আমাদের সভ্যতাই দিতে পারে উৎসব ও প্রকৃতি কৃতজ্ঞতার বন্ধন। মানুষের স্বাভাবিক কামনা বাসনা, রূপতৃষ্ণাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করেননি আমাদের ধর্মের প্রবক্তারা। অবাক হতে হয় যখন দেখি যে ধর্মীয় ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও প্রাচীন ভারতে হিন্দু জাতি জ্ঞান-বিজ্ঞান, অর্থ, সম্পদ ও ঐশ্বর্যের শিখরে পৌঁছেছিল। সারা বিশ্ববাসী আজ এক বাক্যে স্বীকার করে যে ভারতীয় হিন্দু গণিতজ্ঞরাই গণনার ক্ষেত্রে “শুন্যের ব্যবহার জগৎকে শেখায়। গণিতশাস্ত্রে ভারতের স্থান ছিল সর্বোচ্চ।

রসায়ন শা, উদ্ভিদবিদ্যা, জ্যোতির্বিজ্ঞান, আয়ুর্বেদ, ভাস্কর্য, জাহাজ নির্মাণ, নৌচালনা, মন্দির নির্মাণ, রাস্তা, সেতু নির্মাণ, যুদ্ধবিদ্যা সর্বক্ষেত্রে ভারত ছিল বিশ্বসেরা। অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি ছিল অতি উন্নতমানের। ভারত কৃষি প্রধান দেশ। সমাজ ব্যবস্থা ছিল কৃষি নির্ভর। তাই সেই আদিকাল থেকে কৃষির প্রয়ােজনীয় যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনে ভারতবাসী অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে।

এই পর্বটি পড়ার আগে পূর্বের প্রথম , দ্বীতিয় এবং তৃতীয় পর্ব তিনটি আগে পড়ে আসুন-ধন্যবাদ।

 

ভারতীয় কৃষির সেচ ব্যবস্থা প্রাচীন বিশ্বে পথ প্রদর্শক ছিল। ভূস্তরের নিচের সঞ্চিত জল নষ্ট না করে কিভাবে জলসেচ করা যায় তা উদ্ভাবন করেছিল নিরক্ষর ভারতীয় চাষীরা। জৈব সারের সুষম ব্যবহার কিভাবে ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে তা হাতেকলমে করে তারা বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছিল।

শুধু বৈষয়িক নয়, প্রাচীন হিন্দু ভারতের সাংস্কৃতিক জীবনও ছিল উন্নতমানের। সাহিত্য, শিল্প, সঙ্গীত, নৃত্য সব কিছুই বিকশিত হয়েছিল সেকালের উন্নত জীবনযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে। ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রের বৈচিত্র্য আজও আমাদের চমৎকৃত করে। জীবনমুখী কারিগরী বিদ্যা।

ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রের বৈচিত্র্য
ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রের বৈচিত্র্য

এবং মনে রাখতে হবে প্রাচীন হিন্দু-ভারতে প্রতিটি কলাবিদ্যা ও বিজ্ঞানের নিজস্ব পৃথক যন্ত্রপাতি ছিল। যখন আমরা বলি প্রাচীন ভারতে চিকিৎসা বিদ্যা অতি উন্নত ছিল তখন বুঝতে হবে যে চিকিৎসকদের কাছে অস্ত্রোপচারের প্রয়ােজনীয় যন্ত্রপাতিও ছিল।

 

উন্নতমানের যুদ্ধবিদ্যার প্রসারের অর্থ প্রাচীন ভারতের যােদ্ধারা লােহাকে কিভাবে ইস্পাতের তরবারীতে পরিবর্তিত করা যায় সেই বিদ্যা আয়ত্ব করেছিল। ভারতীয় কারিগরী বিদ্যা যে শুধু উন্নতমানেরই ছিল না, এই বিদ্যা পরিবেশ দূষণ বিরােধী, বিকেন্দ্রিত, সহজ সরল ছিল। অর্থাৎ সমাজবিজ্ঞানী সুমেচারের কথায় প্রাচীন কারিগরী বিদ্যা জীবনমুখী ছিল।

উৎসব ও প্রকৃতি কৃতজ্ঞতার বন্ধন।

জ্ঞান-বিজ্ঞান, কলা, কারিগরী শিক্ষায় যে সমাজ উন্নতির চরম শিখরে পেছেছিল সেই সমাজের মানুষজন নিশ্চয় আনন্দ উৎসবের অনুরাগী ছিলেন। জীবনকে কত সহজ ও সুন্দরভাবে উপভােগ করা যায় তা তারা জানতেন। প্রকৃতির ঋতুচক্রের আবৰ্ত্তনের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করে কেমন নির্মল আনন্দ পাওয়া যায় তা জানা ছিল বলেই হিন্দু বসন্ত উৎসব বা হােলি উৎসব থেকে শুরু করে দীপাবলী, মকর সংক্রান্তি ইত্যাদি উৎসব পালন প্রচলন করেছিল।

এইসব সামাজিক উৎসবের সঙ্গে প্রকৃতির বিভিন্ন ঋতুর প্রত্যক্ষ যােগ আছে। হিন্দু প্রকৃতির বিভিন্ন রূপে মুগ্ধ হয়েছে। প্রকৃতিকে ভালবেসেছে। পূজা করেছে। দেবীরূপে বন্দনা করেছে। প্রকৃতির কাছে হিন্দু চিরকৃতজ্ঞতার বন্ধনে নিজেকে আবদ্ধ করেছে। এখানেই হিন্দুর শ্রেষ্ঠত্ব, এখানেই হিন্দু ধর্মের মহানতা। ঈশ্বর-প্রকৃতি-পূজা ভারতের মহান হিন্দু সভ্যতাই একমাত্র প্রকৃতির মধ্যে ঈশ্বরের লীলা প্রত্যক্ষ করেছিল যা বিশ্বের দ্বিতীয় কোন সভ্যতায় আমরা খুঁজে পাইনি।

 

এ কথা ঠিক যে কিছু আধ্যাত্মিক দর্শনে রূপ মুগ্ধতা বর্জনের উপদেশ আছে। কারণ মনে করা হয়েছে বিশ্ব প্রকৃতির রূপে আকৃষ্ট হলে মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে। ঈশ্বর সান্নিধ্য লাভের সাধনায় বিঘ্ন ঘটাবে। হিন্দুর আধ্যাত্মিক দর্শন ভিন্ন। হিন্দু দর্শনে প্রকৃতিকে দেবীরূপে পূজার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে প্রকৃতি ও পরিবেশ ঈশ্বরস্বরূপা। তাঁকে দেবীর আসনে বসাও। ঈশ্বর এই বিশ্ব প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তা। তার সৃষ্টির মধ্যেই তিনি আছেন। তাই হিন্দু সুর্যপ্রণাম করে।

সে ভােরের আকাশে লাল আবির ছড়িয়ে সূর্যোদয়ের সৌন্দর্যকে ঈশ্বরজ্ঞানে মন্ত্রোচ্চারণে বন্দনা করে। ফুল, ফল, জল, নদী, সমুদ্র সব কিছুই হিন্দু ঈশ্বরের দান বলে গ্রহণ করে। প্রকৃতির ঋতুচক্রের মধ্যে সে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মর প্রকাশ দেখতে পায়। হিন্দুর দর্শনে প্রকৃতি ভােগ্যা রমণী নয়। প্রকৃতি পুজ্যা দেবী। এখানেই হিন্দু-ভারতের মহান সভ্যতা বিশ্বের অন্য সমস্ত সভ্যতা, সব দর্শনকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। এখানেই হিন্দুর জয়, হিন্দু দর্শনের বিজ্ঞান মনস্কতার সাফল্য। প্রকৃতিকে রক্ষা করলে, মানবজাতি রক্ষা পাবে এমন কথা হিন্দুই বলতে পারে, এমন ধর্ম হিন্দুই পালন করতে পারে।

 

উৎসব ও প্রকৃতি কৃতজ্ঞতা
হিন্দুরা কেন প্রকৃতি প্রতি কৃতজ্ঞতা সাথে পূজা করে?

নিয়ন্ত্রিত বাসনা  যা কিছু সুন্দর তার প্রতি সাধারণ মানুষ আকৃষ্ট হবেই। মানুষের স্বাভাবিক কামনা বাসনা, রূপতৃষ্ণাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করেননি আমাদের ধর্মের প্রবক্তারা। সুন্দরকে উপভােগ করার ক্ষেত্রে তাই হিন্দুর কোন বাধা নেই। প্রাচীন ভারতে হিন্দুজাতি সুন্দরের যথার্থ উপাসক ছিলেন। সুগন্ধী পুষ্পমাল্য, চন্দন সুবাসিত তেল, বিচিত্র অলঙ্কার, সব কিছুই স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে ব্যবহার করতেন।

 

হিন্দু নারীর কবরী বন্ধনের সুক্ষ্ম কলায় আধুনিক বিশ্বও বিস্মিত না হয়ে পারে না। নারীর অলঙ্কার, প্রসাধন, উন্নত হিন্দু সভ্যতার মহান ঐতিহ্য। গৃহসজ্জায় বিচিত্র সুন্দর আলপনার ব্যবহার হিন্দুরই আবিষ্কার। শুধু গৃহাঙ্গনই নয়, হিন্দু তার গরু গাড়িটিও আলপনায় পল্লবে সাজাতে ভালবাসতাে। সৌন্দর্যবােধ ধর্মবিরােধী ছিল না। বরং হিন্দু ধর্মের প্রবক্তারা জানতেন স্বাভাবিক কামনা বাসনাকে জোর করে দমন করার চেষ্টা করলে সামাজিক জীবনে ব্যাভিচার দেখা দেবে। তাই তারা সুন্দরের প্রতি স্বাভাবিক অকার্ষণকে রুদ্ধ না করে নিয়ন্ত্রিত করেছিলেন।

নিজেকে সুন্দর করে সাজানাের সঙ্গে নিজের বাসস্থান পরিবেশকে সুন্দর করে সাজানাের শিক্ষাই তারা সাধারণ মানুষকে দিয়েছিলেন। ভােগের স্বাভাবিক ইচ্ছার ক্ষয় না হলে আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশ করা যায় না। হিন্দু বিশ্বাস করে জন্ম জন্মান্তরের সুকৃতির ফলে ভােগের ইচ্ছার ক্ষয় ও ঈশ্বর সান্নিধ্যলাভ হয়।

 

বৃটিশের মস্তিক ধােলাই বিশ্বের সমস্ত প্রাচীন সভ্যতার উত্থান ও পতন ঘটেছে মহাকালের অমােঘ নিয়মে। হিন্দু সভ্যতা এর ব্যতিক্রম নয়। হাজার হাজার বছরের এই প্রাচীনতম সভ্যতার চলার পথে স্বাভাবিক নিয়মেই অনেক অনাচার প্রবেশ করেছে। এইসব অনাচার, কুসংস্কারকে অস্বীকার করে সত্যকে গােপন করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। মনে রাখতে হবে কোন সমাজ ব্যবস্থাই সঠিক বা ত্রুটিহীন নয়। সব সমাজেই ভাল ও মন্দ দুটি দিকই আছে। ভারতে বিদেশী আগ্রাসনের সঙ্গে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনও ঘটেছিল। হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির উপর বাইরের আঘাত যুগে যুগে ঘটেছে। কিন্তু শেষ জয় হিন্দু-সংস্কৃতিরই হয়েছে।

কিন্তু আজ, আবার আমাদের অধঃপতন ঘটেছে। মনে হচ্ছে আমরা আমাদের নিজস্ব আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্রের শিকড় হারিয়েছি। নিজেদের। শিক্ষা, সংস্কৃতি, আদর্শ ভুলে পাশ্চাত্যের ভ্রান্ত বস্তুবাদী জীবনের প্রতি অযথা আকৃষ্ট হয়ে আত্মধ্বংসের পথে অন্ধ দৌড় শুরু করেছি। পাশ্চাত্যের ভােগবাদী। ঝড় আমাদের কৃষ্টি, বিচারবােধ, জীবনযাত্রা সবকিছু ঘড়কুটোর মত উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

 

এর জন্য দায়ী বৃটিশ রাজশক্তি। আমাদের পরাধীনতা। শ্বেতাঙ্গ ইংরাজ ভারতবাসীকে বুঝিয়েছিল যে ভারতের সভ্যতা, শিক্ষা, সমাজ ব্যবস্থা। সব কিছুই অতি নিম্নমানের। পাশ্চাত্যের তথাকথিত উন্নত সভ্যতার সংস্পর্শে এলেই ভারতীয়দের সামাজিক ও আত্মিক উন্নতি ঘটবে। নতুবা নয়। বৃটিশ রাজশক্তির এই কৌশলী মস্তিষ্ক ধােলাইয়ের ফলে আমরা ভুলে গেলাম যে আমাদের নিজস্ব দর্শন, চিন্তন এবং জীবনের লক্ষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এই আত্মবিস্মৃতির ফলেই আজ ভারতের সমাজ জীবনে নানা ব্যাধির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। ভােগবাদী পাশ্চাত্যের শ্বেতাঙ্গ সমাজে আজ ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে যে চরম বিশৃঙ্খলা, কলুষিত পরিবেশ দেখা যাচ্ছে তার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটছে ভারতীয় সমাজে। আমরা আমাদের পারিবারিক জীবনে বিচ্ছিন্নতার, আদর্শহীনতার শিকার। নিজেকে জানাে নিয়তির কি চরম পরিহাস! ভােগ ও বস্তুবাদকে যারা জীবনের মােক্ষ বলে মনে করেছিল, পাশ্চাত্যের সেই শ্বেতাঙ্গ সমাজের আশাভঙ্গ হয়েছে।

 

ভােগর আগুনে দগ্ধ হয়ে বুঝেছে যে আধুনিক সভ্যতা, উন্নত জীবনযাত্রার বড়াই তারা এতকাল করেছে তা অসার। ক্ষতিকারক। দুঃখের কারণ। সমাজ জীবনে প্রাচুর্যের অভিশাপ নেমে এসেছে। ভােগের উপকরণ যোেগাতে যােগাতে প্রকৃতির সমস্ত মহার্ঘ সম্পদ লুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ কলুষিত। তবু ভােগবাসনার নিবৃত্তি হয় নি। এই নিদারুণ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন, সুস্থ, স্থায়ী সমাজব্যবস্থা কিভাবে গড়া যায় তার পথনির্দেশ পেতে পাশ্চাত্য আজ প্রাচ্যের দ্বারে হাত পেতে দাঁড়িয়েছে।

কারণ পাশ্চাত্যের ভােগবাদী মানুষ বুঝেছে জীবনে সুখ শান্তি সমৃদ্ধি পেতে গেলে প্রাচ্যের আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শ্রেষ্ঠ শিক্ষা, সঠিক পথ। অথচ এই শিক্ষা এই পথ সবই ভারতীয়দের অতি পরিচিত। সেই পরিচিত চলার পথে শাসক বৃটিশ সভ্যতা আমাদের বাধা দিয়েছিল। হিন্দুর প্রাচীন সভ্যতাকে সেকেলে অর্থহীন বলে বাতিল করতে ভারতবাসীকে প্ররােচিত করেছিল।

সময় এসেছে ভুল সংশােধনের। হিন্দুকে জানতে হবে তার গৌরবময় মহান ঐতিহ্যকে। তার সুপ্রাচীন সভ্যতাকে। যে সভ্যতা মানুষ ও প্রকৃতির মহামিলন ঘটিয়েছিল ; হাজার হাজার বছর ধরে হিন্দুর সমাজ ও পারিবারিক জীবনকে এক অটুট বন্ধনে ধরে রেখেছিল। পাশ্চাত্যের ভােগবাদী প্রাচুর্যের হাতছানি উপেক্ষা করে আদর্শ ভারতীয় ভাবধারার সঙ্গে একাত্ম হতে হবে। কারণ হিন্দু দর্শনেই প্রকৃতি ও তার প্রাণীজগৎ একই তারে একই সুরে বাঁধা।

 

পাশ্চাত্যের তথাকথিত উন্নত শ্বেতাঙ্গ সমাছ আজ শান্তির সন্ধানে প্রাচোর মহান দর্শনের আশ্রয় নিতে চাইছে। হিন্দুত্ববাদের এমন শক্তি আছে যা ভােগবাদী দুনিয়াকে সঠিক পথের সন্ধান দিতে পারে। ভারতীয় হিন্দুদের অস্ত্র পবিত্র দায়িত্ব, বিশ্ববাসীকে সেই পথে পরিচালিত করা। কারণ হিন্দু ভারতবাসী নেতৃত্ব না দিলে বিশ্বকে পরিবেশ দূষণের নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে আর কে রক্ষা করবে? সকলে এসাে, এই ধর্ম পালনে প্রস্তুত হও।

লেখাটির-

প্রথম পর্ব এখানে

দ্বীতিয় পর্ব এখানে

তৃতীয় পর্ব এখানে

 

 

আরো পড়ুন…..

মসজিদ ধ্বংসের 25 বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দিবস।

মিথ্যের যুগে সত্যের অনুসন্ধান ! সেই মহা ভারতের বিমানটি এখন কোথায় ?

ভারতের সাথে প্রতিবেশী সম্পর্ক: আমরা কেন ইন্ডিয়াকে ঘৃণা করি?-দুরর্ম

এখন সেই দর্শনকে আড়াল করে বলছেন বামুনরাই থাকতে চায়নি! কেন ভাই, দ্বিজাতিত্ত্বকে স্বীকার করে নিতে…

 

সূত্র:-
প্রাচীন ভারত – উইকিপিডিয়া
সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতার তথ্য – প্রাচীন ভারতের ইতিহাস
প্রাচীন ভারত সভ্যতার রহস্যের …
হিন্দুধর্মের ইতিহাস
সিন্ধু সভ্যতা – উইকিপিডিয়া
হিন্দুধর্মের ঐতিহাসিক সভ্যতা
বৈদিক সভ্যতা – উইকিপিডিয়া
বৈদিক সভ্যতা (Vedic Civilisation) | BengalStudents
প্রাচীন বৈদিক সভ্যতার
আদি বৈদিক যুগের ইতিহাস জানার

লেখক-অভিরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
অধ্যাপক দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়
সভ্যতা, সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশ্লেষক।