শাহী সাম্রাজ্য ছিলো, সেটা মুলত
অবিভক্ত পাঞ্জাব, আফগামিস্তানের এক বিস্তীর্ন অঞ্চল
এবং বর্তমান কাশ্মীর। তার সাম্রাজ্য ছিলো
দাহিরের রাজ্য সিন্ধু দেশের
ঠিক উত্তরে এবং উত্তর
পশ্চিমে। সিন্ধু দেশ এবং
জয়াপালের “হিন্দু শাহী” সাম্রাজ্য
নিয়েই বর্তমান পাকিস্তান এবং আফগানিস্থানের দক্ষিনাংশ।
শাহী সাম্রাজ্য ছিলো দুই প্রদেশে
বিভক্ত, ঊত্তর শাহী এবং
দক্ষিন শাহী। দক্ষিন শাহীর
রাজধানী বর্তমান ‘হিরাট’, দক্ষিন শাহীর রাজধানী
‘কাবুল’ (ঋষি ‘জাবাল’=জাবুল=কাবুল— পুরানের
জাবালের গল্প মনে করুন)। মহাভারতের
‘গান্ধার’ (কান্দাহার) ছিলো দক্ষিন শাহীর
অন্তর্ভুক্ত।
উত্তর শাহী ‘জিহাদী, আগ্রাসনে
(সামানিদ সাম্রাজ্য–যারা মুলত বর্তমান
সমরখন্দ, বুখারা থেকে এসেছিলো)
আগেই মুসলিম হয়ে যায়।
দক্ষিন শাহী র রাজাধিরাজ
জয়াপালের সময় থেকে শুরু
হয় ‘জিহাদী আক্রমন’ সুবিক্তিগীনের
দ্বারা ,পরে তার ছেলে
মুহাম্মদ, যাকে আমরা “গজনীর
মাহমুদ” বলে জানি এই
দক্ষিনশাহী সম্পুর্ন গ্রাস করে নেয়,
রাজা জয়াপালের প্রোপৌত্র ভীমাপালের সংগে মাহমুদের সংগে
সর্ব শেষ যুদ্ধে (১০২৬
সাল)। সুবুক্তীগীনের
সংগে জয়াপালের বিরোধ থকে শুরু
করে ভীমাপালের এই “ভারতবর্ষের স্বাধীনতা
রক্ষার রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম” চলে। “ইসলামিক জিহাদ”
এর সংগে “ভারতের হিন্দু
রাজাদের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম” বোধ
হয় সারা পৃথিবীর মানব
জাতির ইতিহাসে সব চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী
(৭১২ সাল থে শুরু
করে যা আজো চলছে)
সংগ্রাম।।
এই ইতিহাস, বর্তমান আফগানিস্তানের ইতিহাস ছাড়া অসম্পুর্ন
থেকে যায়। ক’জন
জানে, প্রথমে বিশাল উত্তর
শাহী এবং পরে দক্ষিন
শাহী সাম্রাজ্যের ধ্বংস কাহিনী, যা
ছিলো “ইসলামী জিহাদ “শ্রুর
বহু আগে থেকেই সনাতনি
হিন্দু রাজাদের দ্বারা শাসিত। ক’জন জানে, বর্তমানে
আফগানিস্তানের যে প্রদেশ “নুরীস্থান’
নামে পরিচিত, তার নাম বিজয়ী
মুসুলিম জিহাদীরা অনেক আগে থেকেই
নাম দিয়েছিলো “কাফিরীস্থান=কফেরদের স্থান= ইসলামে অবিশ্বাসীদের
স্থান”????? মহাভারতের কথা যদি ছেড়েই
দেই, অর্থ্যাত, পন্ডিতদের মতো যদি বলি,’
মাহভারতের যুদ্ধ হয়ইনি, গান্ধারী
বলে কেউ ছিলেন না,
গান্ধার নামে কোনো দেশ
ই ছিলো না, তবুও
বর্তমান লিখিত ইতিহাস বলে,
সমগ্রা আফগানিস্তান ছিলো হিন্দুদের দেশ।
ভারতীয় সংষ্কৃতি, সনাতনি আধ্যাত্মিকতা এক
সময় সারা আফগানিস্তানে প্রচলিত
ছিলো। সেই সংষ্কৃতি এবং
আধ্যাত্মিক ভাবনা চিন্তা একেবারেই
বিলুপ্ত হয়ে গেছে একমাত্র
মক্কা এবং মদিনা থেকে
উদ্ভুত এক “জিহাদী” মত
এবং পথের দ্বারা।
আমরা দেখবো, কিভাবে আফগানিস্তান
হিন্দু শুন্য হলো সেই
‘অশুভ শক্তির দ্বারা মাত্র
১৪০০ বছর আগে থেকে
শুরু করে।
আফগানিস্তানের নাম করন নিয়ে
মাথা ঘামানোর খুব বেশী কিছু
নেই। নানা মুনির নানা
মত। “Return Of the
Aryan” বইয়ের লেখক (যিনি লিখেছিলেন
‘Sword of Tipu Sultan’) প্রতিপাদ্য
করতে চেয়েছেন ‘বহু বছর আগে
‘আভাগানা’ নামে এক বৈদিক
সন্ন্যাষী বর্তমান আফগানিস্তানে গিয়ে বৈদিক ধ্যান
ধারনার প্রচার করেন। তার
শিষ্যরা (বর্তমান Pustun ভাষী, আফগান= Land of the Pustun) । আফগান
নামে পরিচিত হয় এবং
তাদের নামেই বর্তমান আফগানিস্তান।
ঋষি জাবুল এর নামে
‘কাবুল’। কিন্তু
এই সব কথা ধোপে
টিকবে না। পন্ডিতেরা বলবেন
ওই সব গাজাখুরী মিথ।
আফগানিস্তানের ভৌগলিক অবস্থান এমনই
যে যুগে যুগে নানা
সামরিক অভিযান, নানা নামের সাম্রাজ্য
এখানে বিস্তার লাভ করেছে। একই
কারনে ব্যাবসায়িক প্রয়োজনে এই দেশ টি
এক বিশেষ ভুমিকা নিয়েছে।
পুরানো ‘সিল্ক রুট’ এর
গুরুত্বপুর্ন ভুমি এই আফগানিস্তান।
এসিমিনিড সাম্রাজ্য, আলেকজান্ডারের ম্যসিডোনিয়ান সাম্রাজ্য, হিন্দু গুপ্ত সাম্রাজ্য
এবং সর্বশেষে “জিহাদী সাম্রাজ্যের’ এক
অংশ হিসাবে আফগানিস্তান থেকেছে।
এ ছাড়া অনেক শক্তিশালী
শাসক বংশ এই অঞ্চল
থেকেই উদ্ভুত হয়েছে, যেমন,গ্রীক–ব্যাক্ট্রিয়ান, কুষান
সাম্রাজ্য, হুন সাম্রাজ্য, সাফারিদ,
সামানিদ,হিন্দু শাহী,গজনবী,ঘোরী,খলজী, তৈমুরাইদ,মোগল এবং সর্ব
শেষ দুরানী রা সবই
এই আফগানিস্তান থেকেই শুরু হয়েছে।
এর মধ্যে গজনবী, ঘোরী,
খলজী, মোগল এবং দুরানী
রা সবাই ভারতের মুল
ভুমিকে তাদের বর্বরতা, অবর্নীয়
লুট পাঠ, ধ্বংস লীলা,নারকীয় হত্যা লীলা
, নারী নির্যাতন এবং জোর করে
ধর্ম পরিবর্তন করার মতো অসভ্য
কাজ করেছে।
- উড়োজাহাজ আবিস্কারক একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী…………..
- কুষ্ঠরোগের টীকা আবিষ্কার করলেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী….
- ইতিহাসের এক ভয়ংকর অধ্যায়, যে ইতিহাস হয়নি বলা, “গজন…
- ইতিহাসের এক ভয়ংকর অধ্যায়, যে ইতিহাস হয়নি বলা, “গজন…
- ইতিহাসের এক ভয়ংকর অধ্যায়, যে ইতিহাস হয়নি বলা, “গজন…
- ইতিহাসের এক ভয়ংকর অধ্যায়, যে ইতিহাস হয়নি বলা, “গজন…
- ভারতে “জিহাদী তান্ডব”—পৃথীরাজ চৌহান” এর আত্মবলিদা…
- “ইতিহাস কাদেরকে “মহান’ ( Great) বলে”…………….
- ম্যাসিডোনিয়ার রাজা আলেকজান্ডার এবং ভারতীয় হিন্দুরা…
- “রানী ‘রানী বাই’ এবং দাহিরের দুই কন্যা”…