন মাস অপেক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে ব্রিটেন। একশো বছর আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সেই অসম সাহসীর কথা ইতিহাসের পাতা থেকে একপ্রকার হারিয়ে গিয়েছিল। পরাধীন ভারতে সব ধরনের বৈষম্য ও কুসংস্কারকে হারিয়ে ব্রিটিশ সেনার যুদ্ধবিমান চালক হয়েছিলেন তিনি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে

কিন্তু শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র উইলিঙ্কর এতদিন প্রায় বিস্মৃত ছিলেন। এই প্রথম তাঁর কাহিনী নতুন করে প্রকাশ করল ব্রিটিশ সরকার। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শহিদ ভারতের প্রথম যুদ্ধবিমান চালক লেফটেন্যান্ট শ্রীকৃষ্ণ চন্দ্র উইলিঙ্করের কাহিনী প্রকাশ করল ব্রিটেন। সদ্য প্রকাশিত ব্রিটেনের কমনওলেথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের (সিডব্লুজিসি) আর্কাইভ ফাইল থেকে একশো বছর আগের সেই ইতিহাস নতুন করে জানা গেল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের আহ্বানে ১৩ লক্ষ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে অমানবিক জার্মানি ও তুরস্ককে মাথা নত করতে বাধ্য করেছিলেন। 
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ৭৪ হাজার ভারতীয় সেনা কোনওদিন বাড়ি ফিরে আসেননি। তাঁদেরই মধ্যে একজন ছিলেন লেফটেন্যান্ট শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র উইলিঙ্কর। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক উইলিঙ্কর মিডিলএক্সে যুদ্ধবিমান চালানোর প্রশিক্ষণ পান। রয়্যাল ফ্লায়িং কর্পোরেশন (বর্তমানে রয়্যাল এয়ার ফোর্স নামে পরিচিত) যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তখনই অন্যান্য বিমান চালকদের মতো তিনিও সেদিন হাজারো বাধা এবং কুসংস্কারের মুখোমুখি হন। যদিও প্রবল সাহসী উইলিঙ্কর সব বাধা উড়িয়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
রয়্যাল ফ্লায়িং কর্পোরেশনের অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর ফ্রান্সে পোস্টিং পান। ১৯১৮ সালের জুন মাসে যুদ্ধবিমান নিয়ে টহল দিতে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। তাঁর কী পরিণতি হয়েছিল, তা বহুমাস পর্যন্ত জানা যায়নি। হন্য হয়ে ছেলের খোঁজ করতে শুরু করেন উইলিঙ্করের মা। তাঁর সহযোদ্ধা কর্নেল বার্টন ছেলেকে খোঁজার জন্য তাঁর মাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন।
সদ্য প্রকাশিত ই-ফাইল অনুযায়ী, শত্রুপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর বেলজিয়ামে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির কবরের সন্ধান মেলে। পরে দেহটি সরিয়ে হ্যাঙ্গগার্ড কমিউন্যাল কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। যদিও ১৯২১ সালের ফেব্রুয়ারির মাসে উদ্ধার হওয়া জার্মান রেকর্ড অনুযায়ী, ওই দেহটি উইলিঙ্করের ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।
সৌজন্যে : বর্তমান পত্রিকা
Posted by Admin K C Chowdhury from Russia
RELATED ARTICLES

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

Most Popular

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন!

২৬/১১-র মুম্বই হামলার ধাঁচেই নাশকতার ছক: দিল্লি, মুম্বাই, ইউপি তে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘৃণ্য চক্রান্ত ব্যর্থ করল প্রশাসন! সবচেয়ে বড় কথা হল আইএসআইয়ের এই সম্পূর্ণ...

আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।

শরণার্থী : আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোতে ইসলামী মৌলবাদিদের জিহাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে।নিউজিল্যান্ড ইসলামী জিহাদিদের ছুরি হামলা, হামলাকারী একজন শ্রীলংকান মুসলিম শরণার্থী। অন্য দিকে জার্মানিতে...

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে।

কেরালা ভারতে অশান্তির নীরব রাজধানী হয়ে উঠছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কেরালা পরবর্তী কাশ্মীর হয়ে যাবে। কেরালার হিন্দুদের কাছ থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। কাশ্মীরি...

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ।

মন্দির-মসজিদ সহাবস্থান যতগুলি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বিজ্ঞাপন দেখেন তার সবগুলিই মন্দির আগে প্রতিষ্ঠা হয়েছে তারপর মসজিদ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একজন মুসলিম যুবক চন্দ্রনাথ ধামে...

Recent Comments

%d bloggers like this: